বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
পটুয়াখালীতে গোলপাতার গুড় উৎপাদনের উপকরণ পেলেন ২৪০ চাষি সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে অপপ্রচার, কওমির শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে কারখানা বন্ধের প্রতিবেদন নাকচ প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী তৈরী পোশাক রপ্তানি খাতের সমস্যা দ্রুত সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির জটিল রোগে আক্রান্ত ছোট্ট মারিয়ামের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী মাদক-বাল্যবিয়ে-গুজব প্রতিরোধ বিষয়ে উঠান বৈঠক
কৃষি পটুয়াখালীতে গোলপাতার গুড় উৎপাদনের উপকরণ পেলেন ২৪০ চাষি

পটুয়াখালীতে গোলপাতার গুড় উৎপাদনের উপকরণ পেলেন ২৪০ চাষি

জেলার কলাপাড়ায় ২৪০ জন চাষির মধ্যে গোলপাতার গুড় উৎপাদনের আধুনিক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে চাষিদের সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

আজ বুধবার বিকেল ৬টার দিকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে চাষিদের মধ্যে এসব উপকরণ বিতরণ করেন বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম।

এ সময় কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান, পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আমানুল ইসলামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপকূলীয় অঞ্চলে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে গোলপাতার গুড় উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে ২৪০ জন চাষির প্রত্যেককে গোলের রস জাল দেওয়ার ডোংগা, কলস, লোহার কাঁচিসহ অন্তত ১২ ধরনের উপকরণ দেওয়া হয়।

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে গোলের চাষ ও গোলপাতার গুড় উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি চাষিদের আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। এ উদ্যোগের মাধ্যমে গোল চাষে কৃষকদের আরও উৎসাহিত করা হবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, গোলপাতার গুড় উপকূলীয় এলাকার ঐতিহ্যবাহী একটি কৃষিপণ্য। আধুনিক উপকরণ ও প্রশিক্ষণ পেলে চাষিরা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গুড় উৎপাদন করতে পারবেন। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে গোল চাষের অবদান আরও বাড়বে।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণে চাষিদের গোল চাষ, গোলের রস সংগ্রহ এবং আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে গুড় উৎপাদনের বিভিন্ন কৌশল শেখানো হবে। উপকূলীয় এলাকায় অর্থকরী ফসল হিসেবে গোলের চাষ সম্প্রসারণ এবং চাষিদের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খুঁজুন