Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

শীতে সুস্থ থাকতে যা খাবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

শীতে শুধু ত্বকের সমস্যা নয়, সর্দি-কাশি, জ্বরেও কাবু হয়ে পড়েন অনেকে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয়। অন্য দিকে, গোটা শীতকাল জুড়ে থাকে নানা উৎসবের আয়োজন। এসব উদযাপন করতে হলে শারীরিক ভাবে ফিট থাকা প্রয়োজন। এজন্য খাওয়াদাওয়ায় একটা বাড়তি নিয়ম মেনে চলতে হবে। গোটা শীতকাল যাতে সর্দি, কাশি আর গলাব্যথায় না কেটে যায়, তার জন্য নিয়ম করে কয়েকটি খাবার খেতে হবে। যেমন-

১. শরীরে ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করতে সাইট্রাসজাতীয় ফলের জুড়ি নেই। পাতিলেবু, মোসম্বি ও কমলা যেমন জোগান দিতে পারে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর, তেমনই মেটাতে পারে ফাইবারের ঘাটতি। পেয়ারাতেও প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত এসব ফল খান।

২.অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর ও ক্যানসার প্রতিরোধী গুণে সমৃদ্ধ পালং শাক শীতকালে সত্যিই হয়ে উঠতে পারে সুপার ফুড। ভিটামিন ও খনিজ তো রয়েছেই, তার সঙ্গে বাড়তি ওজন কমাতেও অত্যন্ত কার্যকর সবুজ পালং শাক।

৩. শীতকালে বাজারে প্রচুর পরিমাণে সবজি পাওয়া যায়। বিট, গাজরের মতো শীতকালীন সবজি ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করতে ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে অত্যন্ত উপযোগী। তাই শীতকালে সুস্থতার চাবিকাঠি হতে পারে এসব সবজি।


আরও খবর

চোখ রাঙাচ্ছে এডিস মশা

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




২০২৬ সালের মধ্যে তিস্তা সংকট মিটে যাবে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, আশা করি ২০২৬ সালের মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে চলমান সংকট মিটে যাবে। কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাস আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারের নয়, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে তিস্তা। আলোচনা হয়েছে, ভারতের জাতীয় নির্বাচনের পর একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো। তাদের সঙ্গে ২০২৬ সাল পর্যন্ত গঙ্গা চুক্তিও আছে। আশা করি এর মধ্যেই পানি চুক্তির সমাধান হবে।

তিস্তা চুক্তি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, আমাদের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিজনেস করতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করবে।

অপর একটি প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ অংশে তিস্তার উপরে ব্যারেজ নিয়ে আলোচনা হয়নি, এটি নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করছি।

ভারতের সঙ্গে আমাদের খুব আত্মিক এবং উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

মিয়ানমার সীমান্তে দেশটির রক্ষীদের অনুপ্রবেশের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি সমাধানে কিভাবে একযোগে কাজ করা যায় এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কীভাবে ফেরত পাঠানো যায়, সেসব বিষয়েও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

ভারতের সঙ্গে ৪০ বছরের বেশি পুরোনো ছিটমহল সমস্যা যখন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পেরেছি, টাঙ্গাইল শাড়ির সমস্যার সমাধানও হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

এসময় কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াসসহ মিশনের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় সীমান্তে অনেক রোহিঙ্গা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মিয়ানমারে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে যাতে রোহিঙ্গারা ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারে নাফ নদীতে সর্বোচ্চ সতর্ক পাহারায় রয়েছে বর্ডার গার্ড (বিজিবি)। টেকনাফের দমদমিয়ায় নাফ নদী ও শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তে উন্নতমানের স্পিডবোট দিয়ে জালিয়ার দ্বীপসহ আশপাশের এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের-২ অধিনায়ক লে. কর্নেল মো: মহিউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, নাফ নদী অতিক্রম করে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি কোনো লোকজন যাতে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। টেকনাফের সীমান্ত পয়েন্টে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মিয়ানমারে সামরিক জান্তা বাহিনীর সাথে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের গোলাগুলি ও সংঘর্ষের কারণে দেশটির রোহিঙ্গারা নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করছে। তবে রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের মাঝি আবু বক্কর বলেন, মিয়ানমারের সাগরের তীরে হাজার হাজার রোহিঙ্গার অবস্থান দেখা গেছে। কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫টি রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকা দেখা যায়। সেসব নৌকায় করে এই পারে ঢোকার চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। কিন্তু বিজিবি ও কোস্ট গার্ডের ভয়ে তারা অনুপ্রবেশ করতে পারছে না।

স্থানীয় জেলে কবির আহমেদ বলেন, রোহিঙ্গাদের এলাকায় আরাকান আর্মি ঢুকে পড়েছে। এতে সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় তাদের অন্য জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। তাই কয়েক হাজার রোহিঙ্গা প্রাণে বাঁচতে বিলে, সাগরের তীরে আশ্রয় নিয়েছে। তারা যেকোনো মুহূর্তে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করবে কি না জানি না। রাতের বেলায় তারা শাহপরীর দ্বীপসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে পারে। তবে তাদের ঠেকিয়ে রাখছে বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

এদিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে টেকনাফ সীমান্তের হ্নীলা, সাবরাং ও সেন্টমার্টিনের নাফ নদীর বিপরীতে মিয়ানমার সীমান্তে। প্রতিদিনই এসব এলাকায় গোলাগুলি ও মর্টার শেলের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা।

মিয়ানমারের মংডুর সিকদার পাড়ার রোহিঙ্গা সেলিম বলেন, আমাদের তিনটি গ্রাম ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রাণে বাঁচতে বাড়িঘর ছেড়ে চরে আশ্রয় নিয়েছি। সাগরে বাংলাদেশের বাহিনী বেশি থাকায় সেখানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমরা চেষ্টা করব সেখানে ঢোকার। না হলে বাঁচতে পারব না।

তিনি বলেন, হেলিকপ্টার থেকে বোমা মারছে। আমাদের কয়েকটি গ্রাম থেকে গোলাগুলি হচ্ছে। গ্রামগুলো হচ্ছে মংডু কাদিরবিল, নুরুল্যাহ পাড়া, বাগগুনা, নর বাইন্যা, থানাশো। এসব এলাকা থেকে রোহিঙ্গা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের জলসীমাজুড়ে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক স্পিড বোট দিয়ে টহল দেয়া হয়। কোনো অনুপ্রবেশকারীকে ঢুকতে দেয়া হবে না।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁর জহুরুল জিরা চাষে সফল, জিরা চাষে আগ্রহী অন্য কৃষকরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

নওগাঁয় কৃষক জহুরুল ইসলামের জিরা চাষ করা দেখে অন্য কৃষকরাও জিরা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। দেশে জিরার চাহিদার পুরোটায় আমদানী করা হয় বিদেশ থেকে। আর এই মূল্যবান জিরা চাষ করে এলাকার লোকজন তথা কৃষকদের মাঝে সাড়া ফেলেছেন নওগাঁর রানীনগর উপজেলার শিয়ালা গ্রামের কৃষক জহুরুল ইসলাম। কৃষক জহুরুল ইসলাম এর পরীক্ষা মূলক জিরা চাষ দেখে আগ্রহ বাড়ছে অন্য কৃষকদেরও।

এক সময় এ গ্রামের মাঠ-জুড়ে দেখা যেত সবজির খেত। এখন সেই মাঠে চোখে পড়ে মসলা জাতীয় ফসলের খেত। এই ফসলের (জিরা) চাষ করেই চমক দেখিয়েছেন কৃষক জহরুল ইসলাম।নওগাঁর রানীনগর উপজেলার গ্রামের নাম শিয়ালা। জিরা মসলা জাতীয় ফসল। দেশে জিরার চাহিদার পুরোটায় আমদানি নির্ভর। আর সেই মূল্যবান জিরা চাষ শুরু করেছেন কৃষক জহরুল ইসলাম। এই গ্রামের তার এই পরীক্ষা মূলক জিরা চাষ দেখে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় অন্য কৃষকদেরও। এই অঞ্চলে মসলা ফসল জিরা চাষে কৃষক পাবে বিকল্প পথ এমনটাই আশা করছেন স্থানিয় সচেতন মহল।

প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে জিরা ব্যবহার করা হয়ে আসছে। জিরা শুধু রান্না কাজে মশলা হিসেবে ব্যবহার হয় না, বহু রকমের বিশেষ ঔষধী গুণ সম্পন্ন জিরা। এটি শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ায় তা নয়, শরীরের নানা সমস্যা সমাধানে জিরার জুড়িমেলা ভার।

কৃষক জহুরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় দেশী ও বিদেশী সবজী চাষ করে থাকেন। হঠাৎ কয়েক বছর থেকে বাজারে জিরার দাম আকাশ ছোয়া অর্থাৎ বেশি হওয়ায় জহুরুল ইসলাম সবজীর পাশাপাশি জিরা চাষে উদ্বুদ্ধ হোন। এরপর অনলাইনে চাষাবাদ প্রদ্ধতি দেখতে শুরু করেন এবং অনেক চেষ্টা করে অনলাইন এর মাধ্যমে ভারত থেকে প্রায় ১ হাজার টাকা খরচ করে ৫০০ গ্রাম জিরা বীজ সংগ্রহ করেন। এরপর স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে ৯ শতক জমিতে এই জিরা বীজ রোপণ করেন। বর্তমানে জহুরুল ইসলাম এর জিরা গাছে ফুল ও জিরা আসতে শুরু করেছে। তিনি পরীক্ষা মূলক জিরা চাষে অনেকটা সফল হওয়ায় স্থানীয় কৃষদের মধ্যেও জিরা চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

কৃষক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে বীজ সংগ্রহের পর পানিতে ৩০টি জিরা বীজ ভিজে টিস্যুর মধ্যে রেখে পরীক্ষা করি, কি পরিমান গাছ গজাবে। পরে ৩০টির মধ্যে ২৫টি গাছ ওঠে গেছে। এর পরই ৯ শতক জমি হালচাষ ও সার ছিটিয়ে বীজ রোপন করি। বীজ রোপনের ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে জিরা গাছগুলো উঠতে শুরু করে। পরে বৃষ্টির কারনে কিছু গাছ নষ্ট হয়ে যায়। বাকি গাছগুলো ভালো করে যত্ন নেয়া শুরু করি।

তিনি আরো বলেন, যেভাবে সরিষার চাষ করা হয় একই রকমভাবে জিরা চাষ করেছি। এরই মধ্যে গাছে ফুল ও জিরা ধরতে শুরু করেছে। গাছে যতগুলো ফুল, ততগুলোই জিরা ধরছে। হিসেব করে দেখছি যেভাবে জিরা ধরছে তাতে ৯ শতক জমি থেকে ২০ থেকে ২২ কেজি জিরা পাওয়া যাবে। বাজারে জিরার দাম ভালো থাকায় যার বাজার মূল্যে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারিব। তাতে জিরা চাষ একটি লাভজনক ফসল মনে হয়েছে। তবে জিরা চাষ শীতকালে ভালো হয়। বীজ বপণের ৩ থেকে সারে ৩ মাস সময় লাগে জিরা ঘরে উঠতে। এবছর পরীক্ষা মূলক ভাবে জিরা চাষ সফল দাবি করে আগামীতে আরো বড় পরিসরে জিরা চাষাবাদের পরিকল্পনা করছেন বলে জানান কৃষক জহুরুল ইসলাম।

স্থানীয় তানজিব হোসাইন নামে কৃষক পরিবারের যুবক বলেন, জহরুল ভাই নতুন ফসল জিরা চাষ করেছেন। জিরা চাষ ইতি পূর্বে আমরা কখনো দেখিনি। প্রথম হলেও খুব সুন্দর তার জিরার গাছ হয়েছে। বাজারে জিরার দাম ভালো রয়েছে। চিন্তা করছি তার দেখাদেখি আমরাও জিরা চাষ করবো এবং জিরা চাষ করে লাভবান হওযার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অপর কৃষক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমাদের এই এলাকায় জিরা চাষ প্রথম হিসেবে মোটামুটি গাছ ভালোই হয়েছে জহুরুলের। শুনলাম তার এই জমিতে ২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে আর পাবে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা মতো। কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করলে আমরাও জিরা চাষ করবো।

জিরা চাষ বিষয়ে নওগাঁর রানীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা হক বলেন, জহুরুল ইসলাম উদ্যোগী একজন কৃষক। তিনি নতুন ফসল হিসেবে জিরা পরীক্ষা মূলক ভাবে চাষ করেছেন। তার জিরা চাষ কৃষি বিভাগ সার্বক্ষনিক নজরদারী করছে। আমরা শেষ পর্যন্ত এটার ফলন কেমন হয় সেটা দেখবো। তিনি জিরা চাষে সফল হলে উঠান বৈঠক, সভা, সেমিনার করে অপর কৃষকদের জিরা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, দেশে যে পরিমাণ জিরার চাহিদা তার পুরোটাই আমদানী করতে হয়। জিরা মসলা এখনও বাংলাদেশ আমদানী নির্ভর। তাই এই জিরা চাষে সফল হলে কৃষিতে বানিজ্যকরন ও জিরা উৎপাদন করে আমদানীর পরিমাণ কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তা।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁ-২ আসনে বিজয়ী হলেন নৌকার প্রার্থী শহিদুজ্জামান সরকার বাবলু

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টার :

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২, পত্নীতলা-ধামুরহাট আসনে বে-সরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকা মার্কার প্রার্থী শহিদুজ্জামান সরকার বাবলু। তিনি ১ লাখ ১৮ হাজার ৯শ' ৪১ ভোট পেয়ে বে-সরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাক মার্কা প্রতিকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আকতারুল আলম পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৩শ' ৮১ টি ভোট। এ আসনে মোট ভোটারের ৫৭.১১ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। 

নওগাঁ জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, এই আসনের ১শ' ২৪ টি ভোট কেন্দ্রের অধিনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৫৬ হাজার ১শ' ৩২ জন। 

ধামইরহাট উপজেলার ৫৩টি ভোট কেন্দ্রের অধিনে মোট ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৮ হাজার ৩শ' ১ জন, মহিলা ৭৮ হাজার ৭শ' ১৩ জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন। অপরদিকে পত্নীতলা উপজেলায় ৭১টি কেন্দ্রের অধিনে

মোট ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ১শ' ১৭ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ২শ' ৭১ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ৮শ' ৪৬ জন।

নওগাঁ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ আসনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৩শ' ৯১জন ভোটার। এরমধ্যে বৈধভোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮শ' ৩২ টি এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৫শ' ৫৯ টি ভোট। প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকার প্রতীক নিয়ে) শহীদুজ্জামান সরকার বাবলু পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯শ' ৪১ ভোট, স্বতন্ত্র (ট্রাক প্রতীক) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৩শ' ৮১ ভোট, জাতীয় পার্টির মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৪ ভোট এবং ঈগল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী মাহমুদ রেজা পেয়েছেন ১ হাজার ৪শ' ২৬ টি ভোট। নির্ধারিত প্রাপ্ত ভোটের ৮ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী মাহমুদ রেজা তাদের জামানত হারাচ্ছেন। 

উল্লেখ্য যে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হকের মৃত্যুর কারণে এ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তীতে নতুন ভাবে তফসিল ঘোষণার পর দু'একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আনন্দ-মূখর পরিবেশে সোমবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ সম্পূর্ন হয়েছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশিরের করা মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা! ডিবি কর্মকর্তার মনগড়া প্রতিবেদন

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় চাঁদাবাজি কেন্দ্রীক আদালতে গায়েবি ও হাস্যকর প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে গিয়াস উদ্দিন নামে এক তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে করা মামলায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ‘তিন সংবাদকর্মীসহ চার জন ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও দুই টন রড নিয়ে গেছে’ উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে রীতিমত হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন কক্সবাজার গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন ‘দৈনিক খোলা কাগজ’ পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন। তার অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত জেরে একটি চাঁদাবাজি মামলার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন। ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করার পর, বাকি টাকা না পেয়ে ‘রড-সিমেন্ট নিয়ে গেছে’ বলে মনগড়া প্রতিবেদন দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইজিপি ও ডিআইজিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার, রাষ্ট্রদ্রোহী, হত্যা, সন্ত্রাসী, নাশকতা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলাসহ দেশজুড়ে অগণিত মামলায় অভিযুক্ত আসামি বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে, গত ৩১ডিসেম্বর চারজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে কক্সবাজার আদালতে একটি মিথ্যা মামালা দায়ের করেন।

আদালত ওই মামলা জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিলে তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন বাদী বশিরের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, বিতর্কিত একটি গায়েবি রিপোর্ট আদালতে দাখিল করে আদালত পাড়ায় হস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার বশির আহমদ ওরফে বশির মাহমুদ একটি সাজানো চাঁদাবাজি মামলা দাখিল করেছেন।

ভুক্তভোগীদের পক্ষে সাংবাদিক মুসলিম উদ্দিন জানান, তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন আমাকে তার কার্যালয়ে ডেকে অফিস খরচের কথা বলে টাকার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রেখে সেখানে নানা ধরণের বেআইনী প্রস্তাব দেন। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের পক্ষে দেবেন মর্মে এক লক্ষ টাকা দাবি করেন। ওই সময় তিনি বলেন, ‘টাকা না দিলে চাঁদাবাজির প্রতিবেদন দাখিল করলে মামলায় আট বছর থেকে সর্বনিম্ন পাঁচ বছর সাজা হবে। কি করবেন দেখেন, অন্যথায় এক মাসের মধ্যে জেলের ভাত খাওয়াবে’ মর্মে টাকার জন্য হুমকি দেন। 

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন উক্ত প্রতিবেদনে আমাদের পূর্বের মামলার আসামিদের ‘নিরপেক্ষ সাক্ষী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রতিবেদনটিতে বাদীর আর্জির পূণরাবৃত্তি করেছেন। বাদী তার আর্জিতে অভিযোগ করেছে, আমরা নাকি বাদীর কাছে চাঁদা না পেয়ে রাত ১১টায় বাদীর বসতঘর থেকে দুই টন রড আর ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট নিয়ে এসেছি। যা হাস্যকর কথা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে যাদের নিরপেক্ষ সাক্ষী বানানো হয়েছে তারা মামলার অভিযুক্ত মুসলিম উদ্দিনের দায়ের করা জিআর-৪৮৩/১৯ইং ও তার বাবা বাদী হয়ে দায়ের করা জিআর-৩৮৯/১৯ইং মামলার আসামি।

এছাড়াও উক্ত মামলার বাদীর সঙ্গে পূর্ব বিরোধের কারণে  মুসলিম উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরিও লিপিবদ্ধ করি। যার নং- ৬৪৪/২৪ইং। ভুক্তভোগীর এমন অভিযোগের ভিক্তিতে (ভুক্তভোগীর দাবিকৃত মিথ্যা মামলার) বাদীর ফৌঃ দরখাস্ত ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বশির আহম্মদ বাদী হয়ে আদালতে চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগ তুলে গত ৩১ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তকারী বাদীর অভিযোগের সাথে মিল রেখে মাত্র ২৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে টাকা না পেয়ে বাদীর অন্যায় সুবিধা নিয়ে ভিত্তিহীন একটা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

কথিত মামলার ঘটনাস্থলের আশেপাশে বসবাসকারী মোমেনা খাতুন, রাশেদা, ছকিনা খাতুনসহ স্থানীয়রা বলেন, এলাকায় চাঁদা দাবি কিংবা চাঁদা না পেয়ে লোহার রড-সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। এছাড়াও ১০০ ব্যাগ সিমেন্ট ও ২ টন লোহার রড নিয়ে যেখানে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের বেগ পেতে হয়; সেখানে কেবল ৪ জনই এতো ভারী মালামাল নিয়ে যাওয়ার গল্প পাগল-শিশুও বিশ্বাস করবেনা। তাদের মতে, তদন্ত কর্মকর্তা রহস্যজনক কারণে অতি উৎসাহী হয়ে একটি সাজানো মামলার অদ্ভুত প্রতিবেদন দিয়ে হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন। এই ধরনের কর্মকর্তাদের কারণে ভবিষ্যতে যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে সাজানো মামলা করতে উদ্বুদ্ধ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, তিনি তদন্তে যা পেয়েছেন, তাই আদালতে জমা দিয়েছেন।


আরও খবর