নিজস্ব প্রতিবেদক,কুমিল্লা :
কুমিল্লায় লাইভ প্রস্তুতির সময় একাত্তর টিভির সাংবদিক ও ক্যামেরা পার্সনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১ টায় নগরীর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের ফটকে এ ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও বিডি টুডেস এর কুমিল্লা ব্যরো চিফ, একাত্তর টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক কাজী এনামুল হক ফারুক ও ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগ।
কাজী এনামুল হক ফারুক বলেন, অফিসের লাইভ প্রোগ্রাম ছিল। আমি যুক্ত হওয়ার জন্য স্টেডিয়াম এলাকায় আসি। এখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের নির্দেশে তার নেতাকর্মীরা আমার ওপর হামলা করে। এসময় তারা আমার ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগকের ওপরও হামলা করে। তারা আমার মোবাইল ও লাইভ ডিভাইস নিয়ে গেছে।
ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগ বলেন, আমরা লাইভে যুক্ত। এমপি মহোদয় এসে আমাদের দেখিয়ে নেতাকর্মীদের বলেন, এই "ফারিক্কা (এনামুল হক ফারুক) … ওই ফারুক কুত্তার বাচ্চারে ধর।" এসময় নেতাকর্মীরা ফারুক (এনামুল হক ফারুক) ভাই ও আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। উনার পিএস আমাকে এলোপাতাড়ি মেরেছে। আমার পুরো শরীরে ব্যাথা করছে। তারা মোবাইল ও লাইভ ডিভাইস নিয়ে গেছে। কুমিল্লা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও সময় টিভির সাংবাদিক বাহার রায়হান বলেন, আমরা কুমিল্লা-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও নৌকার প্রার্থী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের নির্বাচনী প্রচারণায় নিউজ কাভার করার জন্য আসি। সভা শেষে সাংবাদিকদের দেখে তিনি বলেন, কোন টিভির সাংবাদিক আমার কাভারেজে আসবে না। তখনই একাত্তর টিভির সাংবাদিকদের দেখে তেঁড়ে আসেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তার নেতাকর্মীরা একাত্তরের প্রতিনিধি ও ক্যামেরা পার্সনের গায়ে হাত তোলে। তাদের ডিভাইস ছিনিয়ে নিয়ে যায়। শুধু আজই নয়, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রচারণার প্রথমদিন কুমিল্লার চাঁনপুর এলাকায় উনার উঠান বৈঠকে আমাকে দেখে স্টেজ থেকে মালটা দিয়ে ঢিল মারেন। এবং বলেন তার কাছে কি আছে সবাই চেক কর।
তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালে কুমিল্লার কান্দিরপাড়ে আওয়ামী লীগ বিএনপির সংঘর্ষের সময় আমার ক্যামেরা নিয়ে যায়। আমার গায়েও হাত তোলে। আরেক ঘটনায় তিনি সময় টেলিভিশনের এমডি আহমেদ জুবায়ের ও আমিসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার একটি মানহানি মামলা করে। যে মামলার গ্লানি এখনও টানছি। ১২ অক্টোবর মদমুক্ত পূঁজা আয়োজনের আহবান করা নিয়ে তার বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ করায় স্থানীয় কুমিল্লার কাগজের প্রতিনিধিদের তিনি তার সমাবেশ থেকে বের করে দেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তিনি সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই সাংবাদিক নেতা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবী করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি বিএনপি-জামায়াতের কোনও কর্মীকে নির্বাচনে কোনও প্রার্থীর পক্ষে পাওয়া গেলে তাদের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ অভিযোগে কুমিল্লা সদর আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে একদিনে দুটি শোকজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) তাকে শোকজ করেন কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান মো. সিরাজ উদ্দিন ইকবাল।
কুমিল্লায় সাংবাদিক এনামুল হক ফারুকের ওপর হামলার অভিযোগ
কুমিল্লায় সাংবাদিক এনামুল হক ফারুকের ওপর হামলার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক,কুমিল্লা :কুমিল্লায় লাইভ প্রস্তুতির সময় একাত্তর টিভির সাংবদিক ও ক্যামেরা পার্সনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১ টায় নগরীর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের ফটকে এ ঘটনা ঘটে।হামলার শিকার কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও বিডি টুডেস এর কুমিল্লা ব্যরো চিফ, একাত্তর টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক কাজী এনামুল হক ফারুক ও ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগ। কাজী এনামুল হক ফারুক বলেন, অফিসের লাইভ প্রোগ্রাম ছিল। আমি যুক্ত হওয়ার জন্য স্টেডিয়াম এলাকায় আসি। এখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের নির্দেশে তার নেতাকর্মীরা আমার ওপর হামলা করে। এসময় তারা আমার ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগকের ওপরও হামলা করে। তারা আমার মোবাইল ও লাইভ ডিভাইস নিয়ে গেছে।ক্যামেরা পার্সন সাইদুর রহমান সোহাগ বলেন, আমরা লাইভে যুক্ত। এমপি মহোদয় এসে আমাদের দেখিয়ে নেতাকর্মীদের বলেন, এই "ফারিক্কা (এনামুল হক ফারুক) … ওই ফারুক কুত্তার বাচ্চারে ধর।" এসময় নেতাকর্মীরা ফারুক (এনামুল হক ফারুক) ভাই ও আমার
ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। উনার পিএস আমাকে এলোপাতাড়ি মেরেছে। আমার পুরো শরীরে ব্যাথা করছে। তারা মোবাইল ও লাইভ ডিভাইস নিয়ে গেছে। কুমিল্লা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ও সময় টিভির সাংবাদিক বাহার রায়হান বলেন, আমরা কুমিল্লা-৬ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও নৌকার প্রার্থী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের নির্বাচনী প্রচারণায় নিউজ কাভার করার জন্য আসি। সভা শেষে সাংবাদিকদের দেখে তিনি বলেন, কোন টিভির সাংবাদিক আমার কাভারেজে আসবে না। তখনই একাত্তর টিভির সাংবাদিকদের দেখে তেঁড়ে আসেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তার নেতাকর্মীরা একাত্তরের প্রতিনিধি ও ক্যামেরা পার্সনের গায়ে হাত তোলে। তাদের ডিভাইস ছিনিয়ে নিয়ে যায়। শুধু আজই নয়, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রচারণার প্রথমদিন কুমিল্লার চাঁনপুর এলাকায় উনার উঠান বৈঠকে আমাকে দেখে স্টেজ থেকে মালটা দিয়ে ঢিল মারেন। এবং বলেন তার কাছে কি আছে সবাই চেক কর।তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালে কুমিল্লার কান্দিরপাড়ে আওয়ামী লীগ বিএনপির সংঘর্ষের সময় আমার ক্যামেরা নিয়ে যায়। আমার গায়েও হাত তোলে। আরেক ঘটনায় তিনি সময়
টেলিভিশনের এমডি আহমেদ জুবায়ের ও আমিসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার একটি মানহানি মামলা করে। যে মামলার গ্লানি এখনও টানছি। ১২ অক্টোবর মদমুক্ত পূঁজা আয়োজনের আহবান করা নিয়ে তার বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ করায় স্থানীয় কুমিল্লার কাগজের প্রতিনিধিদের তিনি তার সমাবেশ থেকে বের করে দেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তিনি সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই সাংবাদিক নেতা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবী করেন।উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি বিএনপি-জামায়াতের কোনও কর্মীকে নির্বাচনে কোনও প্রার্থীর পক্ষে পাওয়া গেলে তাদের হাত-পা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ অভিযোগে কুমিল্লা সদর আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও এমপি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে একদিনে দুটি শোকজ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) তাকে শোকজ করেন কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান মো. সিরাজ উদ্দিন ইকবাল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত