জেলার নবীনগরে উন্নত জাতের বীজ ও মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে সফল কৃষক মাঈন উদ্দিন। কৃষক মাঈন উদ্দিন উপজেলার বিদ্যাকুট ইউনিয়নের বিদ্যাকুট গ্রামের বাসিন্দা। মাঈন উদ্দিন এক সময় সেলুনের কাজ করতেন। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে কৃষিকাজ করতে দেখে কৃষির প্রতি তাঁর আলাদা ভালো লাগা তৈরি হয়। প্রায় তিন বছর আগে তার বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে পেশা হিসেবে কৃষিকেই বেছে নেন তিনি। এরপর থেকে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে সংসারের হাল ধরেছেন মাঈন উদ্দিন। স্বল্প পরিসরে লাউ, করলা, শিম, বেগুন ও মরিচসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে নবীনগর উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত মানের বীজ ও মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করেন তিনি। আধুনিক এ পদ্ধতিতে চাষ করে প্রথমবারেই ভালো ফলন পাওয়ায় তাঁর মধ্যে নতুন উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
মাঈন উদ্দিন বাসস’কে বলেন, আমার বাবা কৃষি কাজ করতেন। ছোটবেলা থেকেই তার সাথে মাঠে যাওয়া-আসা করতাম। তখন থেকেই কৃষির প্রতি একটা ভালো উৎসাহ তৈরি হয়। শুরুতে বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। এবার কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে পার্পল কিং জাতের বেগুন চাষ করি। আগে এভাবে চাষ করিনি। মালচিং দেয়ার পর জমিতে আগাছা কম হয়েছে, মাটিতে আর্দ্রতাও ভালো থাকছে। গাছের বৃদ্ধি ও ফলন ভালো হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ কেজি বেগুন তুলতে পারছি। প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১শ’ টাকা দরে বিক্রি করা যাচ্ছে। বাজারে দাম ভালো থাকলে কোনো কোনো দিন ১২০টাকা কেজি দরেও বেগুন বিক্রি করা যাচ্ছে। মাঠে যে পরিমাণ বেগুন আছে আরো ২ মাস নিয়মিত হারভেস্ট করা যাবে।
উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সফুরুল্লাহ বাসস’কে বলেন, মাঈন উদ্দিন প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তাঁর জমি নিয়মিত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষকের উৎপাদন ও আয় বাড়ানো সম্ভব। আশাকরি সম্পূর্ণ মৌসুম শেষে ৩ লক্ষাধিক টাকা লাভবান হবেন।
নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বাসস’কে বলেন, বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। মাঈন উদ্দিন মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে ভালো ফলন ও বাজার মূল্য পেয়েছেন। মাঈন উদ্দিন নিজের সাফল্য দেখে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ বিঘা জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষের
পরিকল্পনা করছেন।
তিনি আরো বলেন, সেলুনের কাজ ছেড়ে কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়া মাঈন উদ্দিনের এই সাফল্য এখন এলাকার অন্য কৃষকদেরও আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদে উৎসাহিত করছে। কৃষি বিভাগ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করতে নিয়মিত প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণ এবং মাঠ দিবসের আয়োজন করছে।
মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষে সফল কৃষক মাঈন উদ্দিন
মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষে সফল কৃষক মাঈন উদ্দিন
জেলার নবীনগরে উন্নত জাতের বীজ ও মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে সফল কৃষক মাঈন উদ্দিন। কৃষক মাঈন উদ্দিন উপজেলার বিদ্যাকুট ইউনিয়নের বিদ্যাকুট গ্রামের বাসিন্দা। মাঈন উদ্দিন এক সময় সেলুনের কাজ করতেন। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে কৃষিকাজ করতে দেখে কৃষির প্রতি তাঁর আলাদা ভালো লাগা তৈরি হয়। প্রায় তিন বছর আগে তার বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে পেশা হিসেবে কৃষিকেই বেছে নেন তিনি। এরপর থেকে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে সংসারের হাল ধরেছেন মাঈন উদ্দিন। স্বল্প পরিসরে লাউ, করলা, শিম, বেগুন ও মরিচসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে নবীনগর উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় প্রথমবারের মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত মানের বীজ ও মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করেন তিনি। আধুনিক এ পদ্ধতিতে চাষ করে প্রথমবারেই ভালো ফলন পাওয়ায় তাঁর মধ্যে নতুন
উৎসাহ তৈরি হয়েছে। মাঈন উদ্দিন বাসস’কে বলেন, আমার বাবা কৃষি কাজ করতেন। ছোটবেলা থেকেই তার সাথে মাঠে যাওয়া-আসা করতাম। তখন থেকেই কৃষির প্রতি একটা ভালো উৎসাহ তৈরি হয়। শুরুতে বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। এবার কৃষি অফিসের পরামর্শে প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে পার্পল কিং জাতের বেগুন চাষ করি। আগে এভাবে চাষ করিনি। মালচিং দেয়ার পর জমিতে আগাছা কম হয়েছে, মাটিতে আর্দ্রতাও ভালো থাকছে। গাছের বৃদ্ধি ও ফলন ভালো হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ কেজি বেগুন তুলতে পারছি। প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১শ’ টাকা দরে বিক্রি করা যাচ্ছে। বাজারে দাম ভালো থাকলে কোনো কোনো দিন ১২০টাকা কেজি দরেও বেগুন বিক্রি করা যাচ্ছে। মাঠে যে পরিমাণ বেগুন আছে আরো ২ মাস নিয়মিত হারভেস্ট করা যাবে। উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সফুরুল্লাহ বাসস’কে বলেন, মাঈন উদ্দিন প্রথমবার মালচিং পদ্ধতিতে
বেগুন চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। তাঁর জমি নিয়মিত পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষকের উৎপাদন ও আয় বাড়ানো সম্ভব। আশাকরি সম্পূর্ণ মৌসুম শেষে ৩ লক্ষাধিক টাকা লাভবান হবেন। নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন বাসস’কে বলেন, বি-স্ট্রং প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। মাঈন উদ্দিন মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে ভালো ফলন ও বাজার মূল্য পেয়েছেন। মাঈন উদ্দিন নিজের সাফল্য দেখে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ বিঘা জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষের পরিকল্পনা করছেন।তিনি আরো বলেন, সেলুনের কাজ ছেড়ে কৃষিকে পেশা হিসেবে বেছে নেয়া মাঈন উদ্দিনের এই সাফল্য এখন এলাকার অন্য কৃষকদেরও আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদে উৎসাহিত করছে। কৃষি বিভাগ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করতে নিয়মিত প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণ এবং মাঠ দিবসের আয়োজন করছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত