Logo
শিরোনাম

বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

সাইফুদ্দিন সাইফুল : মানুষের কবিজীবনের কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে বাংলা কাব্যে একজন পথিকৃৎ। আর এজন্য আমাদের কবি রবীন্দ্রনাথ প্রাণের কবি, প্রেমের কবি, মানবতার কবি, প্রকৃতির কবি, গানের কবি, নদীর কবি, পাখির কবিসর্বোপরি মানুষের ভালোবাসার প্রাণপুরুষ। কবি ও মানুষ রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যপ্রিয় প্রকৃতিপ্রিয়দের হৃদয়ের মণিকোঠায় বিশেষ স্থান দখল করে আছেন। আমরা তার রচনার দিকে দৃষ্টি দিলে দেখতে পাই, সেখানে তিনি মানুষ, প্রকৃতি ও মানবতার জয়গান গেয়েছেন। মানুষকে বিভিন্নভাবে দেখেছেন এবং বিভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেছেন। এক কথায়, মানুষকে উপেক্ষা করে তিনি কোনো সাহিত্য রচনা করেননি। তার বৈচিত্র্যময় রচনার প্রধান কেন্দ্রই হলো মানুষ।

এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ বৈচিত্র্যময় রচনার মাধ্যমে মানুষের পাশাপাশি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছেন। মূলত তিনি সাহিত্যচর্চা করেননি, করেছেন মনে-প্রাণে সাহিত্য সাধনা। সাধারণ মানুষকে করেছেন লেখার প্রধান বিষয়। রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ পাঠ করলে সাধারণ মানুষের কথায় আমাদের সামনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর তাই এ সুন্দর পৃথিবীতে যত দিন থাকবে সূযর্, চন্দ্র, তারা আর পাখি গাইবে গান, নদী বইবে ধারা, তত দিন রবীন্দ্রনাথ উজ্জ্বল আলো হয়ে সাহিত্য ও মানুষের মাঝে জ্ঞানের ছন্দের রূপ ও রসের গন্ধের আলো ছড়াবেন। সত্যি কথা কি! একজীবনে বিশাল রবীন্দ্রনাথকে পাঠ করা কঠিনতর। রবীন্দ্রনাথ তার বিপুল সৃষ্টিশীল রচনা সম্ভারের জন্যই এ অপরূপ সুন্দর ভুবনে মানবের মাঝে বাঁচার আকুল প্রার্থনা করেছেন। কবি তাই বলেছেন—‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,/মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।

কবিতা-গান তো মানুষের জীবনের কথা বলে, প্রেরণার শক্তি জোগায়, চেতনার উৎস হয়ে বিবেক ও বোধে নির্মল কাজ করে। প্রেম-ভালোবাসা, সাম্য-সম্প্রীতি, সৌজন্যবোধ, সৃষ্টিশীলতা ও মননশীলতা সব সময়ের জন্য সুন্দরের সহায়ক। আর তাই রবীন্দ্রনাথ গান-কবিতা সৃষ্টি করে মানুষের মনকে করেছেন সাহিত্যের প্রতি উৎসাহিত, বিবেককে করেছেন চেতনার বন্ধু, চিন্তাকে দিয়েছেন অদম্য প্রেরণা, দিয়েছেন অসীম শক্তি আর মানুষের অন্তরে দিয়েছেন অকৃৃত্তিম ভালোবাসা। আমরা জানি, কবি রবীন্দ্রনাথ কোনোভাবেই হতাশাবাদী নন। মানুষের মধ্যেই তিনি স্বপ্ন দেখেছেন, আপনাকে সতত মানুষের একজন বন্ধু জ্ঞান করে মানুষের কথাই বারবার তার রচনার মধ্যে তুলে ধরার প্রয়াস করেছেন। তিনি সব রচনায় সব ক্ষেত্রে মানুষকে সমাজকে আশার আলো দেখিয়েছেন। আমাদের জীবনের সঙ্গে, চেতনার সঙ্গে, মননের সঙ্গে, ভাবে-ভাবনায়-আন্দোলনে ভাষার মধ্যে চেতনার জগতে দেশপ্রেমে সৃষ্টিশীলতার কর্মের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ছিলেন, আছেন এবং আগামীতেও থাকবেন। অক্ষয় তার শিল্পসত্তা।

রবীন্দ্রনাথ এত বড় শিল্পী ও কবি হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সাধারণ মানুষের কাতারে নিয়ে এসেছেন এবং তাদেরই একজনএই পরিচয় দিতে অনেক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছেন। তিনি চারপাশের মানুষ, অসীম নীলাকাশ, পাখি, বৃক্ষ, নদী, ফুল, জল, প্রকৃতি মাটিকে এতটায় ভালোবেসেছিলেন যে, নিজেকে তাদের কাছ থেকে আলাদা ভাবতে পারেননি, তিনি এসবেরই একজন ভেবেছেন। আসলে যারা জীবনসমাজ, মানুষ ও মানুষের সুখণ্ডদুঃখণ্ডযাতনা-প্রেমণ্ডভালোবাসা ইত্যাদি নিয়ে ভাবেন, চিন্তা করেন- তারা সমাজের রাষ্ট্রের মানুষের আপনজন এবং অকৃতিম অভিভাবক। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠিক এমনই একজন মানুষ। সাহিত্য বিচারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনেক বড় মনের মানুষ ছিলেন বলেই নিজেকে সব মানুষের একজন ভেবেছেন। তাই তো তিনি অকপটে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে বলেছেন—‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক/আমি তোমাদেরই লোক,/আর কিছু নয়/এই হোক শেষ পরিচয়।

রবীন্দ্রনাথ নিজেই তার লেখা সম্পর্কে বলেছেন—‘অতি অল্প বয়স থেকে স্বভাবতই আমার লেখার ধারা আমার জীবনের ধারার সঙ্গে সঙ্গেই অবিচ্ছিন্ন এগিয়ে চলেছে। চারদিকের অবস্থা ও আবহাওয়ার পরিবর্তনে এবং অভিজ্ঞতার নূতন আমদানি ও বৈচিত্র্যে রচনার পরিণতি নানা বাঁক নিয়েছে ও রূপ নিয়েছে। আর তাই রবীন্দ্রনাথের অমর কালজয়ী সৃষ্টি গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য তিনি ১৯১৩ সালে বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার নোবেল অর্জন করেছেন। বাংলা সাহিত্যে এ প্রথম বাঙালি কোনো কবি নোবেল পুরস্কার পেলেন।

বাঙালি জাতির জীবনে বড় অর্জনগুলোর মধ্যে একটা হলো রবীন্দ্রনাথ। সেই রবীন্দ্রচর্চা থেকে যদি আমরা পিছিয়ে পড়ি, তাহলে জাতি হিসেবে অনেক পেছনে পড়ে যাব। যেটা আমাদের কাম্য হতে পারে না। আমাদের প্রাণের টানে, জীবনের টানে, চেতনার টানে, শিল্প ও সাহিত্যের টানে রবীন্দ্রনাথের কাছে বারবার ফিরে যেতে হবে। এটাকে অস্বীকার করার কোনো অবকাশ নেই। রবীন্দ্রনাথকে দেবতার(!) চোখে নয়, মানুষ হিসেবেই দেখতে হবে। যেহেতু তিনি তার কাব্যে-গানে, ভাবে-ভাবনায়-চেতনায় এ মানুষকেই যথাযথ মূল্যায়িত করেছেন। মানুষ হয়ে মানুষের প্রভু হতে পারে না, দুর্বল মানুষ সবলের দাস হওয়া যাবে না। যুগ যুগ ধরে প্রভাবশালীরা ধর্মের দোহায় দিয়ে সমাজপতি সেজে ক্ষমতার ভয় দেখিয়ে সমাজে সাধারণ দুর্বল মানুষের প্রতি যে ব্যবহার, লাঞ্ছনা, অবহেলা ও নিপীড়ন করেছে বা করছে, তা কবিকে বড়ই আহত করেছে এবং কবিসত্তাকে বিদ্রোহী করে তুলেছে। কবি বলেছেন—‘যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু,/নিভাইছে তব আলো/তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছো,/তুমি কি বেসেছো ভালো।

বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য আর রবীন্দ্রনাথ একই সূত্রে গাঁথা। একটাকে উপেক্ষা করে অন্যটার পরিপূর্ণতার রূপ প্রকাশ পায় না, বলা যায় অপূর্ণ থেকে যায়। অমর সাহিত্যকর্মের জন্যই তিনি আমাদের কাছে, মানুষের কাছে, সব পাঠকের কাছে, চিন্তাশীল ভাবুকের কাছে আপন মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে আছেন। জয়তু বাংলা, জয়তু বাংলা সাহিত্য, জয়তু আমাদের কবি, বাংলার কবি, বাংলাভাষার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


আরও খবর

নির্বোধের মতো বিশ্বাস করোনা

রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আমি শেখাতে আসিনি, শিখতে এসেছি

রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩




রবিবার নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

জাতিসংঘের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক পর্বে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, অ্যাম্বাসেডর-অ্যাট-লার্জ এম জিয়াউদ্দিন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্কে যাবেন।

এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এবারের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের মূল বিষয়গুলো বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে যুদ্ধবিগ্রহ পরিহার করে চলমান খাদ্য ও জ্বালানিসংকট নিরসন, আর্থিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলার লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা, বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতাবাদ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর বৈশ্বিক উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন প্রভৃতি বিষয়ে এবারের আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপরন্তু অধিবেশনে রোহিঙ্গা সমস্যা এবং এর স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের বিষয়টিও ব্যাপকভাবে আলোচিত হবে, যা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে সহায়ক হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দেওয়া নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


আরও খবর



ইউক্রেনের নজর এবার ক্রিমিয়ায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

দক্ষিণে জাপোরিজ্জিয়া ও পূর্বে বাখমুত রণক্ষেত্রে পাল্টা আক্রমণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাফল্য পাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী। এই সাফল্যের মধ্যেই তারা রাশিয়ার দখলে থাকা ক্রিমিয়ায় আক্রমণ জোরদার করেছে।

রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের সদর দপ্তরে হামলার পর দিন শনিবার ক্রিমিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে শেয়ার করা ছবিতে আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।

সেভাস্তোপলের রাশিয়াপন্থি গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রামে বলেছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, রুশ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ইউক্রেনীয় হামলায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। বিস্তারিত তথ্য না দিয়ে তিনি শুধু বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ শহরের বিভিন্ন স্থানে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের বিপদ শিরোনামে পরবর্তী পোস্টে সতর্ক করে তিনি বলেছিলেন, বাড়ির গ্যাস ও বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রাখতে হবে। অন্য এক বার্তায় তিনি বলেন, আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কা রয়েছে।

টেলিগ্রামের তথ্য অনুসারে, রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়েছে।

টানা দুদিনের হামলায় স্পষ্ট হচ্ছে, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী ক্রিমিয়া ও রাশিয়া কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরকে লক্ষ্য করে আক্রমণ জোরদার করেছে।

২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। এখানে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহর মোতায়েন রয়েছে। মস্কোর এই দখলকে স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রুশ সেনাদের দখল থেকে ভূখণ্ডটি পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

সূত্র : নিউজউইক।


আরও খবর

পাকিস্তানি ১৬ ভিক্ষুক আটক

সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3




ভিসানীতি নিয়ে বিব্রত, বিভ্রান্ত কিংবা আতংকিত হওয়ার কিছু নাই

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেছেন, ভিসা নীতি  নিয়ে বিব্রত, বিভ্রান্ত কিংবা আতংকিত হওয়ার কিছু নাই। আমেরিকা তাদের দেশে কাকে যেতে দেবে আর কাকে যেতে দেবে না সেটা একান্তই তাদের নিজস্ব ব্যাপার। 

তবে আমরা বলতে পারি আমেরিকার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের কোন ঘাটতি নেই। দুই দেশের সম্পর্ক আগে যা ছিলো এখনো তাই আছে। একটি মহল আমেরিকার এই ভিসা নীতিকে পুঁজি করে বাংলাদেশ এর মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

তিনি বুধবার বিকালে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর থানাধীন নব-নির্মিত শিবপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন উপলক্ষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, ভিসা নীতিতে কোন বাহিনী, দল কিংবা গোষ্ঠির কথা আমেরিকা উল্লেখ করেনি। তারা নিয়মিত ভাবেই সকলকে ভিসা দেন না। এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। 

এ নিয়ে সরকার কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোন ভাবেই উদ্বিগ্ন নয়। বর্তমান সময় ও নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক ভাবেই পরিচালনা করবে। দেশের  নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীকে নতুন করে ঢেলে সাজানো হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশে আধুনিক এবং কার্যকর পুলিশ বাহিনী  গড়ে তোলা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যে পুলিশ বাহিনীর স্বপ্ন দেখেছিলেন তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলেছেন। গুজবে কান না দিয়ে জনসাধারণকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ জানান তিনি।

নওগাঁ জেলা পুলিশ আয়োজিত সুধী সমাবেশে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ ফয়সল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, নওগাঁ-২ (ধামইরহাট-পত্নীতলা) আসনের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছি) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ  ছলিম উদ্দিন তরফদার সেলিম, নওগাঁ-৬ (আত্রাই- রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল, নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মাওলা, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক প্রমুখ।


আরও খবর



অপেক্ষার পালা শেষ, আজ পদ্মা সেতু দিয়ে ভাঙ্গায় যাবে ট্রেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রথমবারের মতো স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চলাচলের ট্রায়াল রান শুরু হতে যাচ্ছে। ঐতিহাসিক এবং বহুল আকাঙ্ক্ষিত এই আনুষ্ঠানিক পরীক্ষামূলক ট্রেনের যাত্রা পরিচালনা করছেন লোকোমোটিভ মাস্টার এনামুল হক এবং সহকারী লোকোমোটিভ মাস্টার এম এ হোসেন। ট্রেন পরিচালনায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় এই দুই লোকোমাস্টারই সাক্ষী হয়েছেন অনেক ঘটনার। তবে আজকের এই ট্রেনযাত্রাকে কর্ম জীবনের বিশেষ দিন মনে করছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরুর আগে নিজেদের এমন অনুভূতির কথা জানান তারা। সরেজমিনে দেখা যায়, প্ল্যাটফর্মে দাঁড় করে রাখা হয়েছে ট্রেন। শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে সব যন্ত্রাংশ। ট্রেন ঘিরে সংবাদকর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাধারণ মানুষের জমজমাট উপস্থিতি।

লোকোমাস্টার এনামুল হক জানান, বাংলাদেশ রেলওয়েতে দীর্ঘ ১৯ বছরের কর্মজীবন চলছে তার। দীর্ঘ এই সময় জুড়ে প্রায় ৪ হাজার ট্রেন যাত্রা পরিচালনা করেছেন তিনি। বাংলাদেশ রেলওয়ের অসংখ্য নতুন কোচ উদ্বোধন হয়েছে তার হাত ধরেই। তবে আজকের অবিজ্ঞতা ভিন্ন।

তিনি বলেন, আজকের এই যাত্রায় নিজেকে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে। আমাদের গর্ব এবং গৌরবের পদ্মা সেতুতে আমিই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ট্রেন নিয়ে উঠছি। এটি অনেক বড় পাওয়া। অত্যন্ত গর্ববোধ করছি।
সহকারী লোকোমাস্টার এম এ হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ট্রেন পরিচালনা করছি। অনেক ঘটনা আর সাক্ষী হয়েছি তবে আজকের এই ভিন্ন ধরনের। আমেরিকান ইঞ্জিন ৬৬২৩ বিইপি—৩২ নিয়ে পদ্মা সেতুতে আনুষ্ঠানিক ট্রায়াল রান শুরু হবে। আমি এই যাত্রায় সহকারী লোকোমাস্টার হিসেবে কাজ করতে পেরে সৌভাগ্যবান মনে করছি।

জানা গেছে, দেশের ইতিহাসে পদ্মা সেতুতের রেললাইনই প্রথম ব্যালাস্টলেস বা পাথরবিহীন রেলপথ। পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্পের আওতায় রেললিংক প্রকল্পের অধীনে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার রেল লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।

তিনটি ভাগে চলেছে এই নির্মাণ কাজ। ঢাকা থেকে মাওয়া, মাওয়া থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এবং ভাঙ্গা থেকে যশোর। যার মধ্যে মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা অংশ রয়েছে পদ্মা সেতু।


আরও খবর



নওগাঁয় 'সাথী সেবা ক্লিনিক' মালিকের ১লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁ সাপাহারে সাথী সেবা ক্লিনিক এর মালিক মোঃ ইউনুস আলির ১ লাখ টাকা জরিমানা  করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

'সাথী সেবা ক্লিনিকের' ব্যবস্থা পত্রের উপরে ডাঃ মোঃ ইউনুস আলীর পরিচয় দেওয়া ব্যবস্থা পত্র এবং সেখানে ডাঃ আমিনুল ইসলামের সাক্ষর থাকলেও সেখানে সিল নেই এবং অপারেশন করার জন্য কোন সহকারী ডাক্তার নেই, আছে শুধু দু' জন নার্স। 

রোগীকে যে ডাক্তার অপারেশন করেছেন ওটি খাতায় সে ডাক্তারের সাক্ষর নেই, অ্যানেসথেসিয়া ডাক্তারের স্বাক্ষর নেই, অপারেশন থিয়েটারে ৯টি লাইটের মধ্যে ৩টি লাইট নষ্ট, প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রে একই হাতের লিখা কিন্তু স্বাক্ষর আলাদা আলাদা ডাক্তারের, ক্লিনিকে সার্বক্ষনিক ডাক্তার ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র না থাকায় 

সোমবার বিকেল ৫টায় সাপাহার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন গোডাউনপাড়া মোড়ে 'সাথী সেবা ক্লিনিকে'  ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ক্লিনিক  মালিক মোঃ  ইউনুস আলীর ১লাখ টাকা জরিমানা  করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্যাহ আল মামুন। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার সময়

সেখানে উপস্থিত ছিরেন, সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আরএমও ডাঃ আলমগীর কবির, সাপাহার থানার এস আই রবিউল ইসলাম। 


আরও খবর