জেলায় ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সামনের সড়ক থেকে এ কর্মসূচি শুরু করে ঝালকাঠি পৌরসভা।
পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন, জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকায়না, সদর হাসপাতালের পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) ডা. মাসুম ইফতেখারসহ পৌরসভা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাসপাতালের সামনের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ড্রেন ও নালা পরিষ্কার এবং জনসাধারণকে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বাসসকে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হলে নাগরিকদেরও নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেয়া যাবে না। সমন্বিতভাবে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
জেলায় ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সামনের সড়ক থেকে এ কর্মসূচি শুরু করে ঝালকাঠি পৌরসভা। পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন, জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকায়না, সদর হাসপাতালের পরিচালক (তত্ত্বাবধায়ক) ডা. মাসুম ইফতেখারসহ
পৌরসভা ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাসপাতালের সামনের সড়ক ও আশপাশের এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, ড্রেন ও নালা পরিষ্কার এবং জনসাধারণকে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বাসসকে বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে হলে নাগরিকদেরও নিজ নিজ
বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও পানি জমতে দেয়া যাবে না। সমন্বিতভাবে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হলে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কর্মসূচিতে সংশ্লিষ্টরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত