বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
অস্ট্রেলিয়ান পার্লামেন্ট হাউসে উন্মোচিত হলো শরণার্থীদের নিজস্ব নীতি-রূপরেখা • ৩০০ টাকার সেই টিকিট ব্ল্যাকে বিক্রি হচ্ছে ১,০০০ টাকায়! • সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে ফেলেছে সিটি করপোরেশন • ভেনিসে ‘ইসলামে নারী’: শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত • বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে
জাতীয় ভিন্নমত থাকলেও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন

ভিন্নমত থাকলেও ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, দল থাকলে মতপার্থক্য থাকবেই। নাহলে ভিন্নদল কেন হয়? আপনি যদি আমার মতোই হবেন তাহলে তো আপনি আমার দলই করবেন। সেজন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভিন্নমত থাকবেই। কিন্তু আমরা আবারও বলছি, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যেই হবে।

১২ সেপ্টেম্বর সকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুক আহমেদের গ্রামের বাড়ি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের সময় পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে। এটা আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের একটি কমিটমেন্ট। কেউ যদি মনে করেন এটা বানচালের চেষ্টা করবেন, তাহলে সেটা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে এই নির্বাচনটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এটা একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন। এটি সামনের নির্বাচনগুলোকে দিকনির্দেশনা দেবে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিকেও সামনে এগিয়ে নেওয়ার দিকনির্দেশনা দেবে। তাই এই নির্বাচন ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে হবেই।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিক কোয়ালিশন আয়োজিত ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন প্রেস সচিব।

সেখানে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

শফিকুল আলম বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ভালো হবে, তার একটা প্রতিফলন দেখা গেছে ডাকসুতে।

সরকার নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষপাতিত্ব করবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। নির্বাচনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ৮ লাখ পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।

খুঁজুন