বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
হাইটেক পার্কের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বিদেশে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক পৌরসভার সমস্যা সমাধানে ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের উদ্বোধন চামড়া শিল্প পুনরুজ্জীবনে সমন্বিত সংস্কার পরিকল্পনা সরকারের : বাণিজ্যমন্ত্রী প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং মেলায় বাংলাদেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই : খাদ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর পথ শিগগিরই উন্মুক্ত হবে পটুয়াখালীতে দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা ঘিরে ডিএমপির নির্দেশনা রাজধানীর স্বামীবাগে গোলাগুলির ঘটনায় চারজন গ্রেফতার, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার
মতামত রক্তাক্ত শিশু বিপন্ন মানবতা

রক্তাক্ত শিশু বিপন্ন মানবতা

পায়ুপথের ভিতরে প্রাকৃতিক ভাবে কোন তরল পিচ্ছিল পদার্থ থাকে না। তাই জোর করে কিছু ঢুকাতে চাইলেই রগ ছিঁড়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে। 
শিশুদের নরম শরীর জখম হয়ে যায়। ফ্যাকাসে রক্ত শূন্য হয়ে উঠে নিয়মিত ধর্ষণে। মনমরা হয়ে উঠে বাচ্চারা। চাঞ্চল্য হারিয়ে প্রচণ্ড হতাশায় ভুগে। 

সম্প্রতি সাভারের ঘটনায় এই মিলগুলো পাওয়া যায়। এর আগে বনশ্রীতে মাদ্রাসায় যেতে না চাইলে বাবা মা জোর করে পাঠায় ফলে দশ বছর বয়সে গলাতে ফাঁস দিয়ে আত্ম হত্যা করে শিশু। লাশের পায়ু পথে জখমের চিহ্ন পাওয়াতে ধামা চাপা দেওয়া বিষয়টি উন্মুক্ত হয়ে যায়। 

সম্প্রতি রায়েরবাগের আরেকটি মাদ্রাসার বাথরুমে শিশুকে আত্মহত্যা করতে দেখি আমরা। তবে সব ঘটনা ছাপিয়ে গেছে সাভারের বিষয়টি। এখানে দুইজন নয়, পাঁচ জন নয় , সাত জন নয়। পাক্কা দশ জন ছাত্র শিক্ষক ধর্ষণ করেছে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত। ভুক্তোভুগী - মাত্র সাত বছর বয়সের ছোট্ট শিশু। 
বাসায় এসে প্রচণ্ড মনমরা পড়ে থাকে। কিন্তু বাবা মা বুঝতে পারে না। হয়তো বিভিন্ন ভাবে কনভিন্সড হয়ে তাকে এই জীবন্ত টর্চার সেলে পাঠায় যেখানে বার বার পায়ু ছিঁড়ে যৌনাঙ্গ প্রবেশ করায় দশ জন। এদের মধ্যে চারজন আবার শিক্ষক।  
তার অবস্থা এত খারাপ হয়ে যায় যে ডাক্তারের কাছে আনলে দ্রুত হাসাপাতালে পাঠাতে বলেন চিকিৎসক। 

যেই বয়সে মাঠ দপিয়ে খেলার কথা ছিল। মায়ের কোল জুড়ে থাকার কথা ছিল সেই বয়সেই হাসপাতালে চিকিৎসারত। প্রচণ্ড হতাশ। কি দোষ ছিল সাত বছরের শিশুটার? 
মাদ্রাসার চার দেয়ালে বন্দী (বাবা -মা, ভাইবোন ও প্রশাসনের চোখের বাহিরে) চেপে ধরে ধর্ষণ করে চলল শিক্ষক সহ। কি নির্মম। 
নিজের ছেলের দিকে তাকিয়ে কল্পনা করতেই গা শিউরে উঠে যে সে ব্যাথায় নীল হয়ে আছে - এমতাবস্থায় তাকে চেপে ধরে একের পর এক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ধর্ষণ করছে। শিশুর কান্না ভরা চিৎকারে মুখ চেপে ধরছে যেন শব্দ দূরে না যায়। আর রক্ত মাখা পায়ু পথে চলছে ধর্ষণ।

খুঁজুন