রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধ ইউনূস সরকারের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হয়েছিলেন। এরপর ভারতের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ বাগিয়েছিলেন। পরে বিএনপির সরকার গঠনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন খলিল।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকাকালে আমেরিকার সঙ্গে গোলামির চুক্তি করেছেন এবং সেই চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন। আমেরিকার প্রভাবে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়েছেন।
এখন চীন ও ভারতকে সুবিধা দিয়ে আরও নতুন পদ বাগানোর ধান্দায় আছেন। দেশের ক্ষতি হলে খলিলের কী আসে যায়? তিনি বিদেশি নাগরিক।
করিডরমন্ত্রী খলিল আমেরিকাকে করিডর, চীনকে করিডর, আর কিছুদিন পর ভারতকেও করিডর দেবেন। এভাবে বাংলাদেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে বিদেশি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দেশকে মহাসংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
এসব করিডরের মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করে দেশকে বিদেশি পণ্যের ওপর আমদানিনির্ভর করে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না, কারণ এখানে উৎপাদন করে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। অযৌক্তিক আয়কর, জ্বালানি সংকট, ব্যাংকিং সমস্যা, দুর্নীতি ও নানাবিধ দুর্ভোগ—সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে।
দেশের স্বার্থ বিকিয়ে উপদেষ্টা থেকে মন্ত্রী হয়েছেন। আমেরিকাকে খুশি করে মন্ত্রী হয়েছেন, এখন চীন ও ভারতকে সুবিধা দিয়ে আরও উচ্চপদে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। বিদেশি নাগরিক হিসেবে বিদেশি প্রভুদের সন্তুষ্ট করে নিজের সুবিধা আদায়েই তিনি ব্যস্ত।
এদিকে বিএনপি সরকার দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট ব্যাস্ত আর নেতা কর্মীরা চাঁদাবাজি খুন-ধর্ষণে ব্যস্ত। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের নীতিনির্ধারণে খলিলের ভূমিকা শেষ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের জন্যই রাজনৈতিক সংকট ও সরকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিএনপি সরকার পতনের মাষ্টারমাইন্ড খলিল
বিএনপি সরকার পতনের মাষ্টারমাইন্ড খলিল
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধ ইউনূস সরকারের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হয়েছিলেন। এরপর ভারতের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদ বাগিয়েছিলেন। পরে বিএনপির সরকার গঠনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হন খলিল। রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাকাকালে আমেরিকার সঙ্গে গোলামির চুক্তি করেছেন এবং সেই চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন। আমেরিকার প্রভাবে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়েছেন। এখন চীন ও ভারতকে সুবিধা দিয়ে আরও নতুন পদ বাগানোর ধান্দায় আছেন। দেশের ক্ষতি হলে খলিলের কী আসে
যায়? তিনি বিদেশি নাগরিক। করিডরমন্ত্রী খলিল আমেরিকাকে করিডর, চীনকে করিডর, আর কিছুদিন পর ভারতকেও করিডর দেবেন। এভাবে বাংলাদেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে বিদেশি স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দেশকে মহাসংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এসব করিডরের মাধ্যমে দেশীয় উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল করে দেশকে বিদেশি পণ্যের ওপর আমদানিনির্ভর করে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না, কারণ এখানে উৎপাদন করে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। অযৌক্তিক আয়কর, জ্বালানি সংকট, ব্যাংকিং সমস্যা, দুর্নীতি ও নানাবিধ দুর্ভোগ—সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগের
পরিবেশ নষ্ট করা হয়েছে। দেশের স্বার্থ বিকিয়ে উপদেষ্টা থেকে মন্ত্রী হয়েছেন। আমেরিকাকে খুশি করে মন্ত্রী হয়েছেন, এখন চীন ও ভারতকে সুবিধা দিয়ে আরও উচ্চপদে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। বিদেশি নাগরিক হিসেবে বিদেশি প্রভুদের সন্তুষ্ট করে নিজের সুবিধা আদায়েই তিনি ব্যস্ত। এদিকে বিএনপি সরকার দুর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট ব্যাস্ত আর নেতা কর্মীরা চাঁদাবাজি খুন-ধর্ষণে ব্যস্ত। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের নীতিনির্ধারণে খলিলের ভূমিকা শেষ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের জন্যই রাজনৈতিক সংকট ও সরকার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত