বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মতামত বাংলাদেশকে আর কত ছোট করবেন তারেক রহমান?

বাংলাদেশকে আর কত ছোট করবেন তারেক রহমান?

বাংলাদেশের একজন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে কবে এতো উপেক্ষিত এবং অনুজ্জ্বল ছিলেন বলতে পারেন? 

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা তারেক রহমানের এই সফর ছিল সংক্ষিপ্ত এবং শুধু জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন কেন্দ্রিক। বিএনপি তো নয়ই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব‍্যাবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের সাথে তিনি বৈঠক করতে পারেননি। কাজও ছিল না তেমন। পাকিস্তান, মালদ্বীপের মতো কয়েকটি দেশের সাথে গুরুত্বহীন সৌজন্য সাক্ষাৎ ছাড়া এই সফরে কিছুই হয়নি।
ইউনুস একজন বিশ্ব বাটপার। তিনি দুবার সাধারণ পরিষদে যোগ দিয়েছিলেন নিজের ধান্ধা বাড়ানোর জন্য।থ্রি জিরো, সামাজিক ব‍্যবসার মার্কেটিং করতে তিনি রাষ্ট্রের পদ ব্যবহার করেছিলেন। বাংলাদেশ তাই ঐ দুই সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে থেকেও ছিল না।
অথচ এই বাংলাদেশ ২০২৩ সালেও ছিল বিশ্বের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের জন্য রীতিমতো অপেক্ষা করতে হয়েছিল বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধানদের। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের সভাপতিকে সময় দিয়েছিলেন সকাল সাড়ে সাতটায়। কানাডা, ব্রাজিল, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ১৭টি দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠকে করেন শেখ হাসিনার সাথে। এছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, এফএও, আইএলওর প্রধানরা শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করেছেন। সাইড লাইনে ছিল সাতটি বৈঠক।এরমধ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে বৈঠকটি নিয়ে ছিল সকলের আগ্রহ।
বাংলাদেশ ছিল উন্নয়নের রোল মডেল। তাই শেখ হাসিনা ছিলেন সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
শেখ হাসিনা ভ‍্যাকসিন হিরো, এমডিজি এওয়ার্ড সহ ২১ টি পুরস্কার পেয়েছেন। তার বিশ্ব শান্তির মডেল জাতিসংঘে সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে।
বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় শেখ হাসিনা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।
এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কের রাস্তায় ঘুরে বেড়ান, পুলিশের সঙ্গে ছবি তোলে। 
দেশটাকে আর কত নীচে নামাবেন?
দেশের মর্যাদা আর কত নষ্ট করবেন?
বাংলাদেশকে আর কত ছোট করবেন?

খুঁজুন