জাতীয় বাজেট এখন আর জনকল্যাণের পরিকল্পনা নয়, বরং প্রভাবশালীদের ভাগবাটোয়ারার এক অঘোষিত মহড়ায় পরিণত হয়েছে এমন অভিযোগই ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে। বাজেট পাসের আগেই বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ নিয়ে কার ভাগে কত পড়বে, সেই হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে বলে আলোচনা চলছে অফিসপাড়ায়।
উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা স্থানীয় সরকার খাত—সবখানেই বরাদ্দের অর্থকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে স্বার্থসংশ্লিষ্ট মহল। অভিযোগ রয়েছে, জনগণের কল্যাণে ব্যয় হওয়ার আগেই বরাদ্দের একটি বড় অংশ প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে।
নানা মহলে এমনও আলোচনা রয়েছে যে, অতি ক্ষুধার্ত বিএনপি দলীয় কিছু সংসদ সদস্য এখন ইউনিয়ন পর্যায়ের বরাদ্দ থেকেও নিজেদের অংশ নিশ্চিত করার দৌড়ে নেমেছেন। ফলে স্থানীয় উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত অর্থও রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বার্থের বলয়ে আটকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে জনগণের চাহিদার চেয়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাজেট অনুমোদনের আগেই যখন ভাগবাটোয়ারার অঙ্ক কষা হয়, তখন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। জনগণের করের টাকায় গঠিত বাজেট যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার হয়, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন কখনোই বাস্তবে রূপ নেবে না। দেশের মানুষ এখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বাজেটের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেখতে চায়
বাজেট পাসের আগেই শুরু ভাগবাটোয়ারার মহড়া
বাজেট পাসের আগেই শুরু ভাগবাটোয়ারার মহড়া
জাতীয় বাজেট এখন আর জনকল্যাণের পরিকল্পনা নয়, বরং প্রভাবশালীদের ভাগবাটোয়ারার এক অঘোষিত মহড়ায় পরিণত হয়েছে এমন অভিযোগই ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে। বাজেট পাসের আগেই বিভিন্ন খাতের বরাদ্দ নিয়ে কার ভাগে কত পড়বে, সেই হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে বলে আলোচনা চলছে অফিসপাড়ায়। উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা স্থানীয় সরকার খাত—সবখানেই বরাদ্দের অর্থকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে স্বার্থসংশ্লিষ্ট মহল। অভিযোগ রয়েছে, জনগণের
কল্যাণে ব্যয় হওয়ার আগেই বরাদ্দের একটি বড় অংশ প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে। নানা মহলে এমনও আলোচনা রয়েছে যে, অতি ক্ষুধার্ত বিএনপি দলীয় কিছু সংসদ সদস্য এখন ইউনিয়ন পর্যায়ের বরাদ্দ থেকেও নিজেদের অংশ নিশ্চিত করার দৌড়ে নেমেছেন। ফলে স্থানীয় উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত অর্থও রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বার্থের বলয়ে আটকে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি,
বিদ্যুৎ ও যোগাযোগসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে জনগণের চাহিদার চেয়ে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাজেট অনুমোদনের আগেই যখন ভাগবাটোয়ারার অঙ্ক কষা হয়, তখন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। জনগণের করের টাকায় গঠিত বাজেট যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার হয়, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন কখনোই বাস্তবে রূপ নেবে না। দেশের মানুষ এখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বাজেটের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেখতে চায়
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৫),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত