শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
কমিটি পুনর্বহালে চট্টগ্রামে যুবদলের মিছিল যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় পাহাড়ি ঢলে ভাঙছে যমুনার তীর

পাহাড়ি ঢলে ভাঙছে যমুনার তীর

রোকসানা মনোয়ার :   উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানিও বাড়তে শুরু করেছে। এতে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এছাড়াও যমুনা তীরবর্তী চৌহালি ও শাহজাদপুর উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীতে পানি ৩৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধিপেয়ে বিপৎসীমার .৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি জানান, যমুনা নদীর পানি বাড়ায় বিশেষ করে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর, চৌহালী ও সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিম্নাঞ্চলের উৎপাদিত বাদাম ও পাটসহ বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে এবং এসব এলাকার বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙনও দেখা দিয়েছে। এ ভাঙনে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। অনেক স্থানে এ ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলছে।

এ অবস্থায় বুধবার (১৫ জুন) এনায়েতপুরে যমুনার ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ জহিরুল ইসলাম। তিনি খুকনী ইউনিয়নের ভাঙন কবলিত ব্রাহ্মণগ্রামসহ যমুনার ডান তীরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় বগুড়া পওর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ ও সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামসহ জেলার সকল উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ও অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এব্যাপারে সিরাজগঞ্জ পানিউন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানান, জেলার কোথাও কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ নেই। তবে নদী তীরবর্তী কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানান।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যেই ভাঙন এলাকায় ৪০ হাজার জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এছাড়া ভাঙনরোধে ৩০ হাজার জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং ৯৬ হাজার জিও ব্যাগের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বাঁধসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

খুঁজুন