সিলেটে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহ আলাইহির দরগাহ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিতে উদ্যোগী হয়েছে — এই খবর দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়তেই দুটো পক্ষ সরব হয়ে উঠেছে। একপক্ষ বলছে দীর্ঘদিনের অস্বচ্ছতার অবসান হচ্ছে। আর কপক্ষ বলছে এটা মাজারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের গুপ্ত সংগ্রামের নতুন অধ্যায়। দুটো পক্ষের বাইরে দাঁড়িয়ে একটু শান্তভাবে ভাবলে যা দেখা যাচ্ছে তা হলো — বিষয়টা শুধু টাকার হিসাবের নয়, এটা সিলেটের সামাজিক চেতনার, ঐতিহ্যের এবং বিশ্বাসের গভীরে প্রোথিত একটি প্রশ্ন।
শুরু থেকেই স্পষ্ট করা দরকার — শাহজালাল রহমতুল্লাহ আলাইহিকে ঘিরে যে আখ্যান সিলেটে বেঁচে আছে তার বেশিরভাগই মিথ এবং লোককাহিনি। জায়নামাজ বিছিয়ে সুরমা পাড়ি, আজানের ধ্বনিতে গৌড়গোবিন্দের পতন, জালালি কবুতর, আরব দেশের মাটির সঙ্গে সিলেটের মাটির মিল খুঁজে পাওয়া — এগুলোর কোনো নিখুঁত ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। সিলেটের ৩৬০ আউলিয়াকে নিয়েও সুশৃঙ্খল ইতিহাস রচিত হয়নি। তবু এই মিথ ও লোককাহিনির মধ্য দিয়েই এই অঞ্চলে সুফিবাদ বিস্তার লাভ করেছে, ইসলাম ধর্মের প্রসার হয়েছে। এটা কেউ চাপিয়ে দেয়নি, কেউ জোর করে মানায়নি। নিজেদের ভেতর থেকে জন্ম নেওয়া বিশ্বাস এটা।
এই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আক্রোশ নতুন নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই দরগাহ কেন্দ্রিক বিতর্ক বারবার মাথা তুলেছে। কখনো ওরসকে কেন্দ্র করে, কখনো মাজারের ভেতর হওয়া কিছু আচরণকে কেন্দ্র করে। জামাতে ইসলামী নেপথ্যে এবং দেওবন্দি মহল সামনে থেকে এই বিতর্কে অংশ নিয়েছে বারবার। সিলেট উত্তপ্ত হয়েছে, সংঘর্ষ হয়েছে। কখনো ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে মাজারে হামলা করা হয়েছে, কখনো মাজারের পুকুরের মাছ বিষ দিয়ে মারা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনাই বলে দিয়েছে একটা মহল আছে যারা এই জায়গাটির অস্তিত্বকেই মেনে নিতে পারেনি।
এখন নতুন মোড়কে সেই পুরনো আক্রোশ ফিরে এসেছে — হিসাব চাওয়ার নামে। জেলা প্রশাসক ভালো মানুষ বলেই পরিচিত, তাঁর উদ্যম ও উদ্যোগকে দূর থেকে স্বাগত জানানো যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁকে কোনো গুপ্ত মহল তাদের পুরনো এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে কিনা। সত্তরের দশকে জেলা প্রশাসক ফয়জ উল্লাহ সম্পর্কে সিলেটের মানুষ আজো শ্রদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন। কারণ তিনি তাঁর নিজের নৈতিকতায় দাঁড়িয়েছিলেন, কারো এজেন্ডার বর্ম হননি। বর্তমান জেলা প্রশাসকও সেই পথে থাকুন — এটাই প্রত্যাশা।
মাজার ও মাদ্রাসা আলাদা — এই সরল সত্যটা যারা ইচ্ছা করে গুলিয়ে ফেলেন তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার। হাজার হাজার মানুষ মাজারে আসেন, দান করেন। মাজারে এলে মাদ্রাসায়ও দান করেন। এই দান তাদের নিজস্ব বিশ্বাস ও ইচ্ছা থেকে আসে। তারা কারো কাছে হিসাব চাননি, কেউ তাদের হিসাব দিতে বাধ্যও নন। এক সময়ে দরগাহ মাদ্রাসার বিখ্যাত হুজুর ছিলেন মরহুম মাওলানা আকবর আলী। লোকজন মাজার পরিদর্শনে আসলে মুঠ ভর্তি টাকা তাঁকে দিতো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকে আজও দেশ বিদেশ থেকে দরগাহ মাদ্রাসায় দান খয়রাত চলমান রয়েছে। এসব দাতারা হিসেব কখনো চায়নি।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রসঙ্গ উঠলে সেটাকে আইনি কাঠামোর মধ্যে রেখে আলোচনা করা উচিত। সমস্যা হলো, বাংলাদেশে মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো একক সুস্পষ্ট আইন নেই। ওয়াকফ, ট্রাস্ট, ঐতিহ্য — এসব ভিন্ন ভিন্ন কাঠামোয় চলছে। সিলেটের জনপ্রতিনিধিরা যদি সত্যিই এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হন তাহলে একটি স্পষ্ট আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে পারেন — সেটা হবে সবচেয়ে সৎ ও কার্যকর পথ।
মাজারের আশপাশের যারা ঈর্ষা থেকে বিদ্রূপ করেন, তাদের কথা আলাদা। তারা আসলে মাজারের সমস্যার সমাধান চান না, চান বিতর্ক। বিতর্কই তাদের অস্ত্র। এই মানুষগুলোর সঙ্গে যুক্তিতর্কে না গিয়ে তাদের চিহ্নিত রাখাটাই যথেষ্ট।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাজার ও দরগাহ সংস্কৃতি কীভাবে পর্যটন ও সামাজিক বন্ধনের অংশ হয়ে উঠেছে তা আমরা দেখেছি। মরক্কোর মারাকেশে ছয় পীরের মাজার কেবল ধর্মবিশ্বাসীদের নয়, পশ্চিমা পর্যটক ও ভিন্ন ধর্মের মানুষদেরও টানে। বসনিয়ার পাহাড়চূড়ার মাজারে হাজার বছর ধরে পালাক্রমে জিকির চলছে — সেটা দেখতে বিশ্বের মানুষ আসে। সিলেটের শাহজালাল দরগাহও সেই একই আধ্যাত্মিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। এটাকে বিতর্কের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া মানে সিলেটের সামাজিক আত্মাকেই আঘাত করা।
মোতোয়াল্লি পরিবারের কথায় আসা যাক। গত তিন প্রজন্ম ধরে এই পরিবারকে সিলেটের সচেতন মানুষ কাছ থেকে দেখেছেন। পুতুল মিয়া ( সারেকউম ইউসুফ আমানুল্লাহ) নামে পরিচিত সাবেক মোতোয়াল্লি ছিলেন মৃদুভাষী, রাজনৈতিক ঝামেলার বাইরে থাকা একজন মানুষ। সব দলের নেতারা তাঁর বাড়িতে আসতেন প্রশান্তির আড্ডার জন্য, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য নয়। বর্তমান মোতোয়াল্লিও বাবার মতোই খেদমতগার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। দরগাহ কেন্দ্রিক সামাজিক ও মানবিক কাজের কথা যারা কাছ থেকে দেখেছেন তারা জানেন।
দরগাহর কবরস্থানে আমাদের অনেকেরই স্বজন শুয়ে আছেন। সেখানে শুয়ে আছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সমরনায়ক জেনারেল ওসমানী। এই মাটি শুধু ধর্মীয় নয়, জাতীয় চেতনারও অংশ।
সিলেটের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজ যদি সত্যিই এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চান তাহলে বসুন। উন্মুক্ত আলোচনা হোক। আইনি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হোক। কিন্তু কোনো গুপ্ত মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে এই বিতর্ককে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। সিলেটের আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও চেতনাগত সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকাটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি কাজ।
হযরত শাহজালালের দরগাহ নিয়ে নতুন বিতর্ক
হযরত শাহজালালের দরগাহ নিয়ে নতুন বিতর্ক
সিলেটে হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহ আলাইহির দরগাহ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসন মাজারের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিতে উদ্যোগী হয়েছে — এই খবর দেশে বিদেশে ছড়িয়ে পড়তেই দুটো পক্ষ সরব হয়ে উঠেছে। একপক্ষ বলছে দীর্ঘদিনের অস্বচ্ছতার অবসান হচ্ছে। আর কপক্ষ বলছে এটা মাজারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের গুপ্ত সংগ্রামের নতুন অধ্যায়। দুটো পক্ষের বাইরে দাঁড়িয়ে একটু শান্তভাবে ভাবলে যা দেখা যাচ্ছে তা হলো — বিষয়টা শুধু টাকার হিসাবের নয়, এটা সিলেটের সামাজিক চেতনার, ঐতিহ্যের এবং বিশ্বাসের গভীরে প্রোথিত একটি প্রশ্ন। শুরু থেকেই স্পষ্ট করা দরকার — শাহজালাল রহমতুল্লাহ আলাইহিকে ঘিরে যে আখ্যান সিলেটে বেঁচে আছে তার বেশিরভাগই মিথ এবং লোককাহিনি। জায়নামাজ বিছিয়ে সুরমা পাড়ি, আজানের ধ্বনিতে গৌড়গোবিন্দের পতন, জালালি কবুতর, আরব দেশের মাটির সঙ্গে সিলেটের মাটির মিল খুঁজে পাওয়া — এগুলোর কোনো নিখুঁত ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। সিলেটের ৩৬০ আউলিয়াকে নিয়েও সুশৃঙ্খল ইতিহাস রচিত হয়নি। তবু এই মিথ ও লোককাহিনির মধ্য দিয়েই এই অঞ্চলে সুফিবাদ বিস্তার লাভ করেছে, ইসলাম ধর্মের প্রসার হয়েছে। এটা কেউ চাপিয়ে দেয়নি, কেউ জোর করে মানায়নি। নিজেদের ভেতর থেকে জন্ম নেওয়া বিশ্বাস এটা। এই বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আক্রোশ নতুন নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই দরগাহ কেন্দ্রিক বিতর্ক বারবার মাথা তুলেছে। কখনো ওরসকে কেন্দ্র করে, কখনো মাজারের ভেতর হওয়া কিছু আচরণকে কেন্দ্র করে। জামাতে ইসলামী নেপথ্যে এবং দেওবন্দি মহল সামনে থেকে এই বিতর্কে অংশ নিয়েছে বারবার। সিলেট উত্তপ্ত হয়েছে, সংঘর্ষ হয়েছে। কখনো ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে মাজারে হামলা করা হয়েছে, কখনো মাজারের পুকুরের মাছ বিষ দিয়ে মারা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনাই বলে দিয়েছে একটা মহল আছে যারা এই জায়গাটির অস্তিত্বকেই মেনে নিতে পারেনি। এখন নতুন মোড়কে সেই পুরনো
আক্রোশ ফিরে এসেছে — হিসাব চাওয়ার নামে। জেলা প্রশাসক ভালো মানুষ বলেই পরিচিত, তাঁর উদ্যম ও উদ্যোগকে দূর থেকে স্বাগত জানানো যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁকে কোনো গুপ্ত মহল তাদের পুরনো এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে কিনা। সত্তরের দশকে জেলা প্রশাসক ফয়জ উল্লাহ সম্পর্কে সিলেটের মানুষ আজো শ্রদ্ধার সঙ্গে কথা বলেন। কারণ তিনি তাঁর নিজের নৈতিকতায় দাঁড়িয়েছিলেন, কারো এজেন্ডার বর্ম হননি। বর্তমান জেলা প্রশাসকও সেই পথে থাকুন — এটাই প্রত্যাশা। মাজার ও মাদ্রাসা আলাদা — এই সরল সত্যটা যারা ইচ্ছা করে গুলিয়ে ফেলেন তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার। হাজার হাজার মানুষ মাজারে আসেন, দান করেন। মাজারে এলে মাদ্রাসায়ও দান করেন। এই দান তাদের নিজস্ব বিশ্বাস ও ইচ্ছা থেকে আসে। তারা কারো কাছে হিসাব চাননি, কেউ তাদের হিসাব দিতে বাধ্যও নন। এক সময়ে দরগাহ মাদ্রাসার বিখ্যাত হুজুর ছিলেন মরহুম মাওলানা আকবর আলী। লোকজন মাজার পরিদর্শনে আসলে মুঠ ভর্তি টাকা তাঁকে দিতো। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকে আজও দেশ বিদেশ থেকে দরগাহ মাদ্রাসায় দান খয়রাত চলমান রয়েছে। এসব দাতারা হিসেব কখনো চায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রসঙ্গ উঠলে সেটাকে আইনি কাঠামোর মধ্যে রেখে আলোচনা করা উচিত। সমস্যা হলো, বাংলাদেশে মাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো একক সুস্পষ্ট আইন নেই। ওয়াকফ, ট্রাস্ট, ঐতিহ্য — এসব ভিন্ন ভিন্ন কাঠামোয় চলছে। সিলেটের জনপ্রতিনিধিরা যদি সত্যিই এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হন তাহলে একটি স্পষ্ট আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতে পারেন — সেটা হবে সবচেয়ে সৎ ও কার্যকর পথ। মাজারের আশপাশের যারা ঈর্ষা থেকে বিদ্রূপ করেন, তাদের কথা আলাদা। তারা আসলে মাজারের সমস্যার সমাধান চান না, চান বিতর্ক। বিতর্কই তাদের
অস্ত্র। এই মানুষগুলোর সঙ্গে যুক্তিতর্কে না গিয়ে তাদের চিহ্নিত রাখাটাই যথেষ্ট। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাজার ও দরগাহ সংস্কৃতি কীভাবে পর্যটন ও সামাজিক বন্ধনের অংশ হয়ে উঠেছে তা আমরা দেখেছি। মরক্কোর মারাকেশে ছয় পীরের মাজার কেবল ধর্মবিশ্বাসীদের নয়, পশ্চিমা পর্যটক ও ভিন্ন ধর্মের মানুষদেরও টানে। বসনিয়ার পাহাড়চূড়ার মাজারে হাজার বছর ধরে পালাক্রমে জিকির চলছে — সেটা দেখতে বিশ্বের মানুষ আসে। সিলেটের শাহজালাল দরগাহও সেই একই আধ্যাত্মিক-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারক। এটাকে বিতর্কের আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া মানে সিলেটের সামাজিক আত্মাকেই আঘাত করা। মোতোয়াল্লি পরিবারের কথায় আসা যাক। গত তিন প্রজন্ম ধরে এই পরিবারকে সিলেটের সচেতন মানুষ কাছ থেকে দেখেছেন। পুতুল মিয়া ( সারেকউম ইউসুফ আমানুল্লাহ) নামে পরিচিত সাবেক মোতোয়াল্লি ছিলেন মৃদুভাষী, রাজনৈতিক ঝামেলার বাইরে থাকা একজন মানুষ। সব দলের নেতারা তাঁর বাড়িতে আসতেন প্রশান্তির আড্ডার জন্য, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য নয়। বর্তমান মোতোয়াল্লিও বাবার মতোই খেদমতগার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। দরগাহ কেন্দ্রিক সামাজিক ও মানবিক কাজের কথা যারা কাছ থেকে দেখেছেন তারা জানেন। দরগাহর কবরস্থানে আমাদের অনেকেরই স্বজন শুয়ে আছেন। সেখানে শুয়ে আছেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সমরনায়ক জেনারেল ওসমানী। এই মাটি শুধু ধর্মীয় নয়, জাতীয় চেতনারও অংশ। সিলেটের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও নাগরিক সমাজ যদি সত্যিই এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চান তাহলে বসুন। উন্মুক্ত আলোচনা হোক। আইনি কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হোক। কিন্তু কোনো গুপ্ত মহলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে এই বিতর্ককে ব্যবহার করতে দেওয়া যাবে না। সিলেটের আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও চেতনাগত সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকাটা এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি কাজ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত