ইউনূসের নোবেলে যাহারা নাচে, ওবামার নোবেলে তাহাদেরই চোখ টাটায়! ইউনূসের টাই যোগ্যতা অন্যের টা তুষের ছাই, আমি কোন আজব দেশে কাদের সঙ্গে সহবাস করি রে ভাই ?
ইহা বড়ই আজব তামাশা! পক্ষের লোক হইলে খাঁটি সোনা অন্য পঙ্কের লোক হইলে মেয়াদ উত্তীর্ণ সীসা কাঁসা।
এই দেশে একদল বুদ্ধিজীবী আছেন, যাহারা ড. ইউনূসের নোবেলের কথা শুনিলে আহ্লাদে আটখানা হন। তাহাদের কলমে তখন মধু ঝরে, মুখে ফেনা উঠে। মনে হয় যেন চাঁদ হাতে পাইয়াছেন!
আবার এই তাহারাই, অতি বিজ্ঞের মতো গম্ভীর মুখে বলেন - ওবামার নোবেল বিতর্কিত! নার্গেস মোহাম্মদীর নোবেল রাজনৈতিক!
বাহ! কী চমৎকার বিচার! এই মূর্খদের জিজ্ঞাসা করিতে চাই - বিতর্কের মানদণ্ডখানা কী?
ওবামা নোবেল পাইলেন কেন? যুদ্ধবাজ আমেরিকাকে যুদ্ধ হইতে সরাইয়া আনিবেন, এই আশায়। নার্গেস নোবেল পাইলেন কেন? ইরানের অন্ধকার জেলে বসিয়া, মাথার কাপড় খুলিয়া ফেলার অপরাধে যে মেয়েটি মরিল, তাহার প্রতিবাদ করিবার জন্য। তাহাদের হাতে রক্ত নাই, সুদের খাতা নাই।
আর আপনাদের ইউনুস আব্বা থুক্কু ইউনূস চাচা ? বাবাজির ব্যাপারে কি বলবেন ভাইয়েরা আমার ?
তিনি নোবেল পাইলেন কীসের জন্য? শান্তির জন্য! কিসের শান্তি? সুদের শান্তি!
গ্রামের অসহায় বিধবা, যে একবেলা খাইতে পায় না, তাহাকে ৩০ টাকা সুদে ১০০ টাকা ঋণ দিয়া তাহার ঘরের চাল খুলিয়া লইবার যে কৌশল, তাহার নাম দেওয়া হইয়াছে দারিদ্র্য বিমোচন! ইহা শান্তি নয়, ইহা অশান্তির বীজ।
একজন গরীব মানুষ ঋণ নেয় ৫ হাজার, শোধ দেয় ৮ হাজার। কিস্তি দিতে না পারিলে গ্রামে হৈ হৈ পড়িয়া যায়। সমিতির লোকেরা বাড়ি ঘেরাও করে। লজ্জায় কত মা-বোন বিষ খাইয়াছে, তাহার হিসাব কে রাখে?
ইহাকে তোমরা বলো শান্তি? বলিতেও পারো বাপুরা কারণ পাগলের সুখ মনস্তাত্বিক দৈহিক নয়।
ওবামা যদি কাজ না করিয়া নোবেল পাইয়া বিতর্কিত হন, তবে সুদের কারবার করিয়া শান্তিতে নোবেল পাওয়া কি বিতর্কিত নয়? বরং হাজার গুণ বেশি বিতর্কিত!
নার্গেস যদি পশ্চিমের তৈরি পুতুল হন, তবে ইউনূস কী? তিনি তো পশ্চিমের সবচেয়ে আদরের দুলাল! হোয়াইট হাউসের দাওয়াত, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের টাকা, বিশ্বব্যাংকের আশীর্বাদ - সবই তো তাহার পদতলে!
নিজের ঘরে সুদের মহাজনকে বসাইয়া পূজা করিবা, আর অন্যের ঘরে প্রদীপ নিভিলে তাহাকে অন্ধকার বলিবা - এই দ্বিচারিতা আর কতদিন?
যদি বলিতেই হয়, তবে সত্য বলো। বলো যে - হ্যাঁ, আমাদের কাছে সুদই সর্বোচ্চ যোগ্যতা। সুদ খাওয়াই শান্তি, সুদ খাওয়াই উন্নয়ন!
তা না হইলে চুপ করো। জনগণ এখন বোকা নয়। তাহারা বোঝে, কাহার হাতে শান্তির পায়রা, আর কাহার হাতে সুদের খাতা।
নোবেল জয়ের রূপকথার গপ্প আর কেউ শুনতে চায় না
নোবেল জয়ের রূপকথার গপ্প আর কেউ শুনতে চায় না
ইউনূসের নোবেলে যাহারা নাচে, ওবামার নোবেলে তাহাদেরই চোখ টাটায়! ইউনূসের টাই যোগ্যতা অন্যের টা তুষের ছাই, আমি কোন আজব দেশে কাদের সঙ্গে সহবাস করি রে ভাই ? ইহা বড়ই আজব তামাশা! পক্ষের লোক হইলে খাঁটি সোনা অন্য পঙ্কের লোক হইলে মেয়াদ উত্তীর্ণ সীসা কাঁসা। এই দেশে একদল বুদ্ধিজীবী আছেন, যাহারা ড. ইউনূসের নোবেলের কথা শুনিলে আহ্লাদে আটখানা হন। তাহাদের কলমে তখন মধু ঝরে, মুখে ফেনা উঠে। মনে হয় যেন চাঁদ হাতে পাইয়াছেন! আবার এই তাহারাই, অতি বিজ্ঞের মতো গম্ভীর মুখে বলেন - ওবামার নোবেল বিতর্কিত! নার্গেস মোহাম্মদীর নোবেল রাজনৈতিক! বাহ! কী চমৎকার বিচার! এই মূর্খদের জিজ্ঞাসা করিতে চাই - বিতর্কের মানদণ্ডখানা কী? ওবামা নোবেল পাইলেন কেন? যুদ্ধবাজ আমেরিকাকে যুদ্ধ হইতে সরাইয়া আনিবেন, এই আশায়। নার্গেস নোবেল পাইলেন কেন? ইরানের অন্ধকার জেলে বসিয়া, মাথার
কাপড় খুলিয়া ফেলার অপরাধে যে মেয়েটি মরিল, তাহার প্রতিবাদ করিবার জন্য। তাহাদের হাতে রক্ত নাই, সুদের খাতা নাই। আর আপনাদের ইউনুস আব্বা থুক্কু ইউনূস চাচা ? বাবাজির ব্যাপারে কি বলবেন ভাইয়েরা আমার ? তিনি নোবেল পাইলেন কীসের জন্য? শান্তির জন্য! কিসের শান্তি? সুদের শান্তি! গ্রামের অসহায় বিধবা, যে একবেলা খাইতে পায় না, তাহাকে ৩০ টাকা সুদে ১০০ টাকা ঋণ দিয়া তাহার ঘরের চাল খুলিয়া লইবার যে কৌশল, তাহার নাম দেওয়া হইয়াছে দারিদ্র্য বিমোচন! ইহা শান্তি নয়, ইহা অশান্তির বীজ। একজন গরীব মানুষ ঋণ নেয় ৫ হাজার, শোধ দেয় ৮ হাজার। কিস্তি দিতে না পারিলে গ্রামে হৈ হৈ পড়িয়া যায়। সমিতির লোকেরা বাড়ি ঘেরাও করে। লজ্জায় কত মা-বোন বিষ খাইয়াছে, তাহার হিসাব কে রাখে? ইহাকে তোমরা বলো শান্তি? বলিতেও পারো বাপুরা কারণ পাগলের সুখ
মনস্তাত্বিক দৈহিক নয়। ওবামা যদি কাজ না করিয়া নোবেল পাইয়া বিতর্কিত হন, তবে সুদের কারবার করিয়া শান্তিতে নোবেল পাওয়া কি বিতর্কিত নয়? বরং হাজার গুণ বেশি বিতর্কিত! নার্গেস যদি পশ্চিমের তৈরি পুতুল হন, তবে ইউনূস কী? তিনি তো পশ্চিমের সবচেয়ে আদরের দুলাল! হোয়াইট হাউসের দাওয়াত, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের টাকা, বিশ্বব্যাংকের আশীর্বাদ - সবই তো তাহার পদতলে! নিজের ঘরে সুদের মহাজনকে বসাইয়া পূজা করিবা, আর অন্যের ঘরে প্রদীপ নিভিলে তাহাকে অন্ধকার বলিবা - এই দ্বিচারিতা আর কতদিন? যদি বলিতেই হয়, তবে সত্য বলো। বলো যে - হ্যাঁ, আমাদের কাছে সুদই সর্বোচ্চ যোগ্যতা। সুদ খাওয়াই শান্তি, সুদ খাওয়াই উন্নয়ন! তা না হইলে চুপ করো। জনগণ এখন বোকা নয়। তাহারা বোঝে, কাহার হাতে শান্তির পায়রা, আর কাহার হাতে সুদের খাতা।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত