মানুষ এখন বাস্তব জীবনে উন্নতি দেখতে চায়। একসময় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মধ্য দিয়ে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন দেখেছিল জনগণ। সেই স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের অর্থনীতি, শিল্প, কর্মসংস্থান ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বর্তমান নেতৃত্বের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, অর্থনৈতিক সংকট এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা বাড়ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে।
বিভিন্ন শিল্পকারখানা বন্ধ, গার্মেন্টস শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, নতুন বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা, দ্রব্যমূল্যের চাপ, জ্বালানি ও উৎপাদনসংক্রান্ত সমস্যা, রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস এসব বিষয় দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে।
পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের বেকারত্ব দূরীকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিয়েও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শ্রমিক অসন্তোষ, ব্যবসায়ীদের আস্থার সংকট এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের স্বাভাবিকতা নিয়েও মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে ব্যবধান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এর ফলে জনগণের মধ্যে হতাশা এবং অতীতের উন্নয়নধারার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
এখানেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রসঙ্গটি নতুন করে আলোচনায় আসছে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের একটি অংশ মনে করেন, দেশের উন্নয়ন, শিল্পায়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে ফেরার প্রত্যাশা যাঁরা করছেন, তাঁদের কাছে এটি শুধু একজন নেত্রীর প্রত্যাবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নয় বরং উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক স্বস্তি, জননিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রত্যাশার সঙ্গেও যুক্ত।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হওয়া উচিত জনগণের মতামত, সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, প্রয়োজন জাতীয় সমঝোতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা।
মানুষ অতীতের স্মৃতি নয়, বাস্তব জীবনে উন্নতি দেখতে চায়। কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক স্বস্তি ও উন্নত জীবনযাপনের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে এমন নেতৃত্ব জনগন চায়।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ফিরে আসার প্রত্যাশা কেন তৈরি হচ্ছে..
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ফিরে আসার প্রত্যাশা কেন তৈরি হচ্ছে..
মানুষ এখন বাস্তব জীবনে উন্নতি দেখতে চায়। একসময় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মধ্য দিয়ে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন দেখেছিল জনগণ। সেই স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের অর্থনীতি, শিল্প, কর্মসংস্থান ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বর্তমান নেতৃত্বের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জননিরাপত্তা, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, অর্থনৈতিক সংকট এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ নিয়ে মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা বাড়ছে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। বিভিন্ন শিল্পকারখানা বন্ধ, গার্মেন্টস শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা, নতুন বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা, দ্রব্যমূল্যের চাপ, জ্বালানি ও উৎপাদনসংক্রান্ত সমস্যা, রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস এসব বিষয় দেশের
সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের বেকারত্ব দূরীকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিয়েও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শ্রমিক অসন্তোষ, ব্যবসায়ীদের আস্থার সংকট এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের স্বাভাবিকতা নিয়েও মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে ব্যবধান নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এর ফলে জনগণের মধ্যে হতাশা এবং অতীতের উন্নয়নধারার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এখানেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রসঙ্গটি নতুন করে আলোচনায় আসছে। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের একটি অংশ মনে করেন, দেশের উন্নয়ন, শিল্পায়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে
আনতে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে ফেরার প্রত্যাশা যাঁরা করছেন, তাঁদের কাছে এটি শুধু একজন নেত্রীর প্রত্যাবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নয় বরং উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক স্বস্তি, জননিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রত্যাশার সঙ্গেও যুক্ত। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হওয়া উচিত জনগণের মতামত, সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, প্রয়োজন জাতীয় সমঝোতা, জবাবদিহি, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা। মানুষ অতীতের স্মৃতি নয়, বাস্তব জীবনে উন্নতি দেখতে চায়। কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক স্বস্তি ও উন্নত জীবনযাপনের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে এমন নেতৃত্ব জনগন চায়।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত