নিজস্ব প্রতিনিধি, নওগাঁ
নওগাঁয় হিজাব নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও মানহানির মামলায় এবার জেলহাজতে পাঠানো হলো বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণকে । আজ রোববার নওগাঁ আমলী আদালত ৩ (মহাদেবপুর) এর হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো: তাইজুল ইসলাম জামিনের আবেদন নাকোচ করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দু'জন হলেন, একই উপজেলা সদরের বাসিন্দা মৃত কাজী দেলোয়ার হোসেনের ছেলে কিউএম সাঈদ টিটো ও কুশারসেন্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা কাজী ময়েন উদ্দিনের ছেলে কাজী সামছুজ্জোহা মিলন।
গত বৃহস্পতিবার রাতে দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল বাদী হয়ে থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।ওই রাতে টিটো এবং মিলনকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণ, কিউএম সাঈদ টিটো, কাজী সামছুজ্জোহা মিলন, বিদ্যালয়ের সভাপতি মাহমুদুল হাসান সুমন ও জেলার পোরশা উপজেলার গহেরপুর গ্রামের বাসিন্দা সালাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও আরো অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে ।
নওগাঁয় হিজাব ইস্যুতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ৭টি সুনিদিষ্ট কারন উল্লেখ ও সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আমোদিনী পাল হিজাবের কারনে নয়; নির্ধারিত স্কুল ড্রেস না পরার কারনেই শিক্ষার্থীদের মারধর করেছিলেন।
একই দিনে বদিউল আলম নামে আরেক শিক্ষকও মারধর করেছিলেন শিক্ষার্থীদের। অথচ প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালকে শোকজ করেন। এই ঘটনাতদন্ত কমিটির কাছে উদ্দেশ্যমূলক মনে হয়েছে। শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালকে শোকজ করায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। এছাড়া প্রতিবেদনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের প্রহার করায় শিক্ষিকা আমোদিনী পাল ও শিক্ষক বদিউল আলমের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে গুজব ছোড়ানো প্রসংগে বলা হয়েছে যে, প্রধান শিক্ষক ধরনী কান্ত, শিক্ষিকা আমোদিনী পাল ও ম্যানেজিং কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিনের তৃ-মুখী দ্বন্দ্ব চলছিলো। যা গুজব ছড়াতে ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়; গুজব ছোড়ানোর পেছনে স্থানী কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারি ও সাধারন মানুষের নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ মামলার এজাহার ভুক্ত অপর ২ আসামীকে ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপড়তা চালিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া মামলার তদন্ত সাপেক্ষে এই ঘটনায় অপপ্রচারকারী এবং আরো কেউ জড়িত থাকলেও তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
নওগাঁয় ‘হিজাব বিতর্কে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
নওগাঁয় ‘হিজাব বিতর্কে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিনিধি, নওগাঁনওগাঁয় হিজাব নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও মানহানির মামলায় এবার জেলহাজতে পাঠানো হলো বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত বর্মণকে । আজ রোববার নওগাঁ আমলী আদালত ৩ (মহাদেবপুর) এর হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানালে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো: তাইজুল ইসলাম জামিনের আবেদন নাকোচ করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ মামলায় এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দু'জন হলেন, একই উপজেলা সদরের বাসিন্দা মৃত কাজী দেলোয়ার হোসেনের ছেলে কিউএম সাঈদ টিটো ও কুশারসেন্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা কাজী ময়েন উদ্দিনের ছেলে কাজী সামছুজ্জোহা মিলন।গত বৃহস্পতিবার রাতে দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আমোদিনী পাল বাদী হয়ে থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।ওই রাতে টিটো এবং মিলনকে গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ।মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ধরণী
কান্ত বর্মণ, কিউএম সাঈদ টিটো, কাজী সামছুজ্জোহা মিলন, বিদ্যালয়ের সভাপতি মাহমুদুল হাসান সুমন ও জেলার পোরশা উপজেলার গহেরপুর গ্রামের বাসিন্দা সালাউদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও আরো অজ্ঞাত ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে ।নওগাঁয় হিজাব ইস্যুতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ৭টি সুনিদিষ্ট কারন উল্লেখ ও সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আমোদিনী পাল হিজাবের কারনে নয়; নির্ধারিত স্কুল ড্রেস না পরার কারনেই শিক্ষার্থীদের মারধর করেছিলেন।একই দিনে বদিউল আলম নামে আরেক শিক্ষকও মারধর করেছিলেন শিক্ষার্থীদের। অথচ প্রধান শিক্ষক ধরণী কান্ত শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালকে শোকজ করেন। এই ঘটনাতদন্ত কমিটির কাছে উদ্দেশ্যমূলক মনে হয়েছে। শুধু শিক্ষিকা আমোদিনী পালকে শোকজ করায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে তদন্ত
কমিটি। এছাড়া প্রতিবেদনে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থীদের প্রহার করায় শিক্ষিকা আমোদিনী পাল ও শিক্ষক বদিউল আলমের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে গুজব ছোড়ানো প্রসংগে বলা হয়েছে যে, প্রধান শিক্ষক ধরনী কান্ত, শিক্ষিকা আমোদিনী পাল ও ম্যানেজিং কমিটির মধ্যে দীর্ঘদিনের তৃ-মুখী দ্বন্দ্ব চলছিলো। যা গুজব ছড়াতে ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু তাই নয়; গুজব ছোড়ানোর পেছনে স্থানী কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারি ও সাধারন মানুষের নাম উঠে এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। এ বিষয়ে মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এ মামলার এজাহার ভুক্ত অপর ২ আসামীকে ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ তৎপড়তা চালিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া মামলার তদন্ত সাপেক্ষে এই ঘটনায় অপপ্রচারকারী এবং আরো কেউ জড়িত থাকলেও তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত