অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জয়ের পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রসার ধীর হওয়ার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ারের বড় দরপতন হয়েছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ডেটা সেন্টার নির্মাণসহ এআই অবকাঠামো খাতে সরকারি নজরদারি ও কঠোর বিধিনিষেধ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার বিক্রির ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য থেকে বিপুল অর্থ মুছে যায়।
নির্বাচনী প্রচারের সময় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের অনেকেই ডেটা সেন্টারের সম্প্রসারণ সীমিত করা এবং এআই প্রযুক্তির বিকাশের গতি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ কম্পিউটিং সক্ষমতার প্রয়োজন হওয়ায় ডেটা সেন্টারের পরিবেশগত প্রভাব, বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন দলটির নেতারা। সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ নবনির্বাচিত গভর্নররাও নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, পরিবেশগত পর্যালোচনা ও স্থানীয় বিরোধিতার মুখে পড়ায় এআই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতে পারে এবং পুরো শিল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর আগে থেকেই এআই খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের বিপরীতে আশানুরূপ মুনাফা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় ছিল। ইউবিএসের বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনার উল্লেখযোগ্য অংশ এখন স্থগিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
এই দরপতনের ফলে প্রযুক্তি-নির্ভর নাসডাক কম্পোজিট সূচক ৫ শতাংশের বেশি কমে যায় এবং নাসডাক-১০০ সূচক থেকে প্রায় আড়াই ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে যায়। এনভিডিয়া, এএমডি ও মাইক্রনের মতো শীর্ষ চিপ নির্মাতা এবং টেসলা ও স্পেসএক্সসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারমূল্যে বড় ধরনের ধস নামে। মার্কিন বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের এশীয় বাজারগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ধাক্কায় এআই খাতের শেয়ারে ধস, নাসডাক হারাল আড়াই ট্রিলিয়ন ডলার
মধ্যবর্তী নির্বাচনের ধাক্কায় এআই খাতের শেয়ারে ধস, নাসডাক হারাল আড়াই ট্রিলিয়ন ডলার
অর্থনীতি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জয়ের পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের প্রসার ধীর হওয়ার শঙ্কায় বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ারের বড় দরপতন হয়েছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে যাওয়ায় ডেটা সেন্টার নির্মাণসহ এআই অবকাঠামো খাতে সরকারি নজরদারি ও কঠোর বিধিনিষেধ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার বিক্রির ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য থেকে বিপুল অর্থ মুছে যায়।নির্বাচনী প্রচারের সময় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের অনেকেই ডেটা সেন্টারের সম্প্রসারণ সীমিত করা এবং
এআই প্রযুক্তির বিকাশের গতি নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এছাড়া বিপুল পরিমাণ কম্পিউটিং সক্ষমতার প্রয়োজন হওয়ায় ডেটা সেন্টারের পরিবেশগত প্রভাব, বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার নিয়ে আগে থেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন দলটির নেতারা। সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্সসহ নবনির্বাচিত গভর্নররাও নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণে স্থগিতাদেশ দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, পরিবেশগত পর্যালোচনা ও স্থানীয় বিরোধিতার মুখে পড়ায় এআই প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন বিলম্বিত হতে পারে এবং পুরো শিল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। এর আগে থেকেই এআই খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের বিপরীতে আশানুরূপ মুনাফা পাওয়া যাবে কি না, তা
নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে সংশয় ছিল। ইউবিএসের বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনার উল্লেখযোগ্য অংশ এখন স্থগিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।এই দরপতনের ফলে প্রযুক্তি-নির্ভর নাসডাক কম্পোজিট সূচক ৫ শতাংশের বেশি কমে যায় এবং নাসডাক-১০০ সূচক থেকে প্রায় আড়াই ট্রিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে যায়। এনভিডিয়া, এএমডি ও মাইক্রনের মতো শীর্ষ চিপ নির্মাতা এবং টেসলা ও স্পেসএক্সসহ বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারমূল্যে বড় ধরনের ধস নামে। মার্কিন বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানের এশীয় বাজারগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত