বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেবিট ইমনের সহযোগী মোবারক অস্ত্রসহ গ্রেফতার দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন যুগ্ম সচিব রফিকুল ইসলাম হালদায় অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু ও সরঞ্জাম জব্দ বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআই’র রাঙ্গামাটিতে স্কাউটস’র জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প শুরু পিএফএ বর্ষসেরা ব্রুনো ফার্নান্দেস চারণভূমি সুরক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর হাম আক্রান্ত সন্দেহে আরও ৭ জনের মৃত্যু সিটি থেকে নিউক্যাসলে যোগ দিচ্ছেন নিকো গঞ্জালেজ
খেলাধুলা সবচেয়ে ধনী বিসিসিআইয়ের কোষাগারে ২০,৬৮৬ কোটি

সবচেয়ে ধনী বিসিসিআইয়ের কোষাগারে ২০,৬৮৬ কোটি

বিশ্ব ক্রিকেটে প্রভাবশালী হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক দিক থেকেও শীর্ষে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড । আয় বাড়ছে প্রতিবছর, বাড়ছে কোষাগারের সঞ্চয়ও। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরে বিসিসিআইয়ের মোট আয় বেড়েছে ১৪,৬২৭ কোটি রুপি। এই মুহূর্তে বোর্ডের কোষাগারে জমা রয়েছে প্রায় ২০,৬৮৬ কোটি রুপি।

আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম)। সভার আগেই দেশের সব রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার কাছে একটি আর্থিক বিবৃতি পাঠিয়েছে বোর্ড। সেখানেই উন্মোচন হয়েছে বোর্ডের এই বিপুল অর্থনৈতিক সাফল্যের চিত্র। ‘ক্রিকবাজ’-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।

বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে রাজ্য সংস্থাগুলিকে অর্থ বিতরণের আগে বিসিসিআইয়ের কোষাগারে ছিল ৬,০৫৯ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের শেষে সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০,৬৮৬ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বেড়েছে ১৪,৬২৭ কোটি টাকা।

শুধু ২০২৩-২৪ অর্থবছরেই বিসিসিআইয়ের আয় বেড়েছে ৪,১৯৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য। এই আর্থিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে বোর্ড নিশ্চিত করতে চায়, আর্থিক স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে তারা সর্বোচ্চ মান বজায় রাখছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিসিসিআই আয়কর বাবদ পরিশোধ করেছে ৩,১৫০ কোটি টাকা। এ পরিমাণ কর প্রদান বোর্ডের আর্থিক সামর্থ্যের স্পষ্ট প্রমাণ।

যদিও বিসিসিআইয়ের আয়ের বড় অংশ আসে মিডিয়া স্বত্ব থেকে, তবে গত অর্থবছরে সেই খাত থেকে আয় কিছুটা কমেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বোর্ড আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন ও বিশ্বকাপের কারণে মিডিয়া স্বত্ব থেকে আয় করেছিল ২,৫২৪ কোটি টাকা। সেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই আয় কমে দাঁড়ায় ৮১৩ কোটিতে। কারণ, গত বছরে ভারতের মাটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল।

বোর্ডের কর্মকর্তারা মনে করছেন, আগামী বছরগুলোতে আইপিএল সম্প্রচারের নতুন চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচের সূচি বাড়ার ফলে আয়ের গ্রাফ আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। পাশাপাশি টেকসই আর্থিক পরিকল্পনা ও স্বচ্ছ হিসাব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বোর্ড তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে চায়।

খুঁজুন