রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন যে বর্তমানে মিরপুর এলাকায় ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা সড়কে নামতে পারেননি এবং অনেক কারখানায় কর্মবিরতি ভেঙে শ্রমিকরা পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছেন।
পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, মিরপুর-১, পল্লবী, রূপনগর, মিরপুর-১২ এবং কাফরুল এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ, গাড়ি ভাঙচুর, রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। এসব ঘটনায় অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযান চলাকালে সাধারণ শ্রমিক বা পথচারীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলে জানান মহিদুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন যে কাউকে আটকের পূর্বে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের তদারকিতে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং অপরাধের প্রমাণ না মিললে তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ শ্রমিকদের প্রকৃত দাবি পূরণে ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে।
উসকানি দিয়ে একটি পক্ষ ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে অভিযোগ করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন যে প্রকৃত শ্রমিকরা এই ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত নন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন, এপিবিএন, ডিবি, সিটিটিসি এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার
মিরপুরের সড়কে শ্রমিক নেই, ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার
রাজধানী ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন যে বর্তমানে মিরপুর এলাকায় ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা সড়কে নামতে পারেননি এবং অনেক কারখানায় কর্মবিরতি ভেঙে শ্রমিকরা পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছেন।পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, মিরপুর-১, পল্লবী, রূপনগর, মিরপুর-১২ এবং কাফরুল এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ,
গাড়ি ভাঙচুর, রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। এসব ঘটনায় অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।অভিযান চলাকালে সাধারণ শ্রমিক বা পথচারীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলে জানান মহিদুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন যে কাউকে আটকের পূর্বে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের তদারকিতে তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং অপরাধের প্রমাণ না মিললে তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ শ্রমিকদের
প্রকৃত দাবি পূরণে ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে।উসকানি দিয়ে একটি পক্ষ ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে অভিযোগ করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন যে প্রকৃত শ্রমিকরা এই ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত নন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন, এপিবিএন, ডিবি, সিটিটিসি এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় অপরাধী যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত