মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
বনানী বিদ্যানিকেতনে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা • সিডনিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ মহালয়া ও মেলা ২০২৬’, • সরকারের ভেতরের প্রশাসনিক দুর্বলতা • আপনার সন্তান কম মেধাবী, নাকি পৃথিবীটাকেই ঝাপসা দেখছে? • নারায়ণগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে তিতাস কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা • রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র : ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে বদলে যাবে • অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে "ট-র্চা-র সেল"! • রংপুরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার - ৯টি • বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-৪-এ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ, দালালদের মাধ্যমে দ্রুত সেবা পাওয়ার দাবি • বিশ্ব ডিম দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিএলআরআইতে বর্ণাঢ্য আয়োজন
দেশের খবর আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কোরবানির মাংস দেড় হাজারের উপরে ভাগ করা হয়

আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কোরবানির মাংস দেড় হাজারের উপরে ভাগ করা হয়



সদরুল আইন:


ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামে ঈদ উল আজহা উপলক্ষে দেশের অন্যতম কোরবানির মাঠে ১৫৬টি খাসি ৭০টি গরু কোরবানী করা হয়েছে।


 কোরবানির মাংসের বন্টন হয়েছে ১৫শ ৫৫টি। আাড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী কোরবানির মাঠ দেশের বৃহত্তম কোরবানির মাঠ বলে বলে দাবী করেন অনেকে।  


উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের বৈলাজান গ্রামের কোরবানির মাঠটি দুটি ঈদগাহ ও সাতটি মসজিদ সমাজ নিয়ে গঠিত। এ কোরবানির সমাজের এ বছর ১৫৬টি খাসি ও ৭০টি গরু কোরবানি করা হয়েছে। 


জানা যায়, বৈলাজান কোরবানির মাঠে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় পশু জবাই, মাংস তৈরির কাজ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। এ উপলক্ষে মাঠে বিরাজ করে আনন্দ ঘন পরিবেশ। 


যার যার কোরবানিকৃত পশুর মাংস বানাতে নিজেরাই ব্যস্ত  হয়ে পরে। মাঠে এক পাশে বসে দোকান। ছোট ছেলে মেয়েরা আনন্দ উল্লাস করে থাকে। এ কোরবানির মাঠে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী নিয়ম।



 এখানে পশু জবাই করার পর তা তিন ভাগের একভাগ মাংস জমা রাখতে হয়। যেখানে জমা রাখা হয় তাকে বলা হয় পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতে দায়িত্বে থাকা সেচ্ছাসেবীরা কোরবানি সমাজের ১৫৫৫টি খানার মধ্যে তা সমান হারে বন্টন করে যার যার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।



পঞ্চায়েত সভাপতির দায়িত্ব থাকা ইউপি সদস্য মো. শাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমাদের এ কোরবানির মাঠ কবে থেকে শুরু হয়েছে তা আমরা বলতে পারব না। আমার দাদা বাবারা এই মাঠে কুরবানি করেছেন। আমার দাদা করেছে আমার বাবা করেছে আমরাও কোরবানি করছি।’ 


এ ব্যাপারে অন্যান্যরা বলেন, এই কোরবানির মাঠে আমাদের বাপ দাদারা ও কোরবানি করেছে। এটি আমাদের ভাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃড় করে। এটি আমাদের গ্রামের একটি ঐতিহ্য।

খুঁজুন