বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্য এবং বিদেশগামী কর্মীদের হয়রানির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি, তাঁর অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে মো. মন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তি গত ১২ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএমইটির প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে থাকাকালে মাসুদ রানা বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের নথিপত্র আটকে রেখে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ ও কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
অভিযোগকারীর দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি দপ্তরে প্রভাব বিস্তার করেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পরও তাঁর প্রভাব অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এই প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন
অভিযোগে মাসুদ রানা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ধানমন্ডি, নিকেতন ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট, উত্তরা এলাকায় একাধিক বাড়ি, সাভারে জমি এবং নেত্রকোনায় সম্পত্তি থাকার দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে অর্থ জমা, মালয়েশিয়ায় ‘মাই সেকেন্ড হোম’ সুবিধা গ্রহণ এবং দুবাইয়ে জনশক্তি ব্যবসা, ভিলা ও স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে। এসব সম্পদের মালিকানা, অর্থের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় তাঁর ভূমিকা সম্পর্কে স্বাধীন নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগে তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামেও সম্পদ থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে সম্পদের পরিমাণ, মালিকানা ও বৈধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তদন্তের দাবি
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. মাসুদ রানার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁকে পাঠানো খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সম্পদের উৎস, বদলি ও নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, বিদেশগামী কর্মীদের ফাইল নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষের তদন্ত, সম্পদ বিবরণী যাচাই এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
বিএমইটি পরিচালক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ, তদন্ত দাবি
বিএমইটি পরিচালক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ, তদন্ত দাবি
বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) পরিচালক মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, বদলি ও নিয়োগ বাণিজ্য এবং বিদেশগামী কর্মীদের হয়রানির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবি, তাঁর অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে মো. মন্টু মিয়া নামের এক ব্যক্তি গত ১২ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। বিদেশগামী শ্রমিকদের হয়রানি ও বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএমইটির প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের দায়িত্বে
থাকাকালে মাসুদ রানা বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের নথিপত্র আটকে রেখে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) অধ্যক্ষ ও কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও তোলা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি দপ্তরে প্রভাব বিস্তার করেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পরও তাঁর প্রভাব অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ এই প্রতিবেদনে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন অভিযোগে মাসুদ রানা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ধানমন্ডি, নিকেতন ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ফ্ল্যাট, উত্তরা এলাকায় একাধিক বাড়ি, সাভারে জমি এবং নেত্রকোনায় সম্পত্তি থাকার দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকে অর্থ জমা, মালয়েশিয়ায় ‘মাই সেকেন্ড হোম’ সুবিধা গ্রহণ এবং দুবাইয়ে জনশক্তি ব্যবসা, ভিলা ও স্বর্ণ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে। এসব সম্পদের মালিকানা, অর্থের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় তাঁর ভূমিকা
সম্পর্কে স্বাধীন নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগে তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামেও সম্পদ থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে সম্পদের পরিমাণ, মালিকানা ও বৈধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ছাড়া নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। বক্তব্য পাওয়া যায়নি, তদন্তের দাবি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. মাসুদ রানার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁকে পাঠানো খুদে বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সম্পদের উৎস, বদলি ও নিয়োগসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, বিদেশগামী কর্মীদের ফাইল নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কর্তৃপক্ষের তদন্ত, সম্পদ বিবরণী যাচাই এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত