সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল নবম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১০ সেপ্টেম্বর কারিগরি বোর্ডের ৩৬০ ঘণ্টার শর্ট কোর্সে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন শুরু বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ২৪ লাখ ডলারের চিকিৎসা সরঞ্জাম দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বাগেরহাটে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে দিনব্যাপী কর্মসূচি নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নোয়াখালীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন মেক্সিকোতে থানার সামনে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে আহত ৬ বরিশালে কবি নজরুলের প্রয়াণবার্ষিকীতে ‘ভালোবাসো মোর গান’ শীর্ষক আলোচনা ইরান থেকে আসা ড্রোন প্রতিহতের দাবি আরব আমিরাতের
আইন আদালত শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। আসামিপক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

২০২৫ সালের মার্চ মাসের শুরুতে মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতাল নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

২০২৫ সালের ১৩ মার্চ শিশু আছিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরে দ্রুত বিচার শেষে শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে ২০২৫ সালের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান। 

ট্রাইব্যুনালের রায়ে এই মামলার বাকি তিন আসামি শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়। মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে পরে এই মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে।

খুঁজুন