সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
রাজনীতি পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি নির্মাণে বাধা
নেপথ্যে বিএনপি সরকারের মন্ত্রী

পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি নির্মাণে বাধা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ‘এশিয়ার বৃহত্তম’ রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সংখ্যালঘু অধিকার এবং উগ্রবাদী শক্তির ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট মহলের অভিযোগ, রামমূর্তি নির্মাণ প্রকল্পের বিরুদ্ধে যে বিরোধিতা গড়ে উঠেছে, তার পেছনে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর প্রভাব থাকতে পারে। তাদের দাবি, একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকার চর্চার উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করার মাধ্যমে অসহিষ্ণুতার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী এবং “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” নীতিকে সমর্থন করে। তবুও সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়াতে এবং স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তারা আপাতত নির্মাণকাজ স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছে।

সমালোচকদের অভিযোগ, এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাংবিধানিক অধিকারকে সংকুচিত করার চেষ্টা করে। তাদের মতে, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তিগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে। এদিকে, জনপরিসরে এমন অভিযোগও উত্থাপিত হয়েছে যে কিছু পাকিস্তানপন্থী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী গোষ্ঠী এ ধরনের বিরোধিতাকে উৎসাহিত করছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে নিরপেক্ষ তদন্ত ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন জরুরি।

 বাংলাদেশের সংবিধান সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। তাই কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হলে তা আইন, সংবিধান এবং মানবাধিকারের আলোকে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং সকল নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের যৌথ দায়িত্ব। এই সংস্করণটি শিরোনামের ভাব বজায় রাখে, তবে অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করে না। একাধিক শূত্র নিশ্চিত করেছে মন্দিরের রাম মুর্তি ভাঙার মদদ দিয়েছে বিএনপি সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারি।

পাকিস্তান পন্থী উগ্রপন্থী সাবেক আমলা প্রথমবার এমপি হয়েই দুটি গুরুত্ব পূর্ণ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপেয়েছেন পাকিস্তানের সুপারিশে। সুত্র জানায় তার নির্বাচনী এলাকা গাইবান্ধা সংলগ্ন জয়পুর হাট জেলায়।

খুঁজুন