আমার মতো দেশের অধিকাংশ মানুষেরই আয়-রোজগার কমেছে।
আগে যা আয় হতো, এখন তার অর্ধেক আয় হচ্ছে। অথচ ব্যয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ।
আয় বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেই, ব্যয় কমানোর কোনো নীতি নেই। বরং সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে জনজীবনে ব্যয়ের বোঝা বাড়াচ্ছে।
তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট একটি দেশ থেকে বেশি দামে পণ্য কিনছে। অন্য দেশ থেকে কম দামে যেসব পণ্য আমদানি করা সম্ভব, সেসব বিকল্প বিবেচনা না করে একদেশকেন্দ্রিক নির্ভরশীলতা ও গোলামির নমুনা আমরা দেখছি।
উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কলকারখানা বন্ধ হচ্ছে। উৎপাদন চালু রাখলেও বাড়তি খরচের কারণে বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের গার্মেন্টস খাতের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে।
বেকারত্ব বাড়ছে, অথচ বিকল্প কর্মসংস্থান গড়ে উঠছে না। উৎপাদন খরচ বেশি হলে বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না। কারণ, কোনো বিনিয়োগকারীই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করে লোকসানের ঝুঁকি নিতে চাইবেন না।
এই সরকার জোড়াতালি দিয়ে দেশ চালাচ্ছে। দিন দিন অর্থনীতি নিম্নমুখী হচ্ছে। যে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি একসময় ৭ শতাংশের ওপরে ছিল, সেই প্রবৃদ্ধি এখন ৩ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে এই চিত্রই অর্থনীতির দুরবস্থার একটি বড় ইঙ্গিত।
অর্থনীতির এই পরিস্থিতিতে আমাদের সবার আয় কতটা কমেছে, ক্রয়ক্ষমতা কতটা হ্রাস পেয়েছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কতটা বেড়েছে, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে।
প্রশ্ন হলো আয় কমছে, ব্যয় বাড়ছে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে তাহলে সাধারণ মানুষ বাঁচবে কীভাবে এনিয়ে সরকারের চিন্তা ভাবনা দেখতে পাই না।
সরকার আছে ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে বিদেশী প্রভুকে খুশি রেখে ক্ষমতায় টিকে থাকতে।।।।
দেশের অধিকাংশ মানুষেরই আয় কমেছে
দেশের অধিকাংশ মানুষেরই আয় কমেছে
আমার মতো দেশের অধিকাংশ মানুষেরই আয়-রোজগার কমেছে। আগে যা আয় হতো, এখন তার অর্ধেক আয় হচ্ছে। অথচ ব্যয় বেড়েছে ৩০ শতাংশ। আয় বাড়ানোর কোনো উদ্যোগ নেই, ব্যয় কমানোর কোনো নীতি নেই। বরং সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে জনজীবনে ব্যয়ের বোঝা বাড়াচ্ছে। তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি নির্দিষ্ট একটি দেশ থেকে বেশি দামে পণ্য কিনছে। অন্য দেশ থেকে কম দামে যেসব পণ্য আমদানি করা সম্ভব, সেসব বিকল্প বিবেচনা না করে একদেশকেন্দ্রিক নির্ভরশীলতা ও গোলামির নমুনা আমরা দেখছি।
উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় কলকারখানা বন্ধ হচ্ছে। উৎপাদন চালু রাখলেও বাড়তি খরচের কারণে বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের গার্মেন্টস খাতের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসতে পারে। বেকারত্ব বাড়ছে, অথচ বিকল্প কর্মসংস্থান গড়ে উঠছে না। উৎপাদন খরচ বেশি হলে বিদেশি বিনিয়োগও আসবে না। কারণ, কোনো বিনিয়োগকারীই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করে লোকসানের ঝুঁকি নিতে চাইবেন না। এই সরকার জোড়াতালি দিয়ে দেশ চালাচ্ছে। দিন দিন অর্থনীতি নিম্নমুখী হচ্ছে। যে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি একসময় ৭
শতাংশের ওপরে ছিল, সেই প্রবৃদ্ধি এখন ৩ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে এই চিত্রই অর্থনীতির দুরবস্থার একটি বড় ইঙ্গিত। অর্থনীতির এই পরিস্থিতিতে আমাদের সবার আয় কতটা কমেছে, ক্রয়ক্ষমতা কতটা হ্রাস পেয়েছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কতটা বেড়েছে, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। প্রশ্ন হলো আয় কমছে, ব্যয় বাড়ছে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে তাহলে সাধারণ মানুষ বাঁচবে কীভাবে এনিয়ে সরকারের চিন্তা ভাবনা দেখতে পাই না। সরকার আছে ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে বিদেশী প্রভুকে খুশি রেখে ক্ষমতায় টিকে থাকতে।।।।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত