শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
কমিটি পুনর্বহালে চট্টগ্রামে যুবদলের মিছিল যশোরে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে সেমিনার ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২ দিনে ডিএমপির ৪,১১৮ মামলা জার্মানিতে চলতি গ্রীষ্মে তাপদাহজনিত মৃত্যুর রেকর্ড ১৫,৮০০ ঝালকাঠিতে নারী সমাবেশে সহিংসতা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন জাতীয়তা ও মানবতাবাদী একজন ক্ষণজন্মা মানুষ মার্কিন কংগ্রেস কর্মকর্তাদের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন, আরআরআরসির সঙ্গে বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পথে ‘ঢাকা দিবসের’ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে জবি জবিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
জাতীয় ভিন্নমত থাকলেও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন

ভিন্নমত থাকলেও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, দল থাকলে মতপার্থক্য থাকবেই। নাহলে ভিন্নদল কেন হয়? আপনি যদি আমার মতোই হবেন তাহলে তো আপনি আমার দলই করবেন। সেজন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভিন্নমত থাকবেই। কিন্তু আমরা আবারও বলছি, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই হবে।

১২ সেপ্টেম্বর সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুক আহমেদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের সময় পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে। এটা আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের একটি কমিটমেন্ট। কেউ যদি মনে করেন এটা বানচালের চেষ্টা করবেন, তাহলে সেটা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এই নির্বাচনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এটা একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন। এটি সামনের নির্বাচনগুলোকে দিকনির্দেশনা দেবে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিকেও সামনে এগিয়ে নেওয়ার দিকনির্দেশনা দেবে। তাই এই নির্বাচন ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে হবেই।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিক কোয়ালিশন আয়োজিত ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন প্রেস সচিব।

সেখানে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

শফিকুল আলম বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ভালো হবে, তার একটা প্রতিফলন দেখা গেছে ডাকসুতে।

সরকার নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষপাতিত্ব করবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। নির্বাচনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৮ লাখ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

খুঁজুন