Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

ধীরগতিতে হলেও ধারাবাহিকভাবে দেশে করোনা সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী। ইতোমধ্যে দেশে করোনার নতুন উপধরন শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৩৪ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৬ হাজার ৯৩৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৮১ জনের।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর এ ভাইরাসে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৮১ জন মারা গেছেন।

গত বছর জুন-জুলাইয়ের পর সংক্রমণ পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক ছিল। চলতি মাসের এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে দেশে করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের ওপরে।

দেশে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মাস্ক পরার পরামর্শসহ চার দফা ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সরকারের করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা, বৈশ্বিক সংক্রমণ পর্যালোচনা করে দেশে নজরদারি বাড়ানো, ভবিষ্যতে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে কোভিড পরীক্ষা, আইসিইউসহ দ্রুত চিকিৎসার সব প্রস্তুতি রাখা এবং বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

দেশে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের সাবেক পরিচালক ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের খুব একটা উদ্বেগের আশঙ্কা নাই। তবে আমাদের অগ্রিম কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। দুই তিন মাস পরে হয়তো বাংলাদেশে করোনার মূল সিজন শুরু হবে। তখন অনেক করোনা আক্রান্ত হতে পারে।

করণীয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের এখন করোনার সার্ভিলেন্স বাড়ানো দরকার। দেখতে হবে কোন ধরনে, কারা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন, কাদের মধ্যে সিভিয়ারিটি বেশি হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে স্বাস্থ্যবিধি জোরদার করা, করোনার টিকা যারা পায়নি, বা এক ডোজ পেয়েছে তাদের বাকি ডোজগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা করা। চিকিৎসকদের, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, করোনা চিকিৎসার গাইডলাইন আপডেট, হাসপাতাল, বেড, অক্সিজেন এসব বিষয়ে প্রস্তুতি এমনভাবে রাখতে হবে যেন প্রয়োজনে স্বল্প সময়ে এগুলো চালু করা যায়।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরীন বলেন, করোনা সংক্রমণের ফের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে নতুন ধরন দেশে চলে আসছে। পাঁচজনের শরীরে এটি শনাক্ত হয়েছে। যে কোনো সময় পূর্ণ সংক্রমণ শুরু হতে পারে। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে নতুন ধরন দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে।


আরও খবর

চোখ রাঙাচ্ছে এডিস মশা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঘুষ না পেয়ে ডিবি কর্মকর্তার গায়েবি প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মিছবাহ আজাদ: চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় চাঁদাবাজি কেন্দ্রিক আদালতে গায়েবি ও হাস্যকর প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে গিয়াস উদ্দিন নামে এক তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে করা মামলায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তিন সংবাদকর্মীসহ চার যুবক ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও দুই টন রড নিয়ে গেছে উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে রীতিমতো হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন তিনি। অভিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা কক্সবাজার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন।

তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন, 'দৈনিক খোলা কাগজ' পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন।

তার অভিযোগ, ভূমি কেন্দ্রিক একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর বাকি টাকা না পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়-আইজিপি-ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ দেশজুড়ে অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করেন। আদালত উক্ত মামলা কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন।

অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উখিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিলের ক্ষেত্রে বিতর্কিত ভূমিকা রাখেন তদন্ত কর্মকর্তা। এমনকি আসামিদের সাথে গোপন বৈঠক করে অনৈতিক প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।

তার অভিযোগ, ভূমি কেন্দ্রিক একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর বাকি টাকা না পেয়ে তদন্ত কর্মকর্তা রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়-আইজিপি-ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ দেশজুড়ে অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করেন। আদালত উক্ত মামলা কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন।

অভিযোগ আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে উখিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলা সহ অগণিত মামলার অভিযুক্ত আসামি দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ দায়ের করা মিথ্যা ও সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিলের ক্ষেত্রে বিতর্কিত ভূমিকা রাখেন তদন্ত কর্মকর্তা। এমনকি আসামিদের সাথে গোপন বৈঠক করে অনৈতিক প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে সংবাদকর্মী মুসলিম উদ্দিন জানান, আমি জাতীয় দৈনিক 'খোলা কাগজ' পত্রিকার একজন নিয়মিত সাংবাদিক। সংশ্লিষ্ট এই মামলায় অভিযুক্ত অপরাপর আসামীরাও স্থানীয় সংবাদকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। অন্যদিকে অভিযোগকারী মামলার বাদী একজন ধূর্ত প্রকৃতির কুখ্যাত শিবির ক্যাডার ও রাষ্ট্র বিরোধী। তার কথিত মামলায় মানিত সাক্ষীরা সকলেই আমার বোনকে হত্যা চেষ্টা মামলার মামলার আসামি। এসব তথ্য জানা থাকার পরও তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আমাদের তাঁর কার্যালয়ে ডেকে নেন। অফিস খরচের কথা বলে টাকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সেখানে নানা ধরণের বেআইনি প্রস্তাব দেন। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন আসামিদের পক্ষে দিবেন মর্মে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। ওই সময় তিনি বলেন টাকা না দিলে চাঁদাবাজির প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলায় আট বছর থেকে শুরু করে সর্ব নিম্ন চাঁদাবাজি মামলায় পাঁচ বছর সাজা হবে। কি করবেন দেখেন বলেন, অন্যথায় ১মাসের মধ্যে জেলের ভাত খাওয়াবে বলে হুমকি দেন।

এছাড়াও মামলার খরচ আছে দাবি করলে, আমার বন্ধু সাইফুলের মাধ্যমে ধার করে টাকা এনে খামে ভরে ৩০ হাজার টাকা দিই। এরপরে আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে আমি অপারগতা প্রকাশ করি। তার পরেও আমি সেখানে সাফ জানিয়ে দিই- ঘুষ হিসেবে কোনো টাকা দিতে পারবো না। অভিযোগের বিষয়ে যা সত্য তাই প্রতিবেদন দিবেন। এটাই আপনার পেশাদারিত্ব। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন উক্ত প্রতিবেদনে আমাদের পূর্বের মামলার আসামিদের 'নিরপেক্ষ সাক্ষী' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এবং প্রতিবেদনটিতে বাদীর আর্জির পুনরাবৃত্তি করেছেন। বাদী তার আর্জিতে অভিযোগ করেছে, আমরা নাকি বাদীর কাছে চাঁদা না পেয়ে রাত ১১টায় বাদীর বসত ঘর থেকে ২টন রড আর ১শ ব্যাগ সিমেন্ট নিয়ে এসেছি। যা হাস্যকর কথা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নিরপেক্ষ সাক্ষী বানানো হয়েছে তারা মামলার অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিনের দায়ের করা জিআর- ৪৮৩/১৯ইং ও তার বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা জিআর- ৩৮৯/১৯ইং মামলার আসামি যা আইন সংগত নয়। এছাড়াও উক্ত মামলার বাদীর সাথে পূর্ব বিরোধের কারণে বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী মুসলিম উদ্দিনসহ তার পরিবারকে হত্যা, খুন,গুম, মিথ্যা-বানোয়াট মামলা, হামলার হুমকি দেওয়ার কারণে মুসলিম উদ্দিন বাদী হয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর-২৩ইং থানায় সাধারণ ডায়েরি লিপিবদ্ধও করি। যার নং- ৬৪৪/২৪ইং। 

ভুক্তভোগীর এমন অভিযোগের ভিক্তিতে (ভুক্তভোগীর দাবিকৃত মিথ্যা মামলার) বাদীর ফৌঃ দরখাস্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বশির আহম্মদ বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তুলে গত ৩১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দেন। তদন্তের জন্য মামলাটি আদালত থেকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে পৌঁছলে অফিসার ইনচার্জ গত ০৫ জানুয়ারি হাওলা করেন। অফিসার ইনচার্জ তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলা হাওলা করার মাত্র ২৫দিনের মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিনও বাদীর অভিযোগের সাথে মিল রেখে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন- 'অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে' বলে টাকা না পেয়ে বাদীর কাছ হতে অন্যায় সুবিধা গ্রহণ করে বিত্তহীন একটা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

মামলায় উল্লেখ করা নির্মাণাধীন ভবনের আশেপাশে বসবাসকারী মোমেনা খাতুন, রাশেদা, মিসবাহ আজাদ, শাকুর মাহমুদ, ছকিনা খাতুনসহ স্থানীয়রা বলেন, এলাকায় চাঁদা দাবি কিংবা চাঁদা না পেয়ে লোহার রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার মতো কোন ঘটনা ঘটেনি। এছাড়াও ১শ ব্যাগ সিমেন্ট ও ২ টন লোহার রড নিয়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের বেগ পেতে হয়; সেখানে শুধুমাত্র ৪ জনই এত ভারী মালামাল নিয়ে যাওয়ার গল্প পাগল-শিশুও বিশ্বাস করবেনা। 

তাদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে অতি উৎসাহী হয়ে একটি সাজানো মামলার অদ্ভুত প্রতিবেদন দিয়ে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। এই ধরনের কর্মকর্তাদের কারণে ভবিষ্যতে যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে সাজানো মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রিপোর্টার্স ইউনিটি কক্সবাজারের সভাপতি ও নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, উখিয়ায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত সাজানো মামলায় সিমেন্ট আর লোহার রড নিয়ে যাওয়ার মতো একটি বিষয়ে দুইজন তরুণ সংবাদকর্মীকে যেভাবে জড়িয়ে তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত রিপোর্ট জমা দিলেন তা হাস্যকর লাগল। ঘটনাস্থলের আশপাশের কেউ দেখল না জানল না সাংবাদিকরা সিমেন্ট আর লোহার রড মাথায় করে নিয়ে যেতে কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা সেটি দেখেছে মতো করে রিপোর্ট দিলেন যা দুঃখজনক বিষয়।মনে হচ্ছে উক্ত তদন্ত কর্মকর্তা সাংবাদিকদের উপর পূর্বের কোন ক্ষোভ থেকে নয়তো প্রতিপক্ষ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে  প্রতিহিংসা মূলত রিপোর্ট দিয়েছে। বিষয়টি আমি আরো অধিকতর তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে অ্যাডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ বলেন, এখন ডিজিটাল যুগ। মামলায় অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলে ছিল কিনা সহজে লোকেশন শনাক্ত করা যায়। লোকেশন সংশ্লিষ্টের উপস্থিতি আদৌ আছে কিনা নিশ্চিত হওয়া তদন্ত অফিসারের দরকার। এছাড়াও ১শ ব্যাগ সিমেন্ট ২ টন রড ৪ জন কীভাবে নিয়ে যায়? সেটিও হাস্যকর। মিথ্যা রিপোর্ট দিয়ে হয়রানি করলে তদন্ত অফিসারকে আদালতে জবাবদিহিতা করতে হবে।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি তদন্তে যা পেয়েছেন তাই আদালতে জমা দিয়েছেন।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সামান্য কমেছে সবজির দাম, বেড়েছে মাংসের!

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

কিছুদিন আগে সবজির ভরা মৌসুমেও দাম ছিল চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে এখন কিছুটা কমেছে সবজির দাম। তবে বেড়ে চলেছে গরুর মাংসের দাম। এছাড়া বাজারে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন দেখা গেছে চিত্র।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতের শিম, মুলা, শালগম প্রতি কেজি ও এবং ফুলকপি ও বাঁধাকপি এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার মধ্যে। যা গত সপ্তাহ থেকে প্রকারভেদে ১০-২০ টাকা কম। এর মধ্যে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি আকারভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। লাউয়ের দামও প্রায় ১২০ টাকা থেকে কমে নেমেছে ১০০ টাকার নিচে নেমেছে।

যাত্রাবাড়ি বাজারের সবজি বিক্রেতা কামরুল হাসান বলেন, এখন বাজারে সবজির সরবরাহ ভালো। এ কারণে সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। দীর্ঘদিন পরে সবজির দাম নিম্নমুখী।

যাত্রাবাড়ির বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলুর কেজি ৪০ টাকা, টমেটো গাজার ও শসার কেজি ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, বরবটি ও করলা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে পেঁয়াজের দাম এখনো কমেনি। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়। একই সঙ্গে চড়া দামে আদা ও রসুন দুই পদই বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে।

এদিকে বাজারে কেজিতে প্রায় ৫০ টাকা বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। ভোটের আগে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬০০ টাকা পর্যন্ত নামলেও ভোটের পর তা ৭০০ টাকায় গিয়ে ঠেকে। কিন্তু গত এক সপ্তাহে আরও দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা।

গরুর মাংসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মুর্তজা বলেন, রোজা ও কোরবানি সামনে রেখে খামারিরা গরু বিক্রি কমিয়েছেন। সেজন্য বাজারে সরবরাহ কম, দাম বাড়ছে।

রূপস নামের এক ক্রেতা বলেন, অনেকে দামের কারণে গরুর মাংস কেনা ছেড়ে দিয়েছিলেন। মাঝখানে দাম কমানোয় ক্রেতা বেড়েছিল। এখন আবার দাম বাড়া শুরু করেছে। রমজান মাসে গরুর মাংসের দাম বেড়েছে। রমজান শুরু হলে এর দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে কে জানে।

এদিকে বাজারে চড়া দামে আটকে আছে ব্রয়লার মুরগি ও ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। প্রতি হালি বাদামি ডিম ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বড় বাজারে। আর পাড়া-মহল্লার দোকানে প্রতি হালি ডিমের দাম ৫০ টাকা, ডজন ১৫০ টাকা। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির কেজি ২২০ থেকে ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।


আরও খবর

১০ হাজার পণ্যের দাম কমেছে আরব আমিরাতে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন- ১৬ জনের জেল,জরিমানা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁর বিভিন্ন কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করে জালিয়াতি করায় ১৬ জন চাকরি প্রার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করা সহ অন্যান্য অপরাধ করায় ১৪ জন প্রার্থীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ থেকে ১ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড প্রদান করেন এবং দু' জনকে ৫শ' টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। কারাদন্ড প্রাপ্তদের আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তাদের এ সাজা দেওয়া হয়।

সাজা প্রাপ্তরা হলেন, মান্দা মমিন শাহানা সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করায় রবিউল ইসলাম কে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং মিঠুন ও সুলতানকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। শহীদ কামারুজ্জামান কেন্দ্র থেকে নাইমুর রহমান কে ও টেক্সটাইল কেন্দ্র থেকে  মোস্তাফিজুর বিন আমিন কে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। মান্দা থানা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে জারজিস আলমকে ১০দিন, ফজলে রাব্বি মন্ডলকে ১ মাস, নুর আলম কে ৭ দিন, জামাল উদ্দিন কে ১০ দিন, আব্দুল্লাহ সাইরাফি কে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মহাদেবপুর সর্বমঙ্গলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আনসার আলী নামের একজন কে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বদলগাছি উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে একজনকে পুলিশে সোপর্দ করে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। নওগাঁ সদর থানার চক এনায়েত উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ১ জনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, পাহাড়পুর জিএম হাই স্কুল কেন্দ্র থেকে ১ জনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারি বিএমসি মহিলা কলেজ কেন্দ্র থেকে ২ জনকে ৫শ' টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

জানা যায়, শুক্রবার জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কানে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করার অপরাধে পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ এর ১১ ধারায় তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।


আরও খবর



দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন নিয়ে কী বলবে ও করবে এটা নিয়ে আমরা বিচলিত না। আমরা বিশেষ করে দ্রব্যমূল্য নিয়ে চিন্তিত।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির বন্ধু তো দেশে আছে, বিদেশেও আছে। এখন নির্বাচনে অংশ নেয়নি, আন্দোলনে ব্যর্থ। তাদের তো বিদেশি বন্ধুদের কাছে মুখ রক্ষার বিষয় আছে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

সোমবারের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় অনেক রোহিঙ্গা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

রাখাইনে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য ওপারে সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে অনেক রোহিঙ্গা। তবে তাদের এদেশে আসার ব্যাপারে বিরোধিতা করছে উখিয়া-টেকনাফে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা। তারা বলছেন, নিজ দেশ ছেড়ে এবার ভুল করা যাবে না।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ক্যাম্পে আয়োজিত কনভেনশনে রোহিঙ্গা নেতারা বলেছেন, আরাকান আর্মি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করলে এখনই তারা ফিরে যাবেন মিয়ানমারে।

দেশটির অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির তুমুল সংঘর্ষ চলছে। ইতোমধ্যে রাখাইন রাজ্যের বেশ কিছু এলাকা দখলে নিয়েছে সংগঠনটি। ফলে বুচিডংসহ রাখাইনের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের জন্য সীমান্তে অবস্থান নিয়েছে।

এদিন উখিয়া ক্যাম্পের কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, দুই পক্ষের হামলায় রোহিঙ্গারা প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই তারা বাংলাদেশে চলে আসার জন্য নিয়মিত যোগাযোগ করছেন এখানকার রোহিঙ্গাদের সঙ্গে।

তবে এবার নিপীড়নের শিকার হলেও কোনো অবস্থাতেই জন্মভূমি না ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছেন রোহিঙ্গা নেতারা। তারা বলছেন, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে এসে ভুল করেছেন। সেটা দ্বিতীয়বার যেন অন্যরা না করেন। মিয়ানমারে এখন জান্তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে এখনই স্বদেশে ফিরে যাওয়া জরুরি।

এক রোহিঙ্গা বলেন, আমরা আর কাউকে বাংলাদেশে আসতে দিতে চায় না। বরং এখনই সময় সেখানে আমাদের চলে যাওয়া। যেটা জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসময়ে যেতে পারলে খুবই ভালো হয়। সেই সুরে সুর মিলিয়ে আরেক রোহিঙ্গা বলেন, তারা কষ্ট পেলেও, জুলুমের শিকার হলেও মিয়ানমারেই থাকা দরকার তাদের। ওরা থাকতে পারলে পরে আমরাও যেতে পারবো।

মিয়ানমারে দ্রুত ফিরে যাওয়ার জন্য এদিন সকালে উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্পে সম্মেলন করেন এফডিএমএন রিপ্রেজেন্টেটিভ কমিটি। এতে নির্বাচিত বিভিন্ন ক্যাম্পের ৪ হাজার প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। আরাকান আর্মিকে ইঙ্গিত করে কমিটির নেতা মাস্টার ছৈয়দ উল্লাহ বলেন, সংগঠনটি রোহিঙ্গাদের অবস্থান স্পষ্ট করলে তারা এখনই চলে যেতে প্রস্তুত।

শরণার্থী কমিশন বলছে, নতুন করে যেকোনো অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসান কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আরও রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢোকার আশঙ্কা রয়েছে। তবে আমাদের বর্ডার গার্ড (বিজিবি) অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অনুপ্রবেশের পাশাপাশি ওপার থেকে নিয়মিত ভেসে আসছে ভারী অস্ত্রের ঝনঝনানি। এর ফলে কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্তে আতঙ্কে আছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪