জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের মতিঝিল ডিভিশনের উপকমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদকে ঘিরে অতীতের বিভিন্ন অভিযোগ এবং তাঁর বর্তমান পদায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, বিদেশে অবস্থান, ব্যবসায়ীদের হয়রানি, অর্থ দাবি এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, অতীতে একাধিক বিতর্কে জড়ানোর পরও গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর দায়িত্ব পালন প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি, বিভাগীয় তদন্তের ফলাফল এবং আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি।
১. যেসব অভিযোগ উঠেছে
কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও বিদেশে অবস্থান: অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবু হানিফ অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ করে বিদেশে অবস্থান করেন। দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিরোধ: ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বিরোধের অভিযোগ ওঠে। হয়রানি ও অনৈতিক সুবিধা দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁকে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করা এবং নামফলক ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পোস্তগোলার রেস্তোরাঁয় অভিযান: ২০২১ সালের মার্চে ঢাকার পোস্তগোলার আইরিশ পাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযানের সময় অসদাচরণ, কর্মীদের মারধর এবং জব্দ করা পণ্যের হিসাব নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে।
আখাউড়া স্থলবন্দরে অর্থ দাবি: আখাউড়া স্থলবন্দরে দায়িত্ব পালনের সময় নিলামে কেনা বৈধ পণ্য আটকে রাখা এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন: অভিযোগকারীদের একাংশ তাঁর সম্পদের উৎস ও সম্ভাব্য আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তদন্ত দাবি করেছেন। সম্পদের পরিমাণ, মালিকানা এবং আয়ের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য নথি ছাড়া এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায় না।
২. যেসব তথ্য নথির মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন
পদায়নসংক্রান্ত তথ্য: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ মার্চ অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) তাঁকে মতিঝিল ডিভিশনে পদায়ন করে। এ তথ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন, স্মারক নম্বর ও কার্যকর হওয়ার তারিখ যাচাই করা প্রয়োজন।
বিভাগীয় মামলার অবস্থা: তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের এবং পরবর্তী সময়ে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তদন্ত প্রতিবেদন, চূড়ান্ত আদেশ এবং অব্যাহতির সুনির্দিষ্ট কারণ যাচাই করতে হবে।
২০১৭ সালের বদলি: চট্টগ্রাম কাস্টমস থেকে প্রশিক্ষণ একাডেমিতে বদলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বদলির সরকারি আদেশ ও তার কারণ যাচাই না করে একে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চূড়ান্তভাবে বর্ণনা করা উচিত নয়।
২০২১ সালের অভিযান: আইরিশ পাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযানের তারিখ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা, জব্দ তালিকা, সিসিটিভি ফুটেজ এবং তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই করা প্রয়োজন।
আখাউড়ার মামলা: মামলার নম্বর, আদালতের নাম, এজাহার বা অভিযোগপত্র এবং সর্বশেষ আদেশ সংগ্রহ করা জরুরি। মামলা দায়ের হওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়।
দুদকে অভিযোগ: ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। অভিযোগপত্রের অনুলিপি, গ্রহণপত্র বা কমিশনের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত।
মানববন্ধন: ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার সোসাইটি ও সাধারণ নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করতে অনুষ্ঠানটির ছবি, ভিডিও, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অথবা আয়োজকদের বক্তব্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।
৩. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ, ঢাকা ভ্যাট কমিশনার মসিউর রহমান, ভ্যাট ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আব্দুর রউফ এবং এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে যোগাযোগের তারিখ, মাধ্যম এবং তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এসেছে কি না, তা পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করতে হবে।
৪. তদন্ত ও জবাবদিহিতার দাবি
অভিযোগকারীরা আবু হানিফের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সম্পদের উৎস যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সরকারি রাজস্ব প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর যথাযথ নিষ্পত্তি জরুরি।
তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে প্রমাণ, তদন্তের ফলাফল এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালার আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ও অভিযুক্ত কর্মকর্তার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
কাস্টমস কর্মকর্তা আবু হানিফের পদায়ন ঘিরে প্রশ্ন, অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি
কাস্টমস কর্মকর্তা আবু হানিফের পদায়ন ঘিরে প্রশ্ন, অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের দাবি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের মতিঝিল ডিভিশনের উপকমিশনার আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদকে ঘিরে অতীতের বিভিন্ন অভিযোগ এবং তাঁর বর্তমান পদায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, বিদেশে অবস্থান, ব্যবসায়ীদের হয়রানি, অর্থ দাবি এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা। অভিযোগকারীদের দাবি, অতীতে একাধিক বিতর্কে জড়ানোর পরও গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর দায়িত্ব পালন প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নথি, বিভাগীয় তদন্তের ফলাফল এবং আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। ১. যেসব অভিযোগ উঠেছে কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও বিদেশে অবস্থান: অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবু হানিফ অনুমতি ছাড়া দেশ ত্যাগ করে বিদেশে অবস্থান করেন। দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমসে বিরোধ: ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বিরোধের অভিযোগ ওঠে। হয়রানি ও অনৈতিক সুবিধা দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁকে কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করা এবং নামফলক ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্তগোলার রেস্তোরাঁয় অভিযান: ২০২১ সালের মার্চে ঢাকার পোস্তগোলার আইরিশ পাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযানের সময় অসদাচরণ, কর্মীদের মারধর এবং জব্দ করা পণ্যের হিসাব নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। আখাউড়া স্থলবন্দরে অর্থ দাবি: আখাউড়া স্থলবন্দরে দায়িত্ব পালনের সময় নিলামে কেনা বৈধ পণ্য আটকে রাখা
এবং পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন: অভিযোগকারীদের একাংশ তাঁর সম্পদের উৎস ও সম্ভাব্য আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের বিষয়ে তদন্ত দাবি করেছেন। সম্পদের পরিমাণ, মালিকানা এবং আয়ের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য নথি ছাড়া এ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করা যায় না। ২. যেসব তথ্য নথির মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন পদায়নসংক্রান্ত তথ্য: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ মার্চ অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) তাঁকে মতিঝিল ডিভিশনে পদায়ন করে। এ তথ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন, স্মারক নম্বর ও কার্যকর হওয়ার তারিখ যাচাই করা প্রয়োজন। বিভাগীয় মামলার অবস্থা: তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের এবং পরবর্তী সময়ে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে তদন্ত প্রতিবেদন, চূড়ান্ত আদেশ এবং অব্যাহতির সুনির্দিষ্ট কারণ যাচাই করতে হবে। ২০১৭ সালের বদলি: চট্টগ্রাম কাস্টমস থেকে প্রশিক্ষণ একাডেমিতে বদলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বদলির সরকারি আদেশ ও তার কারণ যাচাই না করে একে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে চূড়ান্তভাবে বর্ণনা করা উচিত নয়। ২০২১ সালের অভিযান: আইরিশ পাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে অভিযানের তারিখ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা, জব্দ তালিকা, সিসিটিভি ফুটেজ এবং তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই করা প্রয়োজন। আখাউড়ার মামলা: মামলার নম্বর, আদালতের নাম, এজাহার বা অভিযোগপত্র এবং সর্বশেষ আদেশ সংগ্রহ করা জরুরি। মামলা দায়ের হওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। দুদকে অভিযোগ: ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে
দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। অভিযোগপত্রের অনুলিপি, গ্রহণপত্র বা কমিশনের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত। মানববন্ধন: ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার সোসাইটি ও সাধারণ নাগরিক সমাজের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করতে অনুষ্ঠানটির ছবি, ভিডিও, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অথবা আয়োজকদের বক্তব্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। ৩. সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ, ঢাকা ভ্যাট কমিশনার মসিউর রহমান, ভ্যাট ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক আব্দুর রউফ এবং এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে যোগাযোগের তারিখ, মাধ্যম এবং তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া এসেছে কি না, তা পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করতে হবে। ৪. তদন্ত ও জবাবদিহিতার দাবি অভিযোগকারীরা আবু হানিফের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সম্পদের উৎস যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, সরকারি রাজস্ব প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর যথাযথ নিষ্পত্তি জরুরি। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করে প্রমাণ, তদন্তের ফলাফল এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালার আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ও অভিযুক্ত কর্মকর্তার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত