নিজস্ব প্রতিনিধি, নওগাঁ
নাম পরিবর্তন করে ১০ বছর আত্নগোপন করেও রক্ষা পেলেন না নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতুল মজাহিদিন বাংলাদেশ জেএমবি’র ইসাবা (সামরিক ) শাখার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী সানোয়ার হোসেন ওরফে আব্দুর রউফ (৪৪)। শনিবার সন্ধ্যা রাতে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ছোট চাঁদপুর গ্রাম থেকে এন্টি টেররিজম ইউনিট এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
ছোট চাঁদপুর গ্রামে সানোয়ার হোসেন ওরফে আব্দুর রউফ নামটি পরিবর্তন করে আব্দুল্লাহ নামে আত্মগোপন করে ছিলেন এবং তিনি রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ভেড়া লালন পালন করতেন। তিনি গত ১০ বছর ধরে আত্মগোপন করে ছিলেন বলে জানিয়েছের এন্টি টেররিজম ইউনিটএর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম। রোববার দুপুরে নওগাঁ পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সব তথ্য তুলে ধরেন।
গ্রেপ্তারকৃত সানোয়ার হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার চাঁদপাড়া গ্রামের এরশাদ আলীর ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম জানান, জেএমবির আন্ত: কলোহের জের ধরে সে সময়ের স্বঘোষিত আমির সালমানকে কৌশলে ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার খুশকি বোরিয়া আম বাগানে ডেকে নেন। এরপর সানোয়ার ও তার সহযোগিরা সালমানকে মাথা থেকে দেহ বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করে। এ মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামী আব্দুস শাকুর ও জাহাঙ্গীরের দেয়া তথ্য মতে পুলিশ মহান্দা নদীর তীর থেকে পুতেঁ রাখা সালমানের মাথা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নাচোল থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় গত ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর সানোয়ারসহ ৩ জনের মৃত্যুদন্ডের রায় দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত।
গ্রেপ্তারকৃত সানোয়ার হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থেকে জেএমবিকে সক্রীয় করার কাজে লিপ্ত ছিলেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার সন্ত্রাস বিরোধী (মৃত্যুদ-প্রাপ্ত) ছাড়াও আর দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মুলতবি আছে বলেও জানান এন্টি টেররিজম ইউনিটএর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম।
এ সময় তার সাথে নওগাঁ পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নানসহ পুলিশের উধ্বর্তন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
নওগাঁয় জেএমবি’র মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার
নওগাঁয় জেএমবি’র মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিনিধি, নওগাঁ নাম পরিবর্তন করে ১০ বছর আত্নগোপন করেও রক্ষা পেলেন না নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতুল মজাহিদিন বাংলাদেশ জেএমবি’র ইসাবা (সামরিক ) শাখার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামী সানোয়ার হোসেন ওরফে আব্দুর রউফ (৪৪)। শনিবার সন্ধ্যা রাতে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ছোট চাঁদপুর গ্রাম থেকে এন্টি টেররিজম ইউনিট এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। ছোট চাঁদপুর গ্রামে সানোয়ার হোসেন ওরফে আব্দুর রউফ নামটি পরিবর্তন করে আব্দুল্লাহ নামে আত্মগোপন করে ছিলেন এবং তিনি রাজমিস্ত্রি হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ভেড়া লালন পালন করতেন। তিনি গত ১০ বছর ধরে আত্মগোপন করে ছিলেন বলে জানিয়েছের এন্টি টেররিজম
ইউনিটএর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম। রোববার দুপুরে নওগাঁ পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সব তথ্য তুলে ধরেন।গ্রেপ্তারকৃত সানোয়ার হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার চাঁদপাড়া গ্রামের এরশাদ আলীর ছেলে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম জানান, জেএমবির আন্ত: কলোহের জের ধরে সে সময়ের স্বঘোষিত আমির সালমানকে কৌশলে ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার খুশকি বোরিয়া আম বাগানে ডেকে নেন। এরপর সানোয়ার ও তার সহযোগিরা সালমানকে মাথা থেকে দেহ বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করে। এ মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামী আব্দুস শাকুর ও জাহাঙ্গীরের দেয়া তথ্য মতে পুলিশ মহান্দা নদীর তীর থেকে
পুতেঁ রাখা সালমানের মাথা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নাচোল থানায় দায়েরকৃত হত্যা মামলায় গত ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর সানোয়ারসহ ৩ জনের মৃত্যুদন্ডের রায় দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত।গ্রেপ্তারকৃত সানোয়ার হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থেকে জেএমবিকে সক্রীয় করার কাজে লিপ্ত ছিলেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল থানার সন্ত্রাস বিরোধী (মৃত্যুদ-প্রাপ্ত) ছাড়াও আর দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মুলতবি আছে বলেও জানান এন্টি টেররিজম ইউনিটএর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আখিউল ইসলাম। এ সময় তার সাথে নওগাঁ পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নানসহ পুলিশের উধ্বর্তন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত