Logo
শিরোনাম

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার হওয়ার গল্প শুনালেন নিষাদ হাবিব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

মোঃ হৃদয় হোসাইন, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব নিষাদ প্রথমবার বিসিএস দিয়েই প্রশাসন ক্যাডার হয়েছেন।

জীবনের প্রথম বিসিএস ছিল মাভাবিপ্রবি এই মেধাবী  শিক্ষার্থীর।বিসিএস বা অন্যান্য চাকরি পরীক্ষার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন, দৈনন্দিন জীবনের পড়াশোনার নিয়মতান্ত্রিক ক্যালেন্ডার কেমন ছিল ও কখন থেকে চাকরি বা বিসিএস এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া উচিৎ এই বিষয়ে নিয়ে কথা বলেছেন ৪১তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন নিষাদ। ভোলা সদরের চরনোয়াবাদের ফরহাদ হোসেনের ছেলে তিনি। প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে আহসান হাবিব নিষাদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় বলতে তিনি বুঝতেন ক্লাব আর মুক্তমঞ্চ। ধ্রবতারা ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং মাভাবিপ্রবি ব্যান্ড মিউজিক কমিনিটি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পড়াশোনা একদমই করতেন না। ছিলেন ব্যাকবেঞ্চার। সিজিপিএ ছিল ২.৯২।তিনি মূলত করোনার সময়  পড়াশোনা শুরু করেছেন।

নিষাদ বলেন, তখন কেবল অনার্সের পরীক্ষা দিলাম। পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ হয়নি। বিসিএস দেয়ার কোনো ইচ্ছে ছিল না। বিসিএস সম্পর্কে আমার খুব একটা ধারণাও ছিল না। আমি প্লান করেছিলাম আইবিএ করব। ইএসআরএম বিভাগের সেলিম ভাই এখন দুদক’র এডি। গণিতের রিওন ভাই এখন অগ্রনী ব্যাংকে কর্মরত। তারা জোর করেই আমাকে বিসিএস’র আবেদন করান।

অনার্সের এপিয়ার্ড দিয়ে আবেদন করেছিলেন নিষাদ। তারা না জোর করলে কিছুই সম্ভব হতো না। বাসায় বসে পড়াশোনা করেছেন।বিসিএস প্রস্ততিতে আপনি কোন কোচিং সেন্টারে পড়েছেন? এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিসিএস জন্য কোথায় কোচিং করিনি। তবে অনলাইনে এমসিকিউ পরীক্ষা দিতাম। নিয়মমাফিক পড়াশোনা করি নাই।তবে অনেক অনেক বেশি পড়াশোনা করেছি। করোনার সময়   বাসায় বসে প্রস্তুতি নিয়েছি।  বাজারে নোট বই তেমন ফলো করি নাই। নিজেরমত নোট তৈরি করে পড়াশোনা করেছি

 ।তাছাড়া আমার ডিপার্টমেন্টের রিফাত ফারাবি সৌরভ ভাই( এখন অডিট ক্যাডার)  উনি বেশ হেল্প করেছিল। ভাইদের কাছে সারাজীবন  কৃতজ্ঞ থাকবো।সফলতা নিয়ে আপনার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন অনুভূতি বলতে অনেক রিলাক্স লাগছে এই ভেবে আগামী সপ্তাহ থেকে আর কোনো প্রিলি,রিটেন দেওয়া লাগবে না কিংবা নতুন কোনো চাকরিতে আবেদন করতে হবে না।

আশেপাশের সবাই খুব সম্মান দিচ্ছে।সম্মান পেতে তো ভালোই লাগে।

আর ভিতরের  অবস্থা টা যে কেমন আমি নিজেও বুঝছি না।ওয়ার্ল্ডকাপ পাবার পর মেসির কেমন লাগছিল বুঝতেছি। আপনার বিসিএস হওয়ার পিছনে অবদান কাদের বেশি ? তিনি বলেন  বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার  নিজের উদ্দ্যেগ ছিল। বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার শুরু করার পর আমার আম্মু সাহস দিয়েছে।তাছাড়া আমার ছোট ভাই সেনাবাহিনীর সদস্য,  আমি প্রিলি উত্তীর্ণ হওয়ার পর  আমাকে ফিনানশিয়ালি সার্পোট দিয়েছেন।  পরিবার আমার পরীক্ষার বিষয়ে পূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছে।  তাদের জন্য আমি সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি।

নতুন বিসিএস পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন অনার্স প্রথম বা দ্বিতীয়  বর্ষে বিসিএস প্রস্তুতি নেওয়ার কথা চিন্তা  করলে তুমি বিসিএস হতে পারবে না। এমনকি অনার্স পড়াশোনা করা অবস্থায় বিসিএস পড়াশোনা করা উচিৎ না। এই সময় একাডেমি রেজাল্ট ভালো করা উচিৎ। একাডেমিক রেজাল্ট ভালো করতে হবে  এবং বিসিএস দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে কেউ  ষষ্ট শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একটা গণিত এবং একটা ইংরেজি নিয়মিত টিউশনি করাতে হবে। অনার্স পড়াশোনা  অবস্থা  ক্যাম্পাস লাইভটাকে উপভোগ করা বুদ্ধিমানের কাজ। সর্বশেষ  তিনি বলেন

ভবিষ্যতে আমি দেশের জন্য ভালোভাবে কাজ করতে চাই ইনশাআল্লাহ।  আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া  করবেন।


আরও খবর

নির্বোধের মতো বিশ্বাস করোনা

রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আমি শেখাতে আসিনি, শিখতে এসেছি

রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩




বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

জম্মু-কাশ্মীরের বারামুলায় ভারতীয় সেনাদের গুলিতে তিনজন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত ও বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবারের (১৬ সেপ্টেম্বর) ওই ঘটনায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাঁচাতে সীমান্তে পাকিস্তানের সেনারা গুলি চালিয়েছে বলেও অভিযোগ করে ভারতের যৌথবাহিনী। খবর- সংবাদসংস্থা এএনআই।

ভারতীয় সেনার পির পঞ্জাল ব্রিগেডের কমান্ডার পিএমএস ধিলোঁর বরাতে এএনআই জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেনা ও জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ যৌথ অভিযান চালায় বারামুলায়। বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সেখান দিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করার চেষ্টা করছে জানতে পেরে গুলি চালোনো হয়। এতে সেখানে থাকা তিনজন বিচ্ছিন্নতাবাদীর দুজন নিহত হয়। তাদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীও মারা গেছে কিন্তু তার দেহ উদ্ধার করা যায়নি। বিচ্ছিন্নতাবাদীর বাঁচাতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপার থেকে পাকিস্তানের সেনারা গুলি চালাচ্ছিলেন।

সেনা সূত্রের খবর, নিহত বিদ্রোহীদের পকেট থেকে পাকিস্তানের টাকা মিলেছে। এছাড়া কিছু ভারতীয় মুদ্রাও ছিল। তাদের কাছে দুটি একে রাইফেল, অনেক কার্তুজ, একটি পিস্তল, সাতটি হ্যান্ড গ্রেনেড, একটি বিস্ফোরক ডিভাইসও উদ্ধার করা হয়েছে। এএনআই উদ্ধারকৃত অস্ত্রের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।

এদিকে কাশ্মীরের অনন্তনাগে ভারতীয় সেনার সঙ্গে বিদ্রোহীদের গুলির লড়াই চলছে গত বুধবার থেকে। চার দিন পরও সেখানে সংঘর্ষ থামেনি। সেই সংঘর্ষে ভারতের দুই সেনাকর্তা এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক ডিএসপির মৃত্যু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সংঘর্ষের আবহে বারামুলাতেও নতুন করে হামলার ছক কষেছিল বিদ্রোহীরা।


আরও খবর

পাকিস্তানি ১৬ ভিক্ষুক আটক

সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3




নওগাঁর লাভন্য প্রভা বালিকা বিদ্যালয়, ছাত্রীদের সাফল্য

প্রকাশিত:বুধবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৩ (বালিকা) হ্যান্ডবল রাজশাহী বিভাগের 'চ্যাম্পিয়ন' ও (বালিকা) ফুটবল রাজশাহী বিভাগের 'রানারআপ' হয়েছেন নওগাঁর এক বিদ্যালয় এর ছাত্রীরা।

বুধবার রাজশাহীতে দিনব্যাপী বিভাগীয় পর্যায়ের খেলায় ঈর্ষানিত এ সাফল্য অর্জন করেছেন নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ''লাবন্য প্রভা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় এর ছাত্রীরা''।

জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর ৫০ তম জাতীয় স্কুল মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা সমিতির গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হ্যান্ডবল (বালিকা) ও ফুটবল (বালিকা) খেলায় নওগাঁর ১১টি উপজেলার শিক্ষার্থীদের হারিয়ে জেলায় প্রথম হয় বদলগাছী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী লাবন্য প্রভা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর ছাত্রীরা। এরপর আজ বুধবার দিনব্যাপী রাজশাহীতে বিভাগীয় পর্যায়ে বিভাগের ৮টি জেলার খেলা অনুষ্ঠিত হয়। সেই খেলায় হ্যান্ডবল (বালিকা) রাজশাহী জেলাকে ৩/২ গোলে পরাজিত করে রাজশাহী বিভাগের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ও ফুটবল (বালিকা) এর প্রতিযোগিতায় চাপাইনবয়াবগঞ্জ জেলার সাথে প্রতিযোগিতা করে ১/০ গোলে পরাজিত হয়ে রানারআপ হয়েছেন।

এবিষয়ে লাবন্য প্রভা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীরা আজ বিভাগীয় পর্যায়ে হ্যান্ডবলে চ্যাম্পিয়ন ও ফুটবল-এ রানারআপ হয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অনেক আনন্দের বিষয়, তারা জেলার গন্ডি পেরিয়ে বিভাগীয় পর্যায়েও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। 

তারা ভবিষ্যতে আরো ভালো খেলে আমার বিদ্যালয় সহ নওগাঁ জেলার সুনাম দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেবে এমন আশা করছি। আমি দোয়া করি আমার শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়েও প্রথম হয়ে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।


আরও খবর

আসল ঘটনা কী, জানালেন তামিম !

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

তামিমকে ছাড়া বিশ্বকাপ দল

মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩




রাণীনগরে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত : পানিবন্দি দেড় হাজার পরিবার

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

কাজী আনিছুর রহমান,রাণীনগর (নওগাঁ)  :

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার ছোট যমুনা নদীর বেড়িবাঁধের দুইটি এবং আত্রাই উপজেলার আত্রাই নদীর একটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে দুই উপজেলার ৮/১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পরেছে প্রায় দেড় হাজার পরিবার। এছাড়া পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে আমন ধান,ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বুধবার গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত এই বাঁধগুলো ভাঙ্গার ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।দ্রুতই পানিবন্দি পরিবারগুলোকে খাদ্যসহায়তাসহ সার্বিক সহায়তা করা হবে।

রাণীনগর উপজেলার নান্দাইবাড়ী গ্রামের শহিদুল ইসলাম বলেন,গত দুই/তিন থেকে হঠা’ করেই ছোট যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। বুধবার গভীর রাতে নান্দাইবাড়ী হাফেজিয়া মাদ্রাসা এলাকায় নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যায়। এতে পানির তোরে মাদ্রাসার একটি কক্ষের ইটের দেয়ালও ভেঙ্গে যায়।এছাড়া আধা কিলোমিটার দুরেই দক্ষিন নান্দাই বাড়ীর বেরিবাধ ভেঙ্গে যায়।এতে ওই এলাকার কিষ্টপুর,মালঞ্চি,নান্দাইবাড়ীসহ কয়েকটি গ্রামের মধ্যে পানি ঢুকে পরে। এতে প্রায় ৪/৫শত পরিবার পানি বন্দি হয়ে পরেছে। এছাড়া ওই এলাকার পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া জমির ধান,সবজি পানিতে তলে গেছে।

রাণীগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদি হাসান জানান,বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় দেড়/দুইশত পরিবার পানিবন্দি হয়ে পরেছে। কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা হক বলেন,বন্যার পানিতে ওই এলাকার প্রায় ২০ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে নিমজ্জিত হয়েছে। ডুবে গেছ সবজি ক্ষেত। ম’স্য কর্মকর্তা শিল্পী রায় জানান,২৩টি পুকুর ডুবে মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ২৬লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

আত্রাউ উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন,বুধবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ আত্রাই নদীর নন্দনালী বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেছে। এতে ওই এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া আত্রাই-বান্দাইখাড়া পাকা সড়কের নন্দনালী সরদারপাড়া তালতলা এলাকায় পাকা সড়ক পানির তোরে ভেঙ্গে গেছে।

আত্রাই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জিয়া উদ্দীন আহমেদ জানিয়েছেন,বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়ে প্রায় একহাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পরেছে। কৃষি কর্মকর্তা জানান,বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ১০ হেক্টর জমির ধান পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্চিতা বিশ্বাস বলেন,সকাল থেকেই আমরা দূর্গত এলাকায় রয়েছি এবং ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধ আটকানোর চেষ্টা করছি। এছাড়া দূর্গতদের জন্য খাদ্যসহায়তা থেকে সার্বিক সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসককে জানিয়েছি। আসা করছি খুব দ্রæতই আমরা সহযোগিতা করতে পারবো।


আরও খবর



মমতাজের বিরুদ্ধে ফের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3 |

Image

বিনোদন ডেস্ক : বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে ভারতের মুর্শিদাবাদে। চুক্তিভঙ্গ এবং প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এ পরোয়ারা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কলকাতার সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার।  

এই মামলায় মমতাজের বিরুদ্ধে এর আগেও তিন বার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এর পর তিনি মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। 

আদালতের নির্দেশ মোতাবেক, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর মমতাজকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে।  

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে— ৯ আগস্ট মুর্শিদাবাদের মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালতে হাজির হওয়ার কথা ছিল মমতাজের। ৮ আগস্ট বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মমতাজের মামলার চার্জ গঠন করা হবে। সেই দিন মমতাজ উপস্থিত না হলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে। এর পরেই মমতাজ বাংলাদেশ হাই কমিশনের মাধ্যমে একটি আবেদনপত্র আদালতে দাখিল করে জানান, ওই সময়ে তিনি কানাডায় একটি অনুষ্ঠানে থাকবেন। ফলে তার পক্ষে আদালতে হাজিরা দেওয়া সম্ভব হবে না। মুর্শিদাবাদের মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট ওই আবেদন খারিজ করে দিয়ে মমতাজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেন। 

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে— মুর্শিদাবাদে ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশনের জন্য আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা শক্তিশঙ্কর বাগচীর সঙ্গে মমতাজের লিখিত চুক্তি হয়। সেই চুক্তি মোতাবেক শক্তিশঙ্করের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মমতাজ নিয়মিত অংশ নিতেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ১৪ লাখ টাকায় মুর্শিদাবাদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল শিল্পীর। তিনি অগ্রিম টাকাও নেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি মমতাজ। এর পরেই শক্তিশঙ্কর চুক্তিভঙ্গ ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে মুর্শিদাবাদের মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মমতাজের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তার ভিত্তিতে আদালত পরবর্তী সময়ে সমন জারি করে। 

এর আগেও তামিলনাড়ুর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্মানিক ডক্টরেট ডিগ্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ ওঠে মমতাজের বিরুদ্ধে। সেই মামলা এখনও তামিলনাড়ুর আদালতে বিচারাধীন।


আরও খবর

ইতিহাস গড়লেন শাহরুখ

মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নতুন চরিত্রে শ্রাবন্তী

শুক্রবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩




বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমল ২ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ অক্টোবর ২০২৩ |

Image

রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে আসার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও কমেছে। গত এক মাসের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলার (১৯৮ কোটি) বা প্রায় ২ বিলিয়ন কমে গেছে।

২১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে,  (২০ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৭৩৩ কোটি ডলার। এর আগে গত ২৩ আগস্ট গ্রস রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৯৩২ কোটি ডলার।

এছাড়া নিট রিজার্ভ এক দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার কমে ২ হাজার ১৪৫ কোটি ডলারে নেমেছে। এক মাস আগে অর্থাৎ ২৩ আগস্ট নিট রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৩১৬ কোটি ডলার। সাম্প্রতিক সময়ে বকেয়া ঋণ পরিশোধ ও আমদানি দেনা মেটানোর কারণে রিজার্ভ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার দিতে হচ্ছে। এতেও রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত এক বছর ধরেই ধারাবাহিকভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে। আমদানি নিয়ন্ত্রণে একাধিক উদ্যোগ নেওয়ার পরও মূলত রেমিট্যান্স প্রবাহে ধীরগতির কারণে রিজার্ভ কমছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে জুলাই-আগস্ট মাসের এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ব্যয় পরিশোধে ১৩১ কোটি ডলার দিতে হয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও কমে ২১ বিলিয়ন ডলারের ঘরে এসেছে।

প্রতি মাসে গড়ে ৬ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে ৩ মাসের মতো আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ।

যদিও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পাওয়ার শর্ত অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ ২৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রাখতে হবে।

ব্যাংকাররা জানান, ডলারের আন্তপ্রবাহের চেয়ে বহিঃপ্রবাহ বেশি হচ্ছে। আবার রেকর্ড পরিমাণ বাংলাদেশি শ্রমিক বিদেশে গেলেও সেই তুলনায় রেমিট্যান্স আসছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, তিন মাস আগে প্রবাসীরা গড়ে দৈনিক ৭ কোটি ডলারের বেশি পাঠালেও চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৭৩ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৩২ হাজার মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত তিন মাসের (১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর) ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে গড়ে ৫ কোটি ২৭ লাখ ডলার করে। অর্থাৎ প্রবাসীরা চলতি মাসের প্রথম ৭ দিনে ৩৬ কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন। আর জুলাইয়ের প্রথম তিন সপ্তাহে দৈনিক রেমিট্যান্স এসেছে গড়ে পৌনে ৭ কোটি ডলার করে। তার আগের মাস জুনে প্রবাসীরা প্রতিদিন পাঠিয়েছিলেন গড়ে ৭ কোটি ৩৩ লাখ ডলার করে। ওই মাসে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আগস্ট মাসে প্রবাসীরা দেশে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ৬৯৬ কোটি ডলার। চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর ছিল ২ হাজার ৭৩৩ কোটি ডলার। অর্থাৎ গত এক বছরের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ কমেছে ৯৬৩ কোটি ডলার।

রফতানি আয় আগের চেয়ে কমে যাওয়াকে অনেকেই রিজার্ভ কমে যাওয়ার আরেকটি কারণ বলে উল্লেখ করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে রফতানি আয় ৩ দশমিক ৮০ শতাংশ বাড়লেও আগস্টে পূরণ হয়নি রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা।

ডলারের বাজারে অস্থিরতা : এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় ডলারের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ ব্যাংকে চাহিদার তুলনায় ডলার সংকট দেখা দিয়েছে। কিছু ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অমান্য করে বেশি দামে ডলার কিনে ঘোষণার চেয়ে বেশি দামে আমদানিকারকের কাছে বিক্রি করছে।

রফতানি ও প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রের ডলারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আর আমদানিকারকদের কাছে এখন ১১০ টাকায় ডলার বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো। তবে কোনও কোনও ক্ষেত্রে কিছু ব্যাংক প্রতি ডলারে ১১৪-১১৫ টাকা দাম নিচ্ছে। কারণ, প্রবাসী ও রফতানি আয় কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। না হলে ঋণপত্র খুলতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না ব্যাংকগুলো।

এই ঘটনায় বেসরকারি খাতের ১০ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে এসব ব্যাংকের ট্রেজারি-প্রধানকে জরিমানা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, বাফেদার বেঁধে দেওয়া দামের বাইরে গিয়ে অনেকে ডলার কেনাবেচা করছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মানছে না। তিনি বলেন, বেশি দামে ডলার বিক্রির জন্য এসব ব্যাংকের ট্রেজারি-প্রধান দায় এড়াতে পারেন না। এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠানো চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ব্যাংকগুলো যাতে ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে ডলার কেনাবেচা না করে, সে জন্য ব্যাংক মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জবাবে ব্যাংক-মালিকরা বলেছেন, ডলারের দাম কিছুটা বাড়ানো হলে তাতে সংকট কমতে পারে। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে রাজি হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) নেতাদের সঙ্গে ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সূত্র জানায়, সভায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে ডলারের বাজার পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ ও ব্যাংকের সার্বিক তারল্য পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। সভায় বলা হয়, ডলারের সংকট এখন কমে এসেছে। সরবরাহ আগের চেয়ে বেড়েছে। তাই কোনও ব্যাংক যাতে ঘোষণার চেয়ে বেশি দামে ডলার কেনাবেচা না করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় বিএবির পক্ষ থেকে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। যদিও এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপত্তি জানায়। অবশ্য হুন্ডি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেন ব্যাংক মালিকরা। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম বাড়ানো হলে হুন্ডিতে ডলারের দাম আরও বাড়বে।

 


আরও খবর

বাজার তদারকিতে লোকবল সংকট

সোমবার ০২ অক্টোবর 2০২3