স্বাস্থ্য ডেস্ক: ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শিশুদের মধ্যে নানা রকম ভাইরাসজনিত জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় যার মধ্যে অন্যতম হলো হ্যান্ড-ফুট-মাউথ রোগ। সাধারণত বর্ষার সময় এবং শীতের শেষে ও বসন্তে এই রোগটি বেশি দেখা যায়। মূলত আরএনএ ভাইরাসের কারণে এই সংক্রমণ হয়ে থাকে এবং পাঁচ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই রোগটি এক শিশুর শরীর থেকে অন্য শিশুর শরীরে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সংক্রমিত হওয়ার তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে শিশুদের শরীরে এই রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে সাধারণত সাধারণ ভাইরাসের মতো জ্বর আসে এবং জ্বর শুরুর এক বা দুই দিনের মধ্যে মুখে, হাতে, পায়ে বা নিতম্বে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এসব ফুসকুড়ি বা যন্ত্রণাদায়ক ফোসকাগুলো চুলকায় না এবং শিশুর ত্বকের রঙের ওপর ভিত্তি করে লাল, সাদা বা ধূসর রঙের হতে পারে। অনেক সময় অভিভাবকেরা এই রোগটিকে জলবসন্ত বা পক্সের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন যা দূর করতে এর সুনির্দিষ্ট পার্থক্য জানা প্রয়োজন।
এই রোগ প্রতিরোধের জন্য সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি এবং রোগীর দেখভালের সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। রোগীর ব্যবহৃত থালাবাস্ন পরিষ্কার করার সময়েও গ্লাভস পরা উচিত এবং রোগীকে সেবা দেওয়ার পরে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। সংক্রমণ ছড়ানো রোধ করার জন্য এই সময়ে আক্রান্ত শিশুদের স্কুলে পাঠানো থেকে বিরত রাখা ভালো।
আক্রান্ত শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি, স্যুপ এবং নরম খাবার খাওয়ানো উচিত যাতে শরীর পানিশূন্য না হয়ে পড়ে। জ্বর ও ব্যথার উপশমের জন্য প্যারাসিটামল এবং চুলকানির ক্ষেত্রে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। তবে উচ্চ মাত্রার জ্বর হলে, শীত লাগলে কিংবা সাত থেকে দশ দিনের মধ্যেও ব্যথা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। সঠিক সময়ে সচেতনতা এবং যত্ন নিলে সাধারণত কোনো বড় ধরনের জটিলতা ছাড়াই শিশু সুস্থ হয়ে ওঠে।
শিশুর ‘হ্যান্ড-ফুট-মাউথ’ রোগ: লক্ষণ ও চিকিৎসার নিয়ম
শিশুর ‘হ্যান্ড-ফুট-মাউথ’ রোগ: লক্ষণ ও চিকিৎসার নিয়ম
স্বাস্থ্য ডেস্ক: ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শিশুদের মধ্যে নানা রকম ভাইরাসজনিত জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পায় যার মধ্যে অন্যতম হলো হ্যান্ড-ফুট-মাউথ রোগ। সাধারণত বর্ষার সময় এবং শীতের শেষে ও বসন্তে এই রোগটি বেশি দেখা যায়। মূলত আরএনএ ভাইরাসের কারণে এই সংক্রমণ হয়ে থাকে এবং পাঁচ থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা এতে বেশি আক্রান্ত হয়। অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই রোগটি এক শিশুর শরীর থেকে অন্য শিশুর শরীরে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।সংক্রমিত হওয়ার তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে শিশুদের শরীরে এই রোগের উপসর্গগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে সাধারণত সাধারণ ভাইরাসের মতো জ্বর আসে
এবং জ্বর শুরুর এক বা দুই দিনের মধ্যে মুখে, হাতে, পায়ে বা নিতম্বে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এসব ফুসকুড়ি বা যন্ত্রণাদায়ক ফোসকাগুলো চুলকায় না এবং শিশুর ত্বকের রঙের ওপর ভিত্তি করে লাল, সাদা বা ধূসর রঙের হতে পারে। অনেক সময় অভিভাবকেরা এই রোগটিকে জলবসন্ত বা পক্সের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন যা দূর করতে এর সুনির্দিষ্ট পার্থক্য জানা প্রয়োজন।এই রোগ প্রতিরোধের জন্য সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি এবং রোগীর দেখভালের সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। রোগীর ব্যবহৃত থালাবাস্ন পরিষ্কার করার সময়েও গ্লাভস পরা উচিত এবং রোগীকে সেবা দেওয়ার পরে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ
দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুতে হবে। সংক্রমণ ছড়ানো রোধ করার জন্য এই সময়ে আক্রান্ত শিশুদের স্কুলে পাঠানো থেকে বিরত রাখা ভালো।আক্রান্ত শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি, স্যুপ এবং নরম খাবার খাওয়ানো উচিত যাতে শরীর পানিশূন্য না হয়ে পড়ে। জ্বর ও ব্যথার উপশমের জন্য প্যারাসিটামল এবং চুলকানির ক্ষেত্রে অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। তবে উচ্চ মাত্রার জ্বর হলে, শীত লাগলে কিংবা সাত থেকে দশ দিনের মধ্যেও ব্যথা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। সঠিক সময়ে সচেতনতা এবং যত্ন নিলে সাধারণত কোনো বড় ধরনের জটিলতা ছাড়াই শিশু সুস্থ হয়ে ওঠে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত