স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে ওপেনিংয়ে নামতে পারেননি চোট পাওয়া সাদমান ইসলাম, আর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন নাঈম হাসান ও তানজিদ হাসান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও দীর্ঘক্ষণ টিকতে পারেননি উইকেটে। দিনশেষে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৮ রান সংগ্রহ করতে পেরেছে বাংলাদেশ দল। তবে তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিমের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস মিলেছে।
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে চার উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল। ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের সাবলীল ব্যাটিংয়ের মুখে দারুণ বোলিং করে দলকে ম্যাচে ফেরান পেসার হাসান মাহমুদ। ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং প্রদর্শন করে তিনি একাই শিকার করেন ৬ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে একাধিকবার ছয় উইকেট শিকার করা প্রথম পেসার এখন তিনি। তার এই বিধ্বংসী বোলিংয়ের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস সাড়ে তিনশ রানের মধ্যেই গুটিয়ে যায়।
দিনজুড়ে অসাধারণ পারফর্ম করা হাসান মাহমুদ একে একে সাজঘরে পাঠান আমির জাঙ্গু, রস্টন চেইস, জশুয়া বিশপ, শামার জোসেফসহ অন্য ব্যাটারদের। জাঙ্গু ১৩৩ রানের বড় ইনিংস খেলে আউট হন এবং হাফ সেঞ্চুরি করেন জাস্টিন গ্রেভস। এছাড়া স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি উইকেট লাভ করে দলের সাফল্যে অবদান রাখেন। দীর্ঘ ১৯ ওভার বল করেও কোনো উইকেট পাননি তাইজুল ইসলাম। শেষ উইকেটেও প্রতিরোধ গড়ে মহামূল্যবান রান যোগ করে সফরকারী দল।
ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে খেলতে নামা স্বাগতিক দল শুরুতেই চাপে পড়ে যায়। সাজঘরে ফেরার আগে ওপেনার তানজিদ ও অধিনায়ক শান্তর ব্যাট থেকে আসেনি বড় কোনো রান। দিন শেষের ঠিক আগমুহূর্তে তাওহিদ হৃদয় এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। আম্পায়াররা বেলস তুলে নেওয়ার সময় তাদের জুটিতেই মূলত কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে বাংলাদেশ শিবিরে।
ক্যারিবিয়ানদের বিশাল সংগ্রহের জবাবে বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ব্যর্থতা দলের সামগ্রিক অবস্থাকেই ফুটিয়ে তুলছে। হাসান মাহমুদের ঐতিহাসিক বোলিং নৈপুণ্য দলের জন্য দারুণ প্রাপ্তি হলেও টপ অর্ডারের দুর্বলতা টেস্টে তাদের পিছিয়ে রাখছে। আলোকোজ্জ্বল বোলিংয়ের আনন্দ কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে ব্যাটিংয়ের করুণ দশার কারণে। ফলোঅন এড়াতে এবং ম্যাচে টিকে থাকতে বাংলাদেশ দলকে বাকি ব্যাটারদের নিয়ে অনেক দূর যেতে হবে।
হাসানের হাসির পর বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের বিষাদ
হাসানের হাসির পর বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের বিষাদ
স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩৫৬ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলের পক্ষে ওপেনিংয়ে নামতে পারেননি চোট পাওয়া সাদমান ইসলাম, আর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন নাঈম হাসান ও তানজিদ হাসান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও দীর্ঘক্ষণ টিকতে পারেননি উইকেটে। দিনশেষে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮৮ রান সংগ্রহ করতে পেরেছে বাংলাদেশ দল। তবে তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিমের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস মিলেছে।এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের প্রথম ইনিংসে চার উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল। ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের সাবলীল ব্যাটিংয়ের মুখে দারুণ বোলিং করে দলকে ম্যাচে ফেরান পেসার হাসান মাহমুদ। ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং প্রদর্শন করে তিনি একাই
শিকার করেন ৬ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে একাধিকবার ছয় উইকেট শিকার করা প্রথম পেসার এখন তিনি। তার এই বিধ্বংসী বোলিংয়ের সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস সাড়ে তিনশ রানের মধ্যেই গুটিয়ে যায়।দিনজুড়ে অসাধারণ পারফর্ম করা হাসান মাহমুদ একে একে সাজঘরে পাঠান আমির জাঙ্গু, রস্টন চেইস, জশুয়া বিশপ, শামার জোসেফসহ অন্য ব্যাটারদের। জাঙ্গু ১৩৩ রানের বড় ইনিংস খেলে আউট হন এবং হাফ সেঞ্চুরি করেন জাস্টিন গ্রেভস। এছাড়া স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ দুটি উইকেট লাভ করে দলের সাফল্যে অবদান রাখেন। দীর্ঘ ১৯ ওভার বল করেও কোনো উইকেট পাননি তাইজুল ইসলাম। শেষ উইকেটেও প্রতিরোধ গড়ে মহামূল্যবান রান যোগ করে সফরকারী দল।ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ইনিংসে বড় সংগ্রহের লক্ষ্যে খেলতে নামা স্বাগতিক দল শুরুতেই
চাপে পড়ে যায়। সাজঘরে ফেরার আগে ওপেনার তানজিদ ও অধিনায়ক শান্তর ব্যাট থেকে আসেনি বড় কোনো রান। দিন শেষের ঠিক আগমুহূর্তে তাওহিদ হৃদয় এবং অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম জুটি বেঁধে দলের বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। আম্পায়াররা বেলস তুলে নেওয়ার সময় তাদের জুটিতেই মূলত কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে বাংলাদেশ শিবিরে।ক্যারিবিয়ানদের বিশাল সংগ্রহের জবাবে বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ব্যর্থতা দলের সামগ্রিক অবস্থাকেই ফুটিয়ে তুলছে। হাসান মাহমুদের ঐতিহাসিক বোলিং নৈপুণ্য দলের জন্য দারুণ প্রাপ্তি হলেও টপ অর্ডারের দুর্বলতা টেস্টে তাদের পিছিয়ে রাখছে। আলোকোজ্জ্বল বোলিংয়ের আনন্দ কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে ব্যাটিংয়ের করুণ দশার কারণে। ফলোঅন এড়াতে এবং ম্যাচে টিকে থাকতে বাংলাদেশ দলকে বাকি ব্যাটারদের নিয়ে অনেক দূর যেতে হবে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত