পরিচয় বদলে কখনও ভারতে, কখনও কুয়েতে এভাবে প্রায় ২৭ বছর আত্মগোপনে ছিলেন এরশাদ শিকদারের সহযোগী জয়নাল সরদার (৫৫)।
কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের সহযোগী ও হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এ পলাতক আসামিকে গতকাল শনিবার রাতে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬) খুলনা ও এসআরবি-৮ বরিশালের যৌথ দল।
জয়নাল বরিশালের গৌরনদী থানার বংকুরা গ্রামের মৃত আহম্মদ আলী সরদারের ছেলে।
আজ রোববার এসআরবি-৬ খুলনার মিডিয়া সেলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে জয়নাল সরদারের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে খুলনার রূপসা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে হত্যার অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সাথে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। এ ছাড়া লাশ গুমের অপরাধে পৃথকভাবে তাকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গ্রেফতার জয়নালকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট মামলায় এজাহারনামীয় মোট আটজন আসামি ছিল। যার মধ্যে খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার ১নং আসামি ছিল।
সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জয়নাল ২৭ বছর পর খুলনায় গ্রেফতার
সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জয়নাল ২৭ বছর পর খুলনায় গ্রেফতার
পরিচয় বদলে কখনও ভারতে, কখনও কুয়েতে এভাবে প্রায় ২৭ বছর আত্মগোপনে ছিলেন এরশাদ শিকদারের সহযোগী জয়নাল সরদার (৫৫)। কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের সহযোগী ও হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এ পলাতক আসামিকে গতকাল শনিবার রাতে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৬) খুলনা ও এসআরবি-৮ বরিশালের যৌথ দল। জয়নাল বরিশালের গৌরনদী থানার বংকুরা গ্রামের মৃত আহম্মদ আলী সরদারের ছেলে। আজ রোববার এসআরবি-৬ খুলনার মিডিয়া সেলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে জয়নাল সরদারের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে খুলনার রূপসা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে হত্যার অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই সাথে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছর
বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। এ ছাড়া লাশ গুমের অপরাধে পৃথকভাবে তাকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতার জয়নালকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট মামলায় এজাহারনামীয় মোট আটজন আসামি ছিল। যার মধ্যে খুলনার কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার ১নং আসামি ছিল।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত