বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন
আন্তর্জাতিক মধ্যপ্রাচ্যে আরো হাজার হাজার সৈন্য পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে আরো হাজার হাজার সৈন্য পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে বাধ্য করতে মধ্যপ্রাচ্যে আরো কয়েক হাজার অতিরিক্ত সৈন্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলমান যুদ্ধ অবসানে ইরানের ওপর চাপ বাড়াতেই মার্কিন প্রশাসন এই বিশাল সামরিক সমাবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে পত্রিকাটি জানিয়েছে, প্রায় ৬ হাজার সৈন্য নিয়ে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ এই অঞ্চলে অবস্থান নিতে পারে। এছাড়া চলতি মাসের শেষের দিকে আরো প্রায় ৪ হাজার ২০০ সৈন্য তাদের সাথে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সৈন্য মোতায়েনের সময়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী ২২ এপ্রিল ইরানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে, আর ঠিক সেই সময়েই মার্কিন সামরিক শক্তি সেখানে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পেন্টাগন কেবল সৈন্য মোতায়েনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং ইরানের ওপর সরাসরি সামরিক হামলা বা স্থল অভিযানের কথাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।

এই সম্ভাব্য অভিযানের মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে নেওয়া, হরমুজ প্রণালি রক্ষায় উপকূলীয় অঞ্চলে মেরিন সেনা নামানো এবং ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক মিশন।

তবে এই পরিকল্পনার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর বা পেন্টাগন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এই পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা এক নতুন এবং ভয়াবহ মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

খুঁজুন