মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, বরং এটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
আজ খুলনার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানোই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রক্ষায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানসম্মত অংশগ্রহণ আরো বাড়ানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রূপকল্প তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ এবং ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’— প্রাথমিক শিক্ষার এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়াচ্ছে, যার মূল উদ্দেশ্য শুধুই অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা।
খাবারের মান সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো খাবার নিম্নমানের, পচা বা অনুপযুক্ত মনে হলে তা গ্রহণ না করে ফেরত দিতে হবে এবং অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তা তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এক্ষেত্রে নজরদারি বাড়াতে ‘মাদারস কমিটি’কে তদারকি প্রক্রিয়ায় আরো কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন এবং খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত।
এছাড়া অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।
মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার : ববি হাজ্জাজ
মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি প্রতিটি শিশুর অধিকার : ববি হাজ্জাজ
মিড ডে মিল কোনো অনুগ্রহ বা দয়া নয়, বরং এটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আজ খুলনার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থতা, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি ও শেখার সক্ষমতা বাড়ানোই স্কুল ফিডিং কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। প্রতিটি শিশুর পুষ্টি ও শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা বা নিম্নমানের খাবার সরবরাহের সুযোগ দেওয়া হবে না।’
তিনি বলেন, কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রক্ষায় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানসম্মত অংশগ্রহণ আরো বাড়ানো হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রূপকল্প তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না’ এবং ‘প্রতিটি শিশু সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে’— প্রাথমিক শিক্ষার এই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বাড়াচ্ছে, যার মূল উদ্দেশ্য শুধুই অবকাঠামো নির্মাণ নয়; বরং প্রতিটি শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করে একটি দক্ষ ও শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলা। খাবারের মান সুনিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো খাবার নিম্নমানের, পচা বা অনুপযুক্ত মনে হলে তা গ্রহণ
না করে ফেরত দিতে হবে এবং অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করতে হবে। সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে তা তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এক্ষেত্রে নজরদারি বাড়াতে ‘মাদারস কমিটি’কে তদারকি প্রক্রিয়ায় আরো কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আমিন এবং খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। এছাড়া অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত