মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন ক্রিমার মহানবীর (সা.) আদর্শে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কিউট-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল ২০২৬ শুরু মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলবে বাংলাদেশ : ডি ভিলিয়ার্স রদ্রিকে না পেলেও স্কোয়াড নিয়ে সন্তুষ্ট মরিনহো ট্রাম্পের নতুন শুল্কের পাল্টা পদক্ষেপ ঘোষণা করবে কানাডা
মতামত শেখ হাসিনার দেশে না আসা প্রসঙ্গে

শেখ হাসিনার দেশে না আসা প্রসঙ্গে

আপনাদের মনে নাই? ২০১৭-২০১৯ এর দিকে, কে জানি উড়ো চিঠিতে হাসিনারে হ*ত্যা*র হুমকি দিছিল? তারপর জনসভা করত বুলেটপ্রুফ কাঁচের ভেতর থেকে। এই যে রাস্তায় বের হওয়ার ৪৫ মিনিট আগে ওভারব্রিজ থেকে পথচারী নামায়া দিত। সবগুলো বিল্ডিংয়ের জানালা আর ছাদে পুলিশ থাকত, একটা মানুষরে রাস্তায়, ফুটপাতে দাঁড়াইতে দিত না, কেন? ভয়ে। বুলেটপ্রুফ গাড়ির বহর, সাথে এত এত প্রযুক্তি, অস্ত্র; তাও তার ভয়ের সীমা পরিসীমা ছিল না। 

১৮ জুলাইয়ের পর কারফিউ জারি করল। তখন আসাদগেট থেকে কলেজগেট পর্যন্ত কাঁটাতার টানায়া দিল। ভেতরে গাদা গাদা আর্মি, ট্যাংক তাক করা। চিন্তা করেন, ছাত্রদের খালি হাতের আন্দোলন, বন্দুকের সামনে বুক পাইতা দেওয়া দেইখাই ভয়ে কিডনি কান্ধে উইঠা গেছিল! ট্যাংক তাক কইরা রাখতে হইছে তারে সাহস দিতে।

পালানোর সময় দুই দুইটা রাফালে আইসা তারে রেস্কিউ করল। কেন? ভয়। যদি শেষ সময়ে পাইলট সিদ্ধান্ত বদলায়া দেশে আইনা ধরায়া দেয়? 

সে চাইলে বিচারের মুখোমুখি হইতে পারত। আর্মিরে বলতে পারত, আমারে অ্যারেস্ট কইরা ক্যান্টনমেন্টে রাইখা দাও। আমার বিচার হোক, দল আর সাধারণ লীগাররা বাঁচুক। সে তা বলে নাই। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের পলায়ন নিশ্চিত করছে এবং নিজেও উড়ছে। 

হাসিনা ভোগবাদী রাজনীতি করছে। ভোগবাদী মানুষের সবটা জুইড়া বাঁইচা থাকার খায়েস। ওই যে, চোখ বুজিলে দুনিয়া আন্ধার। ওদের চোখে ওপারে কোনো বিচার নাই, পুরুস্কার নাই। ফলে, দুনিয়াটা মস্ত বড় খাও দাও ফুর্তি করো। 

হাসিনার আত্মীয়রা সব বাইরে। টাকা পয়সা সব বাইরে। বিশ্বস্ত কুকুরগুলো বাইরে। সে আসবে ম*র*তে? অসম্ভব। 

এখন যদি জনতা বিমান পাঠায়াও তারে আনে, কমপক্ষে পাঁচশ মানুষকে তার বিশ্বাস করতেই হবে। এই পাঁচশ মানুষের একজনও যদি মানবিক, সাহসী এমনকি ‘মানুষ’ হয়, ইন্দিরা গান্ধির মতো তার হিসাব ক্লিয়ার। এত বড় রিস্ক সে নিবে? 

বলতে পারেন, সে তো সব যোগাযোগ বন্ধ কইরা দিল্লীর গোপন কোনো এক ঘাঁটির বাগানে বইসা দোল খাইতে খাইতে জীবন পার কইরা দিতে পারে। যদি নাইই আইব এত হামপাই ডামপাইয়ের করতেছে কেন? 

করতে হচ্ছে। যা করতেছে তা দায় সারা। কারণ, দেশে এখনো কিছু মানুষ আছে যারা তার বাপরে ভালোবাসে। কেউ কেউ তারেও ভালোবাসে। তারা যে অভিবাকহীন হয়ে গেছে এইটা যেন বুঝতে না পারে। তারা যেন মনে করে, হ্যাঁ সে আসবে। আমরা ধরে থাকি। 

লীগের মিছিল শেষ। টয়লেটের গায়ে কেউ খোয়া দিয়ে জয় শেখ হাসিনাও আর লেখে না। বড় লীগাররা বিএনপিতে মিইশা গেছে। কেউ কেউ ব্যবসা, চাকরি, প্রবাস জীবন বাইছা নিছে। ছোট লীগাররা পাঠাও চালাইতেছে। ক্ষুদ্ররা চালাইতেছে অটোরিকশা। বাকিরা সুবিধা বুঝে বন্ধু পাতাবে। যে দলের শক্তি দেখবে সেই দলে ঢুকে পড়বে, পড়ছেও। 

খুঁজুন