রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
জাতীয় সংকট কাটাতে মজুদ হচ্ছে চাল-গম

সংকট কাটাতে মজুদ হচ্ছে চাল-গম

ভারত, মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম থেকে চাল এবং রাশিয়ার গম আমদানি করে আপৎকালীন মজুদ গড়ে তুলছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক চাল এবং গমবাহী জাহাজ ভিড়ছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে গমবাহী ৬টি ও চালবাহী ৪টি জাহাজ থেকে পণ্য খালাস চলছে। চট্টগ্রাম বন্দরের জিসিবির ৫ এবং ৯ নম্বর জেটিতে অবস্থানরত দুটি জাহাজ থেকে আটটি ক্রেনের সাহায্যে চালের বস্তা ট্রাকে নামানো হচ্ছে। চালের বস্তা ভর্তি হতেই একের পর এক ট্রাক গুদামের দিকে ছুটছে। এর মধ্যে নগরীর হালিশহরে সরকারি কেন্দ্রীয় গুদামের পাশাপাশি চাল পাশের জেলাগুলোর গুদামেও চলে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান দুটি জেটির পাশাপাশি পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের জেটিতে চাল এবং সাইলো জেটিতে খালাস হচ্ছে রাশিয়া থেকে আনা গম। এছাড়া বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত আরো ৫টি মাদার ভেসেল থেকে গম এবং অপর একটি মাদার ভেসেল থেকে চাল খালাস চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই খালাস শেষ হয়ে সরকারি গুদামে যাবে অন্তত ২ লাখ টন গম ও ৯০ হাজার টনের বেশি চাল।

মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতে সেই সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় আপৎকালীন সংকট মোকাবিলায় সরকার ভারত ও মিয়ানমারের পাশাপাশি ভিয়েতনাম থেকেও চাল আমদানি করছে। তবে বর্তমান বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য বেসরকারি খাতকেও চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে মোকাম মালিক, বেসরকারি আমদানিকারক এবং শিল্প গ্রুপগুলোর সিন্ডিকেট কারসাজির মুখে অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের চালের বাজার। এ অবস্থায় সংকট কাটাতে সরকারিভাবে আমদানি করা চালের একটি অংশ টিসিবি কিংবা ওএমএসের মাধ্যমে বিক্রির পরামর্শ দিয়েছে ক্যাব।

চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টন গম এবং ৭১ হাজার টন সরকারের আমদানি করা চাল খালাস করা হয়েছে।

খুঁজুন