বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মতামত আবারো সক্রিয় দেশবিরোধী চক্র!

আবারো সক্রিয় দেশবিরোধী চক্র!

রাজাকার গোলাম আজমের পুত্র আমান আ/জমীর নেতৃত্বে তারা দুই ধাপের কর্মসূচী নির্ধারণ করেছে— যেগুলোর নাম দিয়েছে "অপারেশন দমন" এবং "অপারেশন দখল"। 

আজমী'র সাথে আছে গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসা, বিগত আওয়ামী লীগ আমলে দেশদ্রোহীতা ও জঙ্গি তৎপরতার কারণে জেলে আটক থাকা জঙ্গীবাদের এনেবলাররা— রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, "আমার দেশ" সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, অতীতে জঙ্গিবাদ ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত সামরিক অফিসার হাসিনুর রহমান।

অভিযোগ করা হয়– চব্বিশের জুলাইতে সাধারণ মানুষ হত্যা করতে যে স্নাইপারের আক্রমণে টার্গেট কিলিং হয়েছিলো, সেসব প্রশিক্ষিত স্নাইপারদের নিযুক্ত করা ও তাদেরকে পরিচালনার পেছনে ছিলো এই হাসিনুর। আর তুরস্ক-পাকিস্তানের সাথে লিয়াঁজো রেজ্জাকুল হায়দার আর মাহমুদুর রহমান।

"অপারেশন দমন"-এর লক্ষ্য একটাই— যে কোনো উপায়ে আওয়ামী লীগ দমন করা— আরও কিছু লোককে ফাঁসি-যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়ে, এমনকি টার্গেট করে আরও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদেরকে হত্যা করে হলেও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যেন ডিসেম্বরে মাথা তুলতে না পারে, তারা যেন সংঘবদ্ধ হতে না পারে।

গত দু'বছরে সারা দেশে অবৈধ অস্ত্র আর জঙ্গিদেরকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বছর টোকাই আসিফ মাহমুদের তত্ত্বাবধানে সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দিয়ে ৮৫০ জনের একটা তরুণ মিলিশিয়া জঙ্গি বাহিনীও গঠন করা হয়েছে।

এর সাথে গত মাসেই রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী পাকিস্তানি জাহাজে করে তুরস্ক থেকে ১০ হাজার অস্ত্র এনেছে, যেগুলো সংগ্রহ করতে জামাত-এনসিপি লং মার্চের নাম করে গাড়ির বহর নিয়ে চট্টগ্রামে গিয়েছিলো। তারপর সেসব অস্ত্র ইতিমধ্যে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়াও হয়ে গেছে। 
চূড়ান্ত "অপারেশন দখল"-এর আওতায় তাদের প্রথম লক্ষ্য গণভবন দখল করে প্রেসিডেন্ট মীর্জা ফখরুলকে সরিয়ে দিয়ে বিপ্লবী সরকারের ঘোষণা দেওয়া, যে বিপ্লবী সরকারের প্রধান হয়ে বসবে মার্কিন ল্যাপডগ ডক্টর ইউনুস। 

তাদের পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় হয়তো নতুন করে তাদের "দমন-দখল" ষড়যন্ত্রের রূপরেখা কিছুটা বদলাবে, তবে মোটা দাগে তাদের লক্ষ্য আর সময়সীমা একই থাকবে বলেই ধারণা করা যায়। রাজাকার গোলাম আজম পুত্র আমান আজমীর নেতৃত্বে। তাদের নেটওয়ার্কে আছে রাওয়া ক্লাব কেন্দ্রিক একপাল সাবেক সেনা কর্মকর্তা, জামাত-এনসিপি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কিছু নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই আর তুরস্কের এমআইটি।

খুঁজুন