পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ—এটাই আইন। কিন্তু বাস্তবে সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ খুব কমই দেখা যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণা থাকার পরও অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদেরই প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা যায়। এতে আইন প্রয়োগের পরিবর্তে আইন অমান্য করার সংস্কৃতিই উৎসাহিত হয়।
রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে প্রবেশ করলেই দেখা যায়, প্রকাশ্যে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি হচ্ছে এবং অনেকেই নির্বিঘ্নে ধূমপান করছেন। এর ফলে ধোঁয়ার কারণে সাধারণ ও অসহায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। অনেক সময় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না—এমন অভিযোগও রয়েছে।
যারা আইন প্রয়োগ করবেন, তাদেরই যদি আইন মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষকে আইন মানতে উৎসাহিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি আরও বেশি প্রয়োজন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে, ধূমপান নিষিদ্ধের কঠোরতা অবলম্বন করতে হবে। সপ্তাহে সপ্তাহে দেশের সকল সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে সনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলে তারা সচেতন হবে এবং যে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ধূমপান ছাড়বে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে; তাহলেই দেশে ধূমপান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।
২ জুলাই ২০২৬ এয়ারপোর্ট ও রেলস্টেশনে শত শত মানুষকে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা গেলেও পুলিশের কাছে রিপোর্ট করে প্রতিকার পাওয়া যায়নি, আনসারের কাছে রিপোর্ট করে প্রতিকার পাওয়া যায়নি; বরং হয়রানির শিকার হয়েছে অনেক অভিযোগকারী।
পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নিয়মিত অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হলেই ধূমপানমুক্ত পাবলিক প্লেস নিশ্চিত করা সম্ভব।
প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধে আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই
প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধে আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই
পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ—এটাই আইন। কিন্তু বাস্তবে সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ খুব কমই দেখা যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণা থাকার পরও অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদেরই প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা যায়। এতে আইন প্রয়োগের পরিবর্তে আইন অমান্য করার সংস্কৃতিই উৎসাহিত হয়। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে প্রবেশ করলেই দেখা যায়, প্রকাশ্যে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি হচ্ছে এবং অনেকেই নির্বিঘ্নে ধূমপান করছেন। এর ফলে ধোঁয়ার কারণে সাধারণ ও অসহায় যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। অনেক সময় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর
ব্যবস্থা নেওয়া হয় না—এমন অভিযোগও রয়েছে। যারা আইন প্রয়োগ করবেন, তাদেরই যদি আইন মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষকে আইন মানতে উৎসাহিত করা কঠিন হয়ে পড়ে। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে আইনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি আরও বেশি প্রয়োজন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আগে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে, ধূমপান নিষিদ্ধের কঠোরতা অবলম্বন করতে হবে। সপ্তাহে সপ্তাহে দেশের সকল সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে সনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হলে তারা সচেতন হবে এবং যে সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী
ধূমপান ছাড়বে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে; তাহলেই দেশে ধূমপান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে। ২ জুলাই ২০২৬ এয়ারপোর্ট ও রেলস্টেশনে শত শত মানুষকে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা গেলেও পুলিশের কাছে রিপোর্ট করে প্রতিকার পাওয়া যায়নি, আনসারের কাছে রিপোর্ট করে প্রতিকার পাওয়া যায়নি; বরং হয়রানির শিকার হয়েছে অনেক অভিযোগকারী। পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নিয়মিত অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হলেই ধূমপানমুক্ত পাবলিক প্লেস নিশ্চিত করা সম্ভব।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
গ্রীন রোড, পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত