Logo
শিরোনাম

তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে আশ্বাস দিলেন মোদি

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডেস  ডিজিটাল ডেস্ক:


নতুন সরকার গঠনের পর এই প্রথম বিদেশি অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 



প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে ৭টি নতুন এবং পুরনো ৩টি নবায়নসহ ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এ সময় কথা হয় তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়েও। 



মোদি আশ্বস্ত করে জানান, তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আলোচনা করতে দ্রুতই ভারতের একটি কারিগরি দল বাংলাদেশ সফর করবে।



এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১২টার কিছু আগে হায়দরাবাদ হাউসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিবাদন জানান ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।


ফটোসেশনের পর হায়দরাবাদ হাউসের নিলগিরি বৈঠক কক্ষে একান্ত বৈঠকে বসেন নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনা। আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে নিজেদের মধ্যে একান্তে কথা বলেন দুই সরকারপ্রধান।


এরপর হায়দরাবাদ হাউসের গার্নার হলে দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বসে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক। যেখান থেকে দুই দেশের মধ্যে ১০টি সমঝোতা সই হয়।


 যেগুলোর মধ্যে ৭টি নতুন আর পুরনো তিনটি সমঝোতা নতুন করে নবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর কৈলাস হলে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংবাদ বিবৃতি দেন।




আরও খবর



বিশ্বের ইতিহাসে উষ্ণতম বছর ২০২৪

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিশ্বে চলতি বছরের জুন ছিল সবচেয়ে উত্তপ্ত মাস। সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু বিষয়ক পর্যবেক্ষক এ কথা বলেছেন। বিশ্বে ২০২৩ সালের জুনে যে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল গত মাসে তা ভেঙে গেছে।

কিছু বিজ্ঞানী বলছেন, প্রায় প্রতি মাসে অস্বাভাবিক মাত্রায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ২০২৪ হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণতম বছর।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস (সিথ্রিএস) বলেছে, ২০২৩ সালের জুন থেকে গত ১৩ মাসের প্রত্যেকটিতে তাপমাত্রা পূর্বের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুনটেম্পো বলেছেন, এটি আমাদের জলবায়ুর ব্যাপক ও অব্যাহত পরিবর্তনকেই তুলে ধরে।

তিনি আরো বলেছেন, বিশ্ব উষ্ণাতার জন্যে দায়ি গ্যাস পরিবেশে যতদিন মানুষ সংযুক্ত করতে থাকবে ততদিন এটিই অনিবার্য।

সিথ্রিএসের একজন সিনিয়র বিজ্ঞানী জুলিয়েন নিকোলাস বলেছেন, রেকর্ড ভাঙা এ তাপমাত্রার সাথে যুক্ত হয়েছে জলবায়ুর এল নিনো প্রভাব যা বিশ্ব উষ্ণতাকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে এটিই একমাত্র কারণ নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, নিকোলাস বলেছেন, বিশ্বে লা নিনোর প্রভাবও শুরু হতে যাচ্ছে। এর প্রভাবে আবহাওয়া ঠাণ্ডা হয়।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আগামী কয়েকমাসে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।

তবে বার্কেলি আর্থের গবেষক বিজ্ঞানী জেক হসফাদার বলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে উষ্ণতম বছর হতে যাচ্ছে ২০২৪। আমি এখন অনুমান করছি যে উষ্ণতম বছর হওয়ার দিক থেকে ২০২৪ সাল ২০২৩-কে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯৫ শতাংশ।


আরও খবর



ছুটি কমিয়ে খুলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট:


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবারের গ্রীষ্মের ছুটি কমানো হয়েছে।


 আজ বুধবার (২৬ জুন) থেকে খুলে দেয়া হচ্ছে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।



যদিও ঈদুল আজহা, গ্রীষ্মকালীন ছুটিসহ আগামী ৩ জুলাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ছিল। কিন্তু পরে তা কমিয়ে ২৬ জুন পর্যন্ত করা হয়।



তাপমাত্রা নিয়ে যে সুসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস

এবার পবিত্র ঈদুল আজহা এবং গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়েছে ১৩ জুন থেকে, ২ জুলাই পর্যন্ত যা চলার কথা ছিল।


ছুটি সংক্ষিপ্ত করার কারণ হিসেবে  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুক্তি হলো, পাঠদানের কর্মদিবস বছরব্যাপী কমেছে। এ ছাড়া শনিবারের বন্ধ পুনর্বহাল করার কারণে কর্মদিবস কমে যাবে। 



এ জন্য গ্রীষ্মের ছুটির এক সপ্তাহ কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।


তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমেনি।  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষাপঞ্জি হিসেবে আগামী ২ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয়।


 ৩ জুলাই যথারীতি শুরু ক্লাস শুরু হবে। একইসঙ্গে এখন থেকে স্কুল-কলেজে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবার দুদিনই বহাল থাকবে।



আরও খবর



যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে ইইউ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image



বিডি টুডে ডিজিটাল ডেস্ক :


ইসরায়েলের ওপর হামলার হুমকির পাশাপাশি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইইউ সদস্য দেশ সাইপ্রাসকেও সতর্ক করেছে।


 সেই দেশের ওপর হামলা হলে ইইউ ও ব্রিটেনও সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   


গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের মাঝে হিজবুল্লাহর সঙ্গেও ইসরায়েল পুরোদস্তুর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে তার আঁচ গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হিজবুল্লাহ প্রধান সৈয়দ হাসান নাসারাল্লাহ ইসরায়েলের পাশাপাশি এই প্রথম ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ সাইপ্রাসের ওপরও হামলার হুমকি দিয়েছেন।


তার বক্তব্য অনুযায়ী, ভূমধ্যসাগরের অন্যান্য অংশেও তার গোষ্ঠী হামলা চালাতে পারে। ইসরায়েলের পুরো ভূখণ্ডসহ আশেপাশের যেকোনো এলাকার ওপর জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে সুনির্দিষ্ট হামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।


লেবাননের সঙ্গে সুসম্পর্ক সত্ত্বেও সাইপ্রাস ইসরায়েলকে নিজস্ব বিমানবন্দর ও সামরিক ঘাঁটি ইসরায়েলকে সামরিক মহড়ার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়ায় হিজবুল্লাহ নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেখান থেকে লেবাননের ওপর হামলা চালানো হলে সাইপ্রাসের সরকারও যুদ্ধের অংশ হয়ে উঠবে বলে নাসরাল্লাহ হুঁশিয়ারি দেন। 


সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোদুলিদেস অবশ্য এমন অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তার দেশ কোনো সংকটেই কোনো পক্ষকে সমর্থন করছে না। তিনি বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ত্রাণ পৌঁছানোর ক্ষেত্রে নিজের দেশের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। 


তার মতে, আরব দেশগুলি ও আন্তর্জাতিক সমাজ সেই ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিচ্ছে। সাইপ্রাস প্রকাশ্যে সরাসরি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে কোনো সহায়তা দেয়নি। তবে সাইপ্রাসের বিশাল আকাশসীমার মধ্যে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী মাঝেমধ্যে মহড়া চালানোর অনুমতি পেয়েছে।


 সেই দেশে ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটি থেকে অতীতে সিরিয়া ও সম্প্রতি ইয়েমেনে হামলা চালানো হয়েছে। সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবে ব্রিটেনের দুটি সামরিক ঘাঁটি সেই দেশে সক্রিয় রয়েছে।   


ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ও সিরিয়ার বাশার আল আসাদের সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে আরো বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। 


জাতিসংঘ ও মার্কিন প্রশাসন উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে বুধবার মার্কিন বিমানবাহিনী ইয়েমেনে হুতি-নিয়ন্ত্রিত এলাকার ওপর হামলা চালিয়েছে। সেখান থেকে লোহিত সাগরে জাহাজের ওপর হামলা চালানো হচ্ছিল বলে অ্যামেরিকা দাবি করেছে।


গতকাল বুধবার ইসরায়েলি বিমানবাহিনী লেবাননের দক্ষিণে হিজবুল্লাহর কয়েকটি স্থাপনার ওপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে। হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের উত্তরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এক দিন আগে সেই গোষ্ঠী ইসরায়েলের উত্তরে নিজস্ব ড্রোন থেকে তোলা ভিডিও প্রকাশ করে হাইফা শহর ও বন্দরে সামরিক স্থাপনার ওপর হামলার হুমকি দিয়েছিল। সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


 



আরও খবর



বৃষ্টিতে উপেক্ষা করেও মাভাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের কোটা আন্দোলন

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ |

Image

মো: হ্নদয় হোসাইন,মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :

কোটা বাতিলের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সরকারি চাকরিতে কোটা-পদ্ধতি বাতিল ও ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে মাভাবিপ্রবি থেকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের থেকে জানা যায়, আজ শনিবার সকাল ৮ ঘটিকা থেকেই  বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে এই  মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ দ্বিতীয় দিনের মতো শুরু হয়। এরপর সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে দলে দলে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। পরবর্তীতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক অবরোধের সিদ্ধান্ত নেয়। টাঙ্গাইল শহর থেকে পায়ে হেঁটে এসে তারা মহাসড়কে অবস্থান নেয়। সকাল ১০.৩০ ঘটিকা থেকে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত মহাসড়কে অবস্থান নেন।  

সরেজমিনে টাঙ্গাইলের নগর জলফৈ (বাইপাস) এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক অবরোধ করে কোটা বাতিলের আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে শুরু করেন। 'সারা বাংলায় খবর দে-কোটা প্রথার কবর দে, বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, শেখ হাসিনার বাংলার- বৈষম্যের ঠাঁই নাই, কোটা না মেধা মেধা-মেধা, মেধা যার- চাকরি তার সহ বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে আন্দোলনকে মুখরিত করে তোলে। এ সময় মহাসড়কে প্রায় ২০ কিলোমিটার যানবাহন চলাচল থেমে যায়।  অ্যাম্বুলেন্সসহ সকল জরুরি যানবাহনের জন্য আলাদা লেন করে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা কখনও সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন করতে চাই না, আমরা পড়াশোনা করতে চাই। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। কারণ যে পরিমাণ কোটা, তাতে দেশের মেধাবীরা চাকুরি না পেয়ে দেশের বাইরে চলে যাবে, দেশে সরকারি চাকুরিতে করার আগ্রহও হারাবে।

সমাবেশে  অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তৌকির আহমেদ বলেন, বৈষম্যমূলক কোটার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। আমরা ইতোপূর্বেও সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। এ বৈষম্য দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব। 

টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং  বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রাকিব বলেন,  এই আন্দোলন কোনো সরকার বিরোধী আন্দোলন না, এই আন্দোলন আমাদের সকলের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের আন্দোলন। যৌক্তিক দাবি আদায়ের আন্দোলন। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চাই।


আরও খবর



ফয়সালের শ্বশুর-শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ |

Image

বিডি টুডেস রিপোর্ট: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রথম সচিব কাজী আবু মাহমুদ ফয়সালের শ্বশুর ও শাশুড়ির নামে ১৮টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এসব ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১৯ কোটি টাকা জমা হওয়া এবং পরে তার বড় অংশ উত্তোলনের তথ্য পেয়েছে। 


আদালতে জমা দেওয়া দুদকের নথি থেকে জানা যায়, ফয়সালের শ্বশুরের নাম আহম্মেদ আলী। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। তার শাশুড়ি মমতাজ বেগম পেশায় গৃহিণী।


দুদক বলছে, শ্বশুর ও শাশুড়ির নামের ব্যাংক হিসাবে যে অর্থ লেনদেন হয়েছে, তা ফয়সালেরই অপরাধলব্ধ আয়। ফয়সাল ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ নিজের ও স্ত্রীর নামে রাখার পাশাপাশি স্বজনদের নামেও রেখেছেন।


দুদক আরও বলছে, ফয়সাল ও তার ১১ স্বজনের নামে ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ৮৭টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করা হয়েছে। তার শ্বশুর-শাশুড়ির ব্যাংক হিসাবে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে।


দুদক আদালতে জানিয়েছে, ফয়সাল তার অপরাধলব্ধ আয় লুকানোর জন্য স্বজনদের নামে ৭০০টির মতো ব্যাংক হিসাব খুলেছিলেন। এর মধ্যে ৮৭টি ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছে দুদক।


জানা গেছে, ফয়সাল ২০০৫ সালে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। বর্তমানে এনবিআরের আয়কর বিভাগের প্রথম সচিব (ট্যাক্সেস লিগ্যাল অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।


ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছর ফয়সালের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে গত বৃহস্পতিবার ফয়সাল ও তার আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদের বিবরণী আদালতের কাছে তুলে ধরে সংস্থাটি।


দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফয়সাল ও তার স্ত্রীর নামে থাকা ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে ৫ কাঠার দুটি প্লট, শ্বশুরের নামে থাকা ঢাকার রমনা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, খিলগাঁওয়ে শাশুড়ির নামে ১০ কাঠার প্লট জব্দ এবং ৮৭টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন।


দুদকের নথিতে ফয়সাল, তার স্ত্রী আফসানা জেসমিন, ফয়সালের ভাই কাজী খালিদ হাসান, শ্বশুর আহম্মেদ আলী, শাশুড়ি মমতাজ বেগম, শ্যালক আফতাব আলী, খালাশাশুড়ি মাহমুদা হাসান, মামাশ্বশুর শেখ নাসির উদ্দিন, আত্মীয় খন্দকার হাফিজুর রহমান, ফারহানা আফরোজ ও রওশন আরা খাতুনের ব্যাংক হিসাবে লেনদেনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।


আদালতে জমা দেওয়া দুদকের তথ্য বলছে, ফয়সালের নামে ছয়টি ব্যাংক হিসাবে ৫ কোটি ২১ লাখ টাকা জমা হয়। ফয়সালের স্ত্রী আফসানা জেসমিনের পাঁচটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা।



 ফয়সালের শ্বশুর আহম্মেদ আলীর আটটি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ১১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। তার নামের আটটি ব্যাংক হিসাবের দুটি ২০০৭ ও ২০১০ সালে খোলা। বাকিগুলো খোলা হয় ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। 



ফয়সালের শাশুড়ি মমতাজ বেগমের নামে ১০টি ব্যাংক হিসাবে ৭ কোটি টাকা জমা হয়। তার নামের ব্যাংক হিসাবগুলোর মধ্যে একটি ২০০৯ সালে খোলা হয়। বাকিগুলো খোলা হয়েছে ২০১৬ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। 


ফয়সালের শ্যালক আফতাব আলীর ৬টি ব্যাংক হিসাবে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা জমার তথ্য পেয়েছে দুদক।


বিভিন্ন সময়ে এসব টাকা জমা হয়েছে। পরে তার বড় অংশ তুলে নেওয়া হয়েছে। জমা ও উত্তোলনের পর ফয়সাল, তার স্ত্রী, শ্বশুর ও তার স্বজনদের ১৯টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে রয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা। তাদের নামে রয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র।



আরও খবর