Logo
শিরোনাম

বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

জম্মু-কাশ্মীরের বারামুলায় ভারতীয় সেনাদের গুলিতে তিনজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত ও বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবারের (১৬ সেপ্টেম্বর) ওই ঘটনায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাঁচাতে সীমান্তে পাকিস্তানের সেনারা গুলি চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করে ভারতের যৌথবাহিনী। খবর- সংবাদসংস্থা এএনআই।

ভারতীয় সেনার পির পঞ্জাল ব্রিগেডের কমান্ডার পিএমএস ধিলোঁর বরাতে এএনআই জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেনা ও জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায় বারামুলায়। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সেখান দিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করার চেষ্টা করছে জানতে পেরে গুলি চালোনো হয়। এতে সেখানে থাকা তিনজন বিচ্ছিন্নতাবাদীর দুজন নিহত হয়। তাদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীও মারা গেছে কিন্তু তার দেহ উদ্ধার করা যায়নি। বিচ্ছিন্নতাবাদীর বাঁচাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপার থেকে পাকিস্তানের সেনারা গুলি চালাচ্ছিলেন।

সেনা সূত্রের খবর, নিহত বিদ্রোহীদের পকেট থেকে পাকিস্তানের টাকা মিলেছে। এছাড়া কিছু ভারতীয় মুদ্রাও ছিল। তাদের কাছে দুটি একে রাইফেল, অনেক কার্তুজ, একটি পিস্তল, সাতটি হ্যান্ড গ্রেনেড, একটি বিস্ফোরক ডিভাইসও উদ্ধার করা হয়েছে। এএনআই উদ্ধারকৃত অস্ত্রের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।

এদিকে কাশ্মীরের অনন্তনাগে ভারতীয় সেনার সঙ্গে বিদ্রোহীদের গুলির লড়াই চলছে গত বুধবার থেকে। চার দিন পরও সেখানে সংঘর্ষ থামেনি। সেই সংঘর্ষে ভারতের দুই সেনাকর্তা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক ডিএসপির মৃত্যু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সংঘর্ষের আবহে বারামুলাতেও নতুন করে হামলার ছক কষেছিল বিদ্রোহীরা।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




৪৫ মাস পর সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড স্পর্শ করলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:


মেমাসের দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে এসেছে ২২৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা ৪৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৫৫ কোটি ডলার।


 সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ। এর আগে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে ২৬০ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকসূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 



তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ফেব্রুয়ারিতে আসে ২১৬ কো‌টি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং মার্চে ১৯৯ কো‌টি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এসেছে। 


আগের বছরের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৯ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার ডলার, নভেম্বরে ১৯৩ কোটি ৪০ হাজার ডলার, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, জুনে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ডলার।


 মে মাসে ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার, মার্চে ২০২ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি চার লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




ট্রেজারি বিল ও বন্ডে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 |

Image



বিডি টুডে রিপোর্ট:



ব্যাংকগুলো ক্রমবর্ধমান সুদের হার থেকে বেশি মুনাফা পেতে ট্রেজারি বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।


বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই ও ২৯ মে সময়ে সরকার বিল ও বন্ড ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে ৭৮ হাজার ১১৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের ১৭ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকার চেয়ে ৩৩৭ শতাংশ বেশি।



মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে ঋণ দেওয়া কমালে বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারের ঋণ নেওয়া বাড়তে থাকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।


এদিকে ক্রমবর্ধমান সুদহারের কারণে ব্যাংকগুলো বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার চেয়ে বিল ও বন্ডে বিনিয়োগে বেশি আগ্রহী। কারণ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ নিরাপদ, কিন্তু ঋণ মন্দ হওয়ার আশংকা থাকে।



কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ব্যাংকগুলো ট্রেজারি বিল ও বন্ডের ব্যাপারে আগ্রহী। তারা তাদের উদ্বৃত্ত তারল্যের একটি বড় অংশ এসব উপকরণে বিনিয়োগ করেছে। ট্রেজারি বিলের সুদের হার বর্তমানে ১১.৬০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশের মধ্যে আছে। 


অথচ গত বছরের জুনে তা ছিল ৬.৭৫ শতাংশ থেকে ৭.৭৫ শতাংশ। এছাড়া সম্প্রতি বন্ডের সুদের হার ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২.৭৫ শতাংশে পৌঁছেছে। টেজারি বিলগুলোর স্বল্পমেয়াদী ম্যাচিউরিটি ও বন্ডগুলোর দীর্ঘমেয়াদি ম্যাচিউরিটি সময়কাল রয়েছে।


 এদিকে সরকারি সিকিউরিটিজে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ বেশি হওয়ায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়েছে, যার মধ্যে ট্রেজারি বিল ও বন্ডসহ নগদ ও নগদ অর্থের সমতুল্য সম্পদ রয়েছে।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল শেষে উদ্বৃত্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২০৫ কোটি টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা।


ব্যাংকাররা জানান, বিল ও বন্ডকে লিকুইড অ্যাসেট হিসেবে বিবেচনা করা হলেও সেকেন্ডারি মার্কেট এখনো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেনি। তাই তাত্ক্ষণিকভাবে এগুলো নগদে পরিণত করা যাবে না। সুতরাং, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখানো উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ প্রকৃত তারল্য পরিস্থিতি নয়। তার প্রমাণ বর্তমানে বেশ কয়েকটি ব্যাংক তারল্যসংকটে ভুগছে।



 অন্যদিকে গত ছয় মাসে ব্যাংকগুলো রেপো ও তারল্য সহায়তার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রতি কর্মদিবসে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে।


ব্যাংককাররা জানান, ব্যাংকিং খাতে তারল্যসংকট রয়েছে। কোনো কোনো ইসলামি ব্যাংক এক বছরের বেশি সময় ধরে তারল্যসংকটে ভুগছে। 


এর প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে। এছাড়া ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বর্তমানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আরও খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ল

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




এমপি আনারের হাড়-খুলি খুঁজতে ভারতে নতুন উদ্যোগ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি  ডেস্ক:


খালের নোংরা পানি থেকে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহের হাড় এবং মাথার খুলি উদ্ধার করতে ভারতীয় নৌসেনা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর সাহায্য নিতে প্রক্রিয়া শুরু করেছে দেশটির সিআইডি।


আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুনের ঘটনায় আটক জিয়াদ হাওলাদারের দাবি ছিল, আজিমের দেহের হাড় এবং মাথার অংশ টুকরো টুকরো করে ভাঙড়ের পোলেরহাট থানার কৃষ্ণমাটি এলাকার বাগজোলা খালে ফেলা হয়েছে।


 সেখানে গত সাত দিন ধরে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালিয়েও কিছু পাওয়া যায়নি।



ওই খালটির পানি বেশ নোংরা, ঘোলা এবং মাটি ভর্তি। তাই উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে ওই হাড় বা মাথার খুলির অংশ উদ্ধার হতে পারে বলে মনে করছেন ভারতের সিআইডি কর্মকর্তারা।


সিআইডির এক কর্মকর্তার বরাতে আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, উন্নততর প্রযুক্তি রয়েছে নৌসেনা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর কাছে। তাই তাদের ডুবুরি দিয়ে তল্লাশি চালালে আনারের দেহের ওই অংশ উদ্ধার করা যেতে পারে। এটা ধরে নিয়েই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। তবে এটি ফলপ্রসু হবে কিনা, তা পরবর্তী সময়ে বোঝা যাবে।



ইতোমধ্যে নিউ টাউনের বিলাসবহুল আবাসনের সেপটিক ট্যাংক থেকে যে মাংসপিণ্ড উদ্ধার হয়েছে, সেগুলো আনারের কিনা তা জানতে ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। মাংসপিণ্ড উদ্ধার হলেও আজিমের দেহের হাড় কিংবা মাথার অংশ এখনও উদ্ধার করতে পারেনি সিআইডি।


তদন্তকারীরা আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ওই ফরেন্সিক রিপোর্ট আসবে। তা পজ়টিভ হলে এমপির মেয়ে কিংবা তার কোনো আত্মীয়ের সঙ্গে ডিএনএ প্রোফাইল ম্যাচিংয়ের জন্য পাঠানো হবে ল্যাবরেটরিতে। প্রায় একই সঙ্গে হাড় এবং মাথার খুলি উদ্ধার করা গেলে তদন্তের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে বলে দাবি তদন্তকারীদের।


বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের বরাতে আনন্দবাজার বলছে, নেপালে আটক হয়েছে এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সিয়াম হোসেন। যদিও ভারতের সিআইডির তরফে ওই খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। সিয়ামকে হাতে পেতে সবরকম চেষ্টা চলছে বলে সিআইডি জানিয়েছে।


কলকাতার নিউ টাউনের আবাসনে গত ১৩ মে আনোয়ারুল আজিমকে হত্যা করা হয়। জানা যাচ্ছে, তার দেহ টুকরো টুকরো করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সিয়ামের। ঘটনার কয়েক দিন পরেই সিয়াম কলকাতা থেকে উত্তরপ্রদেশের মজফ্ফরপুর হয়ে নেপাল চলে যায়।


আরও খবর

যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24




গত বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে সব ধরনের মসলার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডেস্ক:

দুয়ারে কড়া নারছে ঈদুল আজহা। কোরবানির ঈদ মানেই ত্যাগের সঙ্গে তৃপ্তি করে খাওয়াদাওয়াও। আর সব মজার খাবারের পেছনে লুকিয়ে থাকে মসলার গোপন সব মিশ্রণ। কিন্তু ঈদ উপলক্ষে বাড়তি প্রায় সব ধরনের মসলার দাম।



রাজধানীর কাওরানবাজার ও শান্তিনগরসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত বছরে ঈদের সময়ের তুলনায় এবার প্রায় সব ধরনের মসলার দাম ঊর্ধ্বমুখী। গত কয়েকদিনের ব্যবধানেও দাম বেড়েছে। দেশি পেঁয়াজ দামের দিক থেকে শতক ছুঁইছুঁই। সঙ্গে আদা-রসুনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারও গরম।



ক্রেতারা বলছেন, প্রকারভেদে বিভিন্ন মসলার দাম গত কোরবানির ঈদের চেয়ে এবার ৫ থেকে ৮৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে এলাচের দাম। গত বছরের তুলনায় মসলাটির দর দ্বিগুণের কাছাকাছি। মানভেদে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ২০০ টাকা। গত বছর দর ছিল ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা।


প্রতিকেজি জিরা বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকা। গত বছর কোরবানির ঈদের আগে জিরা কেনা গেছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। প্রতি কেজি লবঙ্গের দাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা। যা গত বছর ছিল দেড় হাজার টাকার মতো।



গত বছর দারুচিনি ছিল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। এ বছর কেজিতে গুনতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬২০ টাকা। প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে তেজপাতার দর। প্রতি কেজি তেজপাতা বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়। যা গত বছর একই সময়ে দর ছিল ১২০ থেকে ১৫০ টাকা।


এছাড়া হলুদের গুঁড়া ৫০০-৬০০ টাকা, কালোজিরা ৩৫০-৪০০ টাকা, আদা ২৪০-২৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৫০-১৬০ টাকা ও পেঁয়াজ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


মসলা ক্রেতারা জানান, কোরবানিতে মসলার চাহিদা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি থাকে। সেই চাহিদা পুঁজি করে প্রতিটি বাজারে ব্যবসায়ীরা মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বাড়িয়েছে।


ক্ষুদ্র বিক্রেতারা বলছেন, মহাজনরা মসলার দাম বৃদ্ধি করায় আমরা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। তাই এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে এলাচের দাম।


তবে দাম বাড়লেও গত বছরের তুলনায় এ বছর বেশিরভাগ মসলার দাম কম বলে দাবি করেন বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এনায়েত উল্লাহ। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, বেশিরভাগ এলাচ আসে ভারত থেকে। সেখানে এবার গরমের কারণে উৎপাদন কম হয়েছে। তাছাড়া ডলারের দাম বেশি। এসব কারণে দাম বেড়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা ২০, ৫০, ১০০ টাকা করে মসলা বিক্রি করেন, সে জন্য তারা দর কিছুটা বেশি নিচ্ছেন।


ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, মসলার দর বাড়ার তথ্য মিলেছে। দাম বাড়ার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, ডলার সমস্যা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করেন ব্যবসায়ীরা।


 তবে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধিতে জড়িত অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪




ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ |

Image

বিডি টু ডে রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে জনপ্রতিনিধিসহ দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

সোমবার (২৭ মে) দলটির সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আবহাওয়া ভালো হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিটি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যাবে।

দলীয় সভাপতির পক্ষ থেকে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে সহযোগিতার নামে ফটোসেশন করে বিএনপি। তারা মানবিক কোনো কাজ করে না। বিএনপির সঙ্গে নীতিগত অনেক পার্থক্য রয়েছে আওয়ামী লীগের।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড়টি রোববার রাত ৮টার দিকে উপকূলে আঘাত করে।

এই ঝড়ের প্রভাবে গতকাল থেকে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, ভোলা, চট্টগ্রামে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বরিশালের রূপাতলীতে দেয়াল চাপায় মারা গেছেন দুজন।

সোমবার (২৭ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ থানার টেক্সটাইল এলাকায় দেয়াল চাপায় মারা যান সাইফুল ইসলাম হৃদয় নামের এক পথচারী।


আরও খবর

শেখ হাসিনার প্রশংসায় জয়শঙ্কর

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪