নিউইয়র্ক সফর নিয়ে অপপ্রচার: সত্যটা জানা জরুরি
একজন আলেম বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিলেই সেটাকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা হতে পারে। মতভিন্নতাও থাকতে পারে। কিন্তু কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সত্যটা যাচাই করা।
সম্প্রতি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নিউইয়র্ক সফর এবং ‘ওয়ান ওয়ার্ল্ড: ওয়ান হিউম্যানিটি’ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সম্মেলনটিকে একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের অনুষ্ঠান হিসেবে প্রচার করার বিষয়টিও রয়েছে।
এই বিষয়েই এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া।
তাদের বক্তব্য হলো, ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ওই সম্মেলনে একজন সম্মানিত প্যানেলিস্ট হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় ছিল শান্তি, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি।
অর্থাৎ এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, তিনি সেখানে গিয়ে কী করেছেন?
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, তিনি ইসলামের শান্তি, মানবতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দর্শন তুলে ধরেছেন। মদিনা সনদের আলোকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের কথাও বলেছেন।
এখন কারও বক্তব্যের সঙ্গে মতভিন্নতা থাকতেই পারে। কেউ তাঁর বক্তব্যের সমালোচনাও করতে পারেন। কিন্তু সমালোচনা আর অপপ্রচার এক বিষয় নয়।
কোনো ব্যক্তি কোথায় গিয়েছেন, কেন গিয়েছেন এবং সেখানে কী বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা যাচাই না করে তার সঙ্গে কোনো সংগঠন বা রাজনৈতিক পরিচয় জুড়ে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে।
তাই সংবাদ সম্মেলন থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানানো হয়েছে। গণমাধ্যম কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে সেটি যাচাই করা হোক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যও নেওয়া হোক।
আরেকটি বিষয় এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে যদি কোনো ব্যক্তি, তাঁর পরিবার কিংবা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। সে কারণেই ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী, তাঁর পরিবার এবং মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, মতের পার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু মতের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে মিথ্যা তথ্য, অপবাদ কিংবা বিদ্বেষ ছড়ানো কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তাই কাউকে সমর্থন করার আগে নয়, কাউকে বিরোধিতা করার আগেও নয়, সবার আগে সত্যটা জানা দরকার।
কারণ একটি মিথ্যা তথ্য মুহূর্তের মধ্যে হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। কিন্তু সেই মিথ্যা থেকে তৈরি হওয়া ক্ষতি সংশোধন করা অনেক কঠিন।
সুতরাং আসুন, অপপ্রচার নয়, তথ্য যাচাই করি। বিদ্বেষ নয়, দায়িত্বশীল কথা বলি। মতভিন্নতা থাকুক, কিন্তু সত্য ও সম্প্রীতির জায়গাটা যেন নষ্ট না হয়।
সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে অপপ্রচার,
সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে অপপ্রচার,
নিউইয়র্ক সফর নিয়ে অপপ্রচার: সত্যটা জানা জরুরি একজন আলেম বা ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিলেই সেটাকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা হতে পারে। মতভিন্নতাও থাকতে পারে। কিন্তু কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সত্যটা যাচাই করা। সম্প্রতি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নিউইয়র্ক সফর এবং ‘ওয়ান ওয়ার্ল্ড: ওয়ান হিউম্যানিটি’ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সম্মেলনটিকে একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের অনুষ্ঠান হিসেবে প্রচার করার বিষয়টিও রয়েছে। এই বিষয়েই এবার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া। তাদের বক্তব্য হলো, ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ওই সম্মেলনে একজন সম্মানিত প্যানেলিস্ট হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন। সম্মেলনের মূল আলোচনার বিষয় ছিল শান্তি, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি। অর্থাৎ এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, তিনি সেখানে গিয়ে
কী করেছেন? সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, তিনি ইসলামের শান্তি, মানবতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দর্শন তুলে ধরেছেন। মদিনা সনদের আলোকে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন এবং বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের কথাও বলেছেন। এখন কারও বক্তব্যের সঙ্গে মতভিন্নতা থাকতেই পারে। কেউ তাঁর বক্তব্যের সমালোচনাও করতে পারেন। কিন্তু সমালোচনা আর অপপ্রচার এক বিষয় নয়। কোনো ব্যক্তি কোথায় গিয়েছেন, কেন গিয়েছেন এবং সেখানে কী বক্তব্য দিয়েছেন, সেটা যাচাই না করে তার সঙ্গে কোনো সংগঠন বা রাজনৈতিক পরিচয় জুড়ে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। তাই সংবাদ সম্মেলন থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানানো হয়েছে। গণমাধ্যম কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে সেটি যাচাই করা হোক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্যও নেওয়া হোক। আরেকটি বিষয় এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে যদি কোনো ব্যক্তি, তাঁর পরিবার কিংবা কোনো ধর্মীয়
প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। সে কারণেই ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী, তাঁর পরিবার এবং মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, মতের পার্থক্য গণতান্ত্রিক সমাজের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু মতের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে মিথ্যা তথ্য, অপবাদ কিংবা বিদ্বেষ ছড়ানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাই কাউকে সমর্থন করার আগে নয়, কাউকে বিরোধিতা করার আগেও নয়, সবার আগে সত্যটা জানা দরকার। কারণ একটি মিথ্যা তথ্য মুহূর্তের মধ্যে হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। কিন্তু সেই মিথ্যা থেকে তৈরি হওয়া ক্ষতি সংশোধন করা অনেক কঠিন। সুতরাং আসুন, অপপ্রচার নয়, তথ্য যাচাই করি। বিদ্বেষ নয়, দায়িত্বশীল কথা বলি। মতভিন্নতা থাকুক, কিন্তু সত্য ও সম্প্রীতির জায়গাটা যেন নষ্ট না হয়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত