শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
কমিটি পুনর্বহালে চট্টগ্রামে যুবদলের মিছিল যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া দাম মাছ-মাংসের

সবজির বাজারে স্বস্তি, চড়া দাম মাছ-মাংসের

রোজা শুরুর দুই দিন আগে থেকেই আগুন লাগে নিত্যপণ্যের বাজারে। হাতেগোনা দু-একটি পণ্য ছাড়া অধিকাংশ পণ্যের দাম ছিল বাড়তি। এর মধ্যে রোজায় যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে সেগুলো দাম হয়ে যায় লাগামহীন। রোজার এক সপ্তাহ পর সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে মাছ-মাংসের বাজার চড়া। শুক্রবার (৭ মার্চ) সকালে থেকে ধানমন্ডি’র কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ট্যানারি মোড়ের সবজি বিক্রেতা মো. কবরী হোসেন বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। লেবুর দামও গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কম বলে জানান তিনি।

কবরী হোসেন বলেন, বাজারে প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, গাজর ও টমেটোর কেজি যথাক্রমে ৩০ ও ২৫ টাকা। এছাড়া সব ধরনের সবজিতে ৫-১০ টাকা কমেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, আদা কেজি ১২০ টাকা, রসুন ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা দরে। চিনি দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে। তবে ৫ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের সংকট এখনো আছে।

সবজিতে কিছুটা স্বস্তি এলেও দাম কমেনি মাছ-মাংসের। মুরগি কেজি প্রতি ব্রয়লার ২১০ টাকা, লেয়ার ৩৩০ টাকা, সোনালী ৩০০ টাকা, দেশি ৬৬০ টাকা ও হাঁস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চড়া আছে গরুর মাংসের বাজারও। রোজার শুরু থেকে ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, রোজা শুরু আগে মাংসের কেজি ছিল ৭৫০ টাকা। রোজার শুরু থেকে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বোতলজাত ভোজ্যতেলের দাম লিটার প্রতি ১৭৫ টাকা ও ৫ লিটারের একটি বোতল বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকা।

মাছের বাজার চড়া। এদিন মাঝারি আকারের রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, বড় কাতল ৪শ’ টাকা, বড় পাঙ্গাশ ২৫০ টাকা, চাষের কই (ছোট) ৩৩০ টাকা, তেলাপিয়া আড়াইশ’ টাকা ও শিং মাছ ৬০০-৬৫০’ টাকা, শোল মাছ ৭৫০-৮০০ টাকা, পাবদা ৬০০-৬৫০ থেকে টাকা, ট্যাংরা মাছের কেজি আকারভেদে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, ছোটমাছ ৪০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৫০০ টাকা, গলদা ৭০০-৭৫০ টাকা’ এবং বাগদা ৮০০’ থেকে ৯০০’ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বাজার করতে আসা চাকরিজীবী সোহেল বলেন, ‘আমরা যারা ভালো বেতনের চাকরি করি বর্তমান নিত্যপণের যে বাজার তা সামান্য সমস্যা হলেও আমাদের চলে যাচ্ছে, যা সহনীয়। তবে যারা নিম্নআয়ের মানুষ তারা এমন বাজার দরেও অস্তিত্বে আছেন।

খুঁজুন