ময়মনসিংহে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা শাহ মাজহারুল ইসলাম কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার এবং আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রেষণে কর্মরত খাদ্য পরিদর্শক শাহ মাজহারুল ইসলাম কামালকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় তিনি একাধিক স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং খাদ্য বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই প্রয়োজন।
অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালের ২৬ ডিসেম্বর খাদ্য বিভাগে যোগদান করেন কামাল। চাকরিতে প্রবেশের আগে তিনি গফরগাঁও সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯৯৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গফরগাঁও সফরকালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
২০২০ সালের জুলাইয়ে ফুলপুর এলএসডিতে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগে তাঁকে প্রত্যাহার করে নেত্রকোনার আটপাড়ায় পদায়ন করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বদলি হন এবং পরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রেষণে কাজ শুরু করেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ও প্রেষণের প্রশাসনিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
সম্পদের বিষয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে
অভিযোগকারীদের দাবি, ময়মনসিংহ শহর ও রাজধানী ঢাকায় কামালের একাধিক ফ্ল্যাট, বাণিজ্যিক দোকান, জমি এবং অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে মফিজ উদ্দিন ইনডেক্স প্লাজায় একটি ফ্ল্যাট, আমলাপাড়া এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, দুর্গাবাড়ী রোডে একটি দোকান, কাঁচিঝুলি এলাকায় আবাসিক ভবনে অংশীদারত্ব এবং নতুন বাজারের একটি আবাসিক প্রকল্পে ফ্ল্যাট বুকিংয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা বাইপাস মোড়ে জমিতে অংশীদারত্ব, গফরগাঁওয়ের জামতলা এলাকায় দোকান এবং ইমামবাড়ী ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন বাজারে বাণিজ্যিক সম্পত্তি থাকার অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগে ঢাকার উত্তরায় একটি ফ্ল্যাট এবং একটি টয়োটা প্রিমিও গাড়ি ব্যবহারের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গাড়িটির নিবন্ধন অন্য এক ব্যক্তির নামে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি ও গাড়ির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে সরকারি নিবন্ধন, দলিল এবং আর্থিক নথি যাচাই করা জরুরি।
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যের নামে সম্পদ ও বিনিয়োগ রয়েছে। এসব সম্পদের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকৃত মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় নথি ও আর্থিক লেনদেন পরীক্ষা করা দরকার।
প্রশাসনিক প্রভাব ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ
কয়েকজন সহকর্মীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বদলি-পদায়ন ও পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগের ক্ষেত্রে কামাল প্রভাব বিস্তার করেন। কোনো কর্মকর্তা তাঁর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করলে তাঁদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানোর অভিযোগও উঠেছে।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ নগরীর নতুন বাজার এলাকার খাদ্য পরিদর্শক সমিতির কার্যালয়ে অবৈধ জুয়ার আসর পরিচালনা এবং সেখান থেকে কমিশন গ্রহণের অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, সাক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন।
খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাসান অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুল আলম বলেছেন, কামাল তাঁর যোগদানের আগ থেকেই জেলা কার্যালয়ে কর্মরত এবং তাঁর মেয়াদে কোনো প্রেষণ আদেশ জারি করা হয়নি। তিনি অভিযোগগুলো প্রশাসনিকভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, শাহ মাজহারুল ইসলাম কামাল তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে সেগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সরকারি চাকরির বিধিবিধান অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা আর্থিক অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সম্পদের ঘোষণাপত্র, ভূমি নিবন্ধন, ব্যাংক লেনদেন, কর নথি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আদেশ পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
তবে তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগে কোনো অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
খাদ্য পরিদর্শক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
খাদ্য পরিদর্শক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
ময়মনসিংহে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা শাহ মাজহারুল ইসলাম কামালের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রশাসনিক অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার এবং আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রেষণে কর্মরত খাদ্য পরিদর্শক শাহ মাজহারুল ইসলাম কামালকে ঘিরে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরিতে থাকা অবস্থায় তিনি একাধিক স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন এবং খাদ্য বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করেছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই প্রয়োজন। অভিযোগসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালের ২৬ ডিসেম্বর খাদ্য বিভাগে যোগদান করেন কামাল। চাকরিতে প্রবেশের আগে তিনি গফরগাঁও সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৯৯৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গফরগাঁও সফরকালে তাঁর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তাঁর বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া গেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। ২০২০ সালের জুলাইয়ে ফুলপুর এলএসডিতে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগে তাঁকে প্রত্যাহার করে নেত্রকোনার আটপাড়ায় পদায়ন করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বদলি হন এবং পরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রেষণে কাজ শুরু করেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ও প্রেষণের প্রশাসনিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিষয়টি তদন্তের
আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। সম্পদের বিষয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে অভিযোগকারীদের দাবি, ময়মনসিংহ শহর ও রাজধানী ঢাকায় কামালের একাধিক ফ্ল্যাট, বাণিজ্যিক দোকান, জমি এবং অন্যান্য সম্পদ রয়েছে। এসব সম্পদের মধ্যে মফিজ উদ্দিন ইনডেক্স প্লাজায় একটি ফ্ল্যাট, আমলাপাড়া এলাকায় একটি ফ্ল্যাট, দুর্গাবাড়ী রোডে একটি দোকান, কাঁচিঝুলি এলাকায় আবাসিক ভবনে অংশীদারত্ব এবং নতুন বাজারের একটি আবাসিক প্রকল্পে ফ্ল্যাট বুকিংয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বাইপাস মোড়ে জমিতে অংশীদারত্ব, গফরগাঁওয়ের জামতলা এলাকায় দোকান এবং ইমামবাড়ী ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন বাজারে বাণিজ্যিক সম্পত্তি থাকার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগে ঢাকার উত্তরায় একটি ফ্ল্যাট এবং একটি টয়োটা প্রিমিও গাড়ি ব্যবহারের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গাড়িটির নিবন্ধন অন্য এক ব্যক্তির নামে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি ও গাড়ির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে সরকারি নিবন্ধন, দলিল এবং আর্থিক নথি যাচাই করা জরুরি। অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেছেন, তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যের নামে সম্পদ ও বিনিয়োগ রয়েছে। এসব সম্পদের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রকৃত মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে প্রয়োজনীয় নথি ও আর্থিক লেনদেন পরীক্ষা করা দরকার। প্রশাসনিক প্রভাব ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ কয়েকজন সহকর্মীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বদলি-পদায়ন ও পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগের ক্ষেত্রে কামাল প্রভাব বিস্তার করেন। কোনো কর্মকর্তা তাঁর কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করলে তাঁদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালানোর অভিযোগও উঠেছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ নগরীর নতুন বাজার এলাকার খাদ্য পরিদর্শক সমিতির কার্যালয়ে অবৈধ জুয়ার আসর পরিচালনা এবং সেখান থেকে কমিশন
গ্রহণের অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, সাক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন। খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ময়মনসিংহ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহমুদুল হাসান অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুল আলম বলেছেন, কামাল তাঁর যোগদানের আগ থেকেই জেলা কার্যালয়ে কর্মরত এবং তাঁর মেয়াদে কোনো প্রেষণ আদেশ জারি করা হয়নি। তিনি অভিযোগগুলো প্রশাসনিকভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, শাহ মাজহারুল ইসলাম কামাল তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে সেগুলোকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সরকারি চাকরির বিধিবিধান অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা আর্থিক অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সম্পদের ঘোষণাপত্র, ভূমি নিবন্ধন, ব্যাংক লেনদেন, কর নথি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আদেশ পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তবে তদন্তের ফলাফল প্রকাশের আগে কোনো অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য, প্রাসঙ্গিক নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত