পুরুষে পুরুষে শারীরিক সম্পর্ক তথা সমকামিতার মতো জঘন্য অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে আল্লাহ'তালা হযরত লূত (আঃ) এর কওমকে প্রসিদ্ধ ফেরেশতা হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।
জিব্রাইল (আঃ) কওমের পুরো জনপদকে উপুড় করে আকাশে তুলে আছড়ে ফেলে দেন, তারপর আল্লাহর নির্দেশে আকাশ থেকে পাথর বৃষ্টি হয়, প্রতিটি পাথরে সমকামী পাপে লিপ্ত থাকা পাপীদের নাম নিদিষ্ট করে লেখা ছিল।
জায়গাটির বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান জর্দান ও ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী সাগরটি। যেটিকে মৃত সাগর বলা হয়। এই মৃত সাগরে আদৌ কোনো মাছ ও প্রাণী বেঁচে থাকতে পারেনা, এমনকি মানুষও ডুবে যায়না। ঐতিহাসিকভাবে সাগরটি ও আশেপাশে স্থানকে অভিশপ্ত মনে করা হয়।
হযরত লূত (আঃ) এর কওমের এমন পাপাচারের কাহিনী আল্লাহ আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে আমাদের কাছে দৃষ্টান্ত রূপে প্রেরণ করেছেন, যেন আমরাও লূত (আঃ)
এর কওমের মতো পাপাচারে লিপ্ত না হই। কিন্তু বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপট লূত (আঃ) এর কওমের মতো পরিণত হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কওমি মাদ্রাসাগুলোতে একের পর এক বলাৎকারের ঘটনা ঘটছে। এমন ঘটনার পেছনে স্বয়ং শিক্ষকরা জড়িত, অথচ তাদের কাছে ছেলেরা ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করতে যায়।
সমসাময়িক সময়ে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু গতকালের ঘটনা ছিল একেবারে লোমহর্ষক। মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা অভাবনীয়! যা কখনো পতিতালয়েও ঘটে না।
সাভারের একটি মাদ্রাসায় সাত বছরের এক শিশু ছাত্রকে টয়লেটে ধর্ষণ করে এক শিক্ষক, এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার পর মাদ্রাসার অন্য ছাত্ররা শিশুটিকে পালাবদল করে ধর্ষণ করে। তারপর শিশুটি মাদ্রাসার যে শিক্ষকের কাছে বিচার নিয়ে যায় সে শিক্ষকই ধর্ষণ করে, এমনি করে চারজন শিক্ষক ধর্ষণ করে। এবং এই ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দেয়।
শিশুটি টানা কয়েকদিনের লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়ে অস্বাভাবিক আচরণ ও সারাক্ষণ কান্নাকাটি করতে থাকে। তারপর ঘটনাটি শিশু তারা বাবাকে বললে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য এবং মাদ্রাসার ৪ জন শিক্ষক ৬ জন ছাত্রের নামে মামলা করে।
ভাবছেন কোনো গল্প-উপন্যাস কিংবা সিনেমা-নাটকের ঘটনা, তাই না? না, এই ঘটনা বাস্তব। ঘটেছে সাভারের মারকাযুল উলুম আশ-শরইয়্যাহ মাদ্রাসায়। ছেলেটির বয়স শুনলে আঁতকে উঠবেন। মাত্র সাত বছর। এই ছোট্ট শিশুটির কি অন্যায় ছিল?
ছেলেটির অভিভাবক বলেন, ছেলে বাড়িতে এলে তাকে মনমরা হয়ে থাকতে দেখা যেত। সে ঠিকমতো কথা বলত না এবং খাবারও খেত না। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো মাদরাসার পড়ালেখার চাপের কারণে এমনটি করছে। সে মাদরাসায় যেতে চাইতো না। গুরুত্ব না দিয়ে তারা আবার পাঠান। আর বারে বারে হতে থাকে ধর্ষিত।
ছোট পায়ু পথে চেপে চেপে বড় যৌনাঙ্গ ঢুকাতে ঢুকাতে জখম করে ফেলেছে। এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তার বাবা। ওই চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন।
ধর্ষকদের কেউ হাফেজ, কেউ হাফ মাওলানা আর কেউ জবরদস্ত মাওলানা। তাদের শক্তিশালী শরীরের কামুক স্পর্শে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ছোট শিশুটি। এই বয়সেই কি নির্মম পরিহাস!
শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা থেকে পদচ্যুত হওয়ার পর কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের যৌন উত্তেজনা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভাদ্র মাস চলছে, কুকুরের থেকেও তারা হর্নি হয়ে উঠেছে।
আমি প্রশাসনকে পরামর্শ দিবো, কওমি মাদ্রাসার সকল শিক্ষককে যেন ধারাবাহিকভাবে যৌন উত্তেজনা নিবারণকারী ভ্যাকসিন দেওয়া হোক। আর না হয় এদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।
কওমে লূত (আঃ) কেন ধ্বংস হয়েছিল?
কওমে লূত (আঃ) কেন ধ্বংস হয়েছিল?
পুরুষে পুরুষে শারীরিক সম্পর্ক তথা সমকামিতার মতো জঘন্য অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে আল্লাহ'তালা হযরত লূত (আঃ) এর কওমকে প্রসিদ্ধ ফেরেশতা হযরত জিব্রাইল (আঃ) এর মাধ্যমে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। জিব্রাইল (আঃ) কওমের পুরো জনপদকে উপুড় করে আকাশে তুলে আছড়ে ফেলে দেন, তারপর আল্লাহর নির্দেশে আকাশ থেকে পাথর বৃষ্টি হয়, প্রতিটি পাথরে সমকামী পাপে লিপ্ত থাকা পাপীদের নাম নিদিষ্ট করে লেখা ছিল। জায়গাটির বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান জর্দান ও ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী সাগরটি। যেটিকে মৃত সাগর বলা হয়। এই মৃত সাগরে আদৌ কোনো মাছ ও প্রাণী বেঁচে থাকতে পারেনা, এমনকি মানুষও ডুবে যায়না। ঐতিহাসিকভাবে সাগরটি ও আশেপাশে স্থানকে অভিশপ্ত মনে করা হয়। হযরত লূত (আঃ) এর কওমের এমন পাপাচারের কাহিনী আল্লাহ আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে আমাদের কাছে দৃষ্টান্ত রূপে প্রেরণ করেছেন, যেন আমরাও লূত (আঃ)এর কওমের মতো পাপাচারে লিপ্ত না হই। কিন্তু বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রেক্ষাপট লূত (আঃ) এর কওমের মতো পরিণত হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কওমি মাদ্রাসাগুলোতে একের পর এক বলাৎকারের ঘটনা ঘটছে। এমন ঘটনার পেছনে স্বয়ং শিক্ষকরা জড়িত, অথচ
তাদের কাছে ছেলেরা ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করতে যায়। সমসাময়িক সময়ে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু গতকালের ঘটনা ছিল একেবারে লোমহর্ষক। মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা অভাবনীয়! যা কখনো পতিতালয়েও ঘটে না। সাভারের একটি মাদ্রাসায় সাত বছরের এক শিশু ছাত্রকে টয়লেটে ধর্ষণ করে এক শিক্ষক, এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার পর মাদ্রাসার অন্য ছাত্ররা শিশুটিকে পালাবদল করে ধর্ষণ করে। তারপর শিশুটি মাদ্রাসার যে শিক্ষকের কাছে বিচার নিয়ে যায় সে শিক্ষকই ধর্ষণ করে, এমনি করে চারজন শিক্ষক ধর্ষণ করে। এবং এই ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দেয়। শিশুটি টানা কয়েকদিনের লাগাতার ধর্ষণের শিকার হয়ে অস্বাভাবিক আচরণ ও সারাক্ষণ কান্নাকাটি করতে থাকে। তারপর ঘটনাটি শিশু তারা বাবাকে বললে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য এবং মাদ্রাসার ৪ জন শিক্ষক ৬ জন ছাত্রের নামে মামলা করে। ভাবছেন কোনো গল্প-উপন্যাস কিংবা সিনেমা-নাটকের ঘটনা, তাই না? না, এই ঘটনা বাস্তব। ঘটেছে সাভারের মারকাযুল উলুম আশ-শরইয়্যাহ মাদ্রাসায়। ছেলেটির বয়স শুনলে আঁতকে উঠবেন। মাত্র সাত বছর। এই ছোট্ট শিশুটির কি অন্যায় ছিল? ছেলেটির অভিভাবক
বলেন, ছেলে বাড়িতে এলে তাকে মনমরা হয়ে থাকতে দেখা যেত। সে ঠিকমতো কথা বলত না এবং খাবারও খেত না। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো মাদরাসার পড়ালেখার চাপের কারণে এমনটি করছে। সে মাদরাসায় যেতে চাইতো না। গুরুত্ব না দিয়ে তারা আবার পাঠান। আর বারে বারে হতে থাকে ধর্ষিত। ছোট পায়ু পথে চেপে চেপে বড় যৌনাঙ্গ ঢুকাতে ঢুকাতে জখম করে ফেলেছে। এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তার বাবা। ওই চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। ধর্ষকদের কেউ হাফেজ, কেউ হাফ মাওলানা আর কেউ জবরদস্ত মাওলানা। তাদের শক্তিশালী শরীরের কামুক স্পর্শে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ছোট শিশুটি। এই বয়সেই কি নির্মম পরিহাস! শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতা থেকে পদচ্যুত হওয়ার পর কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের যৌন উত্তেজনা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে ভাদ্র মাস চলছে, কুকুরের থেকেও তারা হর্নি হয়ে উঠেছে। আমি প্রশাসনকে পরামর্শ দিবো, কওমি মাদ্রাসার সকল শিক্ষককে যেন ধারাবাহিকভাবে যৌন উত্তেজনা নিবারণকারী ভ্যাকসিন দেওয়া হোক। আর না হয় এদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত