পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীতে আমাদের প্রত্যয় হোক
আমরা মুখে বলি নবীজিকে ভালোবাসি—কিন্তু কুরআন-হাদিসের মানদণ্ডে সেই ভালোবাসা কতটুকু, তা কি আমরা কখনো যাচাই করেছি?
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—
"বলুন, তোমাদের পিতা, সন্তান, ভাই, স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন, অর্জিত সম্পদ, ব্যবসা এবং প্রিয় বাসস্থান—এসব যদি তোমাদের কাছে আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং তাঁর পথে সংগ্রাম করার চেয়ে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা করো আল্লাহ তাঁর নির্দেশ নিয়ে আসা পর্যন্ত।"
— সূরা আত-তাওবা, ৯:২৪
আর রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন—
"তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।"
— সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম
অর্থাৎ নবীর প্রতি ভালোবাসা ঈমানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কিন্তু নবীপ্রেমের প্রমাণ কী?
আমরা কি বাহ্যিকভাবে নবীজির সুন্নত অনুসরণ করি—তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ, ইবাদতের ধরন? না করলে, আমরা কি দাবি করতে পারি যে আমরা নবীপ্রেমিক?
আমরা কি অভ্যন্তরীণভাবে তাঁর সুন্নত অনুসরণ করি—অর্থাৎ অন্তরে সদা-সর্বদা আল্লাহর স্মরণ, সর্বদা ভালো নিয়ত? এটি ছাড়া আমরা কি বলতে পারি যে আমরা নবীজি প্রেমিক?
আল্লাহ তাআলা বলেন—
"বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমার অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।"
— সূরা আলে ইমরান, ৩:৩১
এখানেই নবীপ্রেমের প্রকৃত রহস্য। শুধু মুখে "আমি নবীজিকে ভালোবাসি" বলা নয়—তাঁর সুন্নাহকে ভালোবাসা, তাঁর আদর্শকে নিজের জীবনে ধারণ করা এবং তাঁর দেখানো পথে চলাই সত্যিকারের ভালোবাসার প্রমাণ।
ইবাদত থেকে আচরণ—নামাজ-রোজা থেকে সত্যবাদিতা, ক্ষমা থেকে প্রতিবেশীর হক—জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করাই নবীপ্রেমের বাস্তব প্রকাশ।
রাসূলুল্লাহ বলেছেন—
"মানুষ তার সঙ্গেই থাকবে, যাকে সে ভালোবাসে।"
— সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম
তাই আমাদের ভালোবাসা যেন শুধু মুখের শব্দে সীমাবদ্ধ না থাকে। আমরা যদি সত্যিই নবীজিকে ভালোবাসি, তাহলে ইহকালে তাঁর সুন্নাহর অনুসরণের মধ্যে থাকতে হবে এবং পরকালে তাঁর সান্নিধ্য লাভের প্রত্যাশা রাখতে হবে।
জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করার চেষ্টা—এটাই হতে পারে প্রকৃত নবীপ্রেমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকাশ।
আসুন, নবীপ্রেমের এই পরীক্ষায় আমরা প্রত্যেকে নিজেকে একবার যাচাই করি—আমাদের জীবনে কোন কোন সুন্নাহ আমরা অনুসরণ করি।
হে আল্লাহ, তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দিন, এবং কিয়ামতের দিন তাঁর সান্নিধ্য ও শাফায়াত নসিব করুন। আমাদেরকে আপনার প্রিয় হাবীবের প্রকৃত উম্মত, অনুসারী এবং তাঁর আদর্শের উত্তরাধিকারী হিসেবে কবুল করুন।
নবীজির পূর্ণ অনুসরণ আমাদের প্রত্যয় হোক
নবীজির পূর্ণ অনুসরণ আমাদের প্রত্যয় হোক
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীতে আমাদের প্রত্যয় হোক আমরা মুখে বলি নবীজিকে ভালোবাসি—কিন্তু কুরআন-হাদিসের মানদণ্ডে সেই ভালোবাসা কতটুকু, তা কি আমরা কখনো যাচাই করেছি? আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন—"বলুন, তোমাদের পিতা, সন্তান, ভাই, স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন, অর্জিত সম্পদ, ব্যবসা এবং প্রিয় বাসস্থান—এসব যদি তোমাদের কাছে আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং তাঁর পথে সংগ্রাম করার চেয়ে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা করো আল্লাহ তাঁর নির্দেশ নিয়ে আসা পর্যন্ত।"— সূরা আত-তাওবা, ৯:২৪ আর রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন—"তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।"— সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম অর্থাৎ নবীর প্রতি ভালোবাসা ঈমানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু নবীপ্রেমের প্রমাণ কী? আমরা কি বাহ্যিকভাবে নবীজির
সুন্নত অনুসরণ করি—তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ, ইবাদতের ধরন? না করলে, আমরা কি দাবি করতে পারি যে আমরা নবীপ্রেমিক? আমরা কি অভ্যন্তরীণভাবে তাঁর সুন্নত অনুসরণ করি—অর্থাৎ অন্তরে সদা-সর্বদা আল্লাহর স্মরণ, সর্বদা ভালো নিয়ত? এটি ছাড়া আমরা কি বলতে পারি যে আমরা নবীজি প্রেমিক? আল্লাহ তাআলা বলেন—"বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তবে আমার অনুসরণ করো; আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন।"— সূরা আলে ইমরান, ৩:৩১ এখানেই নবীপ্রেমের প্রকৃত রহস্য। শুধু মুখে "আমি নবীজিকে ভালোবাসি" বলা নয়—তাঁর সুন্নাহকে ভালোবাসা, তাঁর আদর্শকে নিজের জীবনে ধারণ করা এবং তাঁর দেখানো পথে চলাই সত্যিকারের ভালোবাসার প্রমাণ। ইবাদত থেকে আচরণ—নামাজ-রোজা থেকে সত্যবাদিতা, ক্ষমা থেকে প্রতিবেশীর হক—জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করাই নবীপ্রেমের বাস্তব প্রকাশ। রাসূলুল্লাহ বলেছেন—"মানুষ তার সঙ্গেই থাকবে, যাকে সে ভালোবাসে।"—
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম তাই আমাদের ভালোবাসা যেন শুধু মুখের শব্দে সীমাবদ্ধ না থাকে। আমরা যদি সত্যিই নবীজিকে ভালোবাসি, তাহলে ইহকালে তাঁর সুন্নাহর অনুসরণের মধ্যে থাকতে হবে এবং পরকালে তাঁর সান্নিধ্য লাভের প্রত্যাশা রাখতে হবে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসূলের আদর্শ অনুসরণ করার চেষ্টা—এটাই হতে পারে প্রকৃত নবীপ্রেমের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকাশ। আসুন, নবীপ্রেমের এই পরীক্ষায় আমরা প্রত্যেকে নিজেকে একবার যাচাই করি—আমাদের জীবনে কোন কোন সুন্নাহ আমরা অনুসরণ করি। হে আল্লাহ, তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দিন, এবং কিয়ামতের দিন তাঁর সান্নিধ্য ও শাফায়াত নসিব করুন। আমাদেরকে আপনার প্রিয় হাবীবের প্রকৃত উম্মত, অনুসারী এবং তাঁর আদর্শের উত্তরাধিকারী হিসেবে কবুল করুন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত