বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেবিট ইমনের সহযোগী মোবারক অস্ত্রসহ গ্রেফতার দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন যুগ্ম সচিব রফিকুল ইসলাম হালদায় অভিযান, ২০ হাজার ঘনফুট বালু ও সরঞ্জাম জব্দ বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআই’র রাঙ্গামাটিতে স্কাউটস’র জাতীয় অ্যাডভেঞ্চার ক্যাম্প শুরু পিএফএ বর্ষসেরা ব্রুনো ফার্নান্দেস চারণভূমি সুরক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর হাম আক্রান্ত সন্দেহে আরও ৭ জনের মৃত্যু সিটি থেকে নিউক্যাসলে যোগ দিচ্ছেন নিকো গঞ্জালেজ জয়ের জন্যই এসেছি : ডাচ ফুটবলের গৌরব ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার জাভির
খেলাধুলা মেসির পর এবার নিষিদ্ধ তার দেহরক্ষী

মেসির পর এবার নিষিদ্ধ তার দেহরক্ষী

সম্প্রতি অল-স্টার ম্যাচে অংশ না নেওয়ায় মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কর্তৃপক্ষ লিওনেল মেসিকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করে। সেই সিদ্ধান্তে নাখোশ ছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তবে এবার আরেকটি নিষেধাজ্ঞার খবরে আলোচনায় এলেন মেসি, যদিও এবার নিষেধাজ্ঞায় তিনি নন, বরং তার দেহরক্ষী ইয়াসিন চুয়েকো।

ইএসপিএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লিগস কাপে ইন্টার মায়ামি বনাম ক্লাব আটলাস ম্যাচ শেষে ঘটনার জেরে চুয়েকোকে পুরো টুর্নামেন্টে টেকনিক্যাল এরিয়ায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে শৃঙ্খলা কমিটি। পাশাপাশি ইন্টার মায়ামি ক্লাবকেও আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে, যদিও তার পরিমাণ প্রকাশ করা হয়নি।

শৃঙ্খলা কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুলাইয়ের ম্যাচ শেষে ইন্টার মায়ামির প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য পরিচয়পত্র ছাড়াই নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ করে এবং নিয়মবহির্ভূত আচরণ করেন। সে কারণে তাকে লিগস কাপ ২০২৫-এর বাকি সময়জুড়ে টেকনিক্যাল এরিয়া থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ওই ম্যাচের শেষ মুহূর্তে, যখন দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটির সৃষ্টি হয়। উত্তেজনা থামাতে দ্রুত মাঠে ঢুকে পড়েন মেসির নিরাপত্তাকর্মী চুয়েকো। তবে তার এমন পদক্ষেপ নিয়ে আপত্তি তোলেন প্রতিপক্ষ আটলাসের খেলোয়াড়রা।

আটলাসের ডিফেন্ডার দোরিয়া এ নিয়ে বলেন, মাঠে কোনো ভক্ত ঢুকে পড়লে মেসির নিরাপত্তায় দেহরক্ষীর উপস্থিতি আমি বুঝি। কিন্তু খেলোয়াড়দের মধ্যকার পরিস্থিতিতে তিনি জড়াতে পারেন না। খেলোয়াড়দের ব্যাপারে মত দেওয়ার বা পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তার নেই।

তিনি আরও যোগ করেন, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের নয়। বোর্ড এবং লিগ কর্তৃপক্ষ যেটি সঠিক মনে করবে, সেটিই করবে। তবে এমন হস্তক্ষেপ যদি কেবল খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার স্বার্থে হয়, তাহলে সেটা মানা যেতে পারে। কিন্তু এর বাইরে অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

খুঁজুন