অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় ইয়াবা সেবনের পর নিজের মাকে শারীরিক নির্যাতনের দায়ে দিদারুল আলম নামের এক যুবককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্ত ওই যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। মাদকাসক্ত যুবকদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ স্থানীয় পর্যায়ে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৩ নভেম্বর দুপুর একটার দিকে উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মং এছেন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দিদারুল আলম উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকার কবির আহমদের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা ধরনের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে আসছিলেন।
জানা গেছে, সন্তানের হাতে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর দিদারের মা নিজেই প্রতিকার পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্ত যুবককে কার্যালয়ে ডেকে এনে ভুক্তভোগী মায়ের বিস্তারিত জবানবন্দি নেওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদকালে দিদারুল গত সাত মাস ধরে নিয়মিত ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেন।
মাদকদ্রব্য সেবন এবং নিজ মাকে মারধরের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনে অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে পারিবারিক সহিংসতা ও মাদকের ভয়াবহতা রোধে একটি জোরালো বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড
ইয়াবা সেবন করে মাকে মারধর, ছেলের এক মাসের কারাদণ্ড
অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় ইয়াবা সেবনের পর নিজের মাকে শারীরিক নির্যাতনের দায়ে দিদারুল আলম নামের এক যুবককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অভিযুক্ত ওই যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। মাদকাসক্ত যুবকদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ স্থানীয় পর্যায়ে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে।ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৩ নভেম্বর দুপুর একটার দিকে উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মং এছেন এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দিদারুল আলম উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের রাজঘাটা এলাকার কবির আহমদের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা ধরনের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে আসছিলেন।জানা গেছে, সন্তানের হাতে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর দিদারের মা নিজেই প্রতিকার পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্ত যুবককে কার্যালয়ে ডেকে এনে ভুক্তভোগী মায়ের
বিস্তারিত জবানবন্দি নেওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদকালে দিদারুল গত সাত মাস ধরে নিয়মিত ইয়াবা সেবনের কথা স্বীকার করেন।মাদকদ্রব্য সেবন এবং নিজ মাকে মারধরের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইনে অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে পারিবারিক সহিংসতা ও মাদকের ভয়াবহতা রোধে একটি জোরালো বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত