Logo
শিরোনাম
বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা" পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার ১৬৩ টাকায় তেল বিক্রির ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: ভোক্তার মহাপরিচালক দুর্গাপুরে বালুবাহী হ্যান্ডট্রলির চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবু বক্কর, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত নওগাঁয় প্রাইভেটকার তল্লাসি, ৭২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক রূপগঞ্জে প্রাইভেটকার চাপায় গৃহবধু নিহত রাঙ্গামাটির বড়ইছড়ি নির্মাণ শ্রমিক বোঝাই ট্রাক খাদে নিহত-২, আহত-২০ মুসলিমদেরকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে নওগাঁয় কম্পিউটার ব্যবসার অন্তরালে অশ্লিল ভিডিও বিক্রি করায় ৩ যুবক আটক

ভাষা ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের প্রতিবাদে সভা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

আজ ৩ ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে পূর্ব বঙ্গজুড়ে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের প্রতিবাদে কমিটি অব অ্যাকশন ঢাকায় আওয়ামী লীগ প্রতিবাদ সভা ডাকে। তবে ১৯৪৭ সাল থেকেই বাঙালি ছাত্র ও নেতাদের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও দাওয়াতে বাংলা ভাষাকে সরকারি মর্যাদা দেওয়ার দাবি তোলা হয়। এভাবে বাংলা ভাষার দাবি পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করে ১৯৪৮ সালের প্রথমদিকে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। মূলত সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে এর সূচনা হলেও ক্রমেই এটি রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। দুই পর্বে বিভক্ত এ আন্দোলন ১৯৪৮ সালে অনেকটা শিক্ষিত, বুদ্ধিজীবী শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল এবং শুধু বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম হলেও ১৯৫২ সালের আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে। শুধু শিক্ষিত শ্রেণি নয় বরং পুরো বাঙালি জাতির মধ্যে এর প্রভাব পড়ে। এ পর্যায়ে শুধু ভাষার বৈষম্য নয়, আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাঙালির প্রতি বৈষম্য পরিস্ফূটিত করে। এর ফলে ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিকে একক রাজনৈতিক মঞ্চে নিয়ে আসে এবং নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন করে তোলে।

এভাবে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি, উদার দৃষ্টিভঙ্গির সূচনা, সামাজিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন বাঙালিকে নতুন পরিমন্ডলে নিয়ে যায়। বাঙালি জাতির পরবর্তীকালে সংগঠিত প্রতিটি আন্দোলনে প্রেরণা আসে ভাষা আন্দোলন থেকে। ভাষা আন্দোলনের শিক্ষাই বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার আন্দোলনে দীক্ষিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সশস্ত্র সংগ্রামে প্রেরণা জোগায়। সুতরাং বলা যায়, ভাষা আন্দোলনের ফলেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে, প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের মতো বহু ভাষাভাষী রাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টির জন্য একটি ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রয়োজনীয়তা প্রথম থেকেই শাসকগোষ্ঠী অনুভব করেন। পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা থেকে শুরু করে প্রভাবশালীদের বড় অংশ ছিলেন উত্তর ভারত থেকে আগত উর্দুভাষী। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান থেকে শুরু করে পাকিস্তানের উচ্চ পদবিধারীরা ছিলেন উর্দুভাষী মোহাজের। জিন্নাহ ও তার উত্তরসূরি লিয়াকত আলীর মন্ত্রিসভাকে তাই মোহাজের মন্ত্রিসভা বলা হতো।

এক হিসাবে দেখা যায়, ১৯৪৭-৫৮ পর্যন্ত পাকিস্তানের ২৭ জন গভর্নর জেনারেল/প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, প্রাদেশিক গভর্নর ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ১৮ জন ছিলেন মোহাজের। এদের আবার অধিকাংশের ভাষা ছিল উর্দু। যে কারণে প্রথমে থেকেই শ্রেণি স্বার্থে তারা উর্দু ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে ছিলেন। এমনকি নাজিমুদ্দিন যিনি পূর্ববাংলার উচ্চপদে আসীন হয়েছিলেন তিনি ছিলেন উর্দুভাষী। স্বভাবতই তারা ও পশ্চিম পাকিস্তানি জনগোষ্ঠী রাজনীতি, অর্থনীতিসহ সর্বত্র নিজেদের প্রাধান্য বজায় রাখার জন্য এ ভাষাকে বেছে নেয়। পশ্চিম পাকিস্তানিরা বহু দিন থেকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে উর্দুকে চর্চা করায় তারা উর্দুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেনি। মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ও প্রভাবশালী অংশ পশ্চিম পাকিস্তানি হওয়ায় তারা সবাই এ ভাষার পক্ষে ছিলেন। তবে পূর্ব বাংলায় এর প্রতিবাদ ওঠে। কারণ পূর্ব বাংলায় কখনোই উর্দু চর্চা হয়নি। বাঙালিরা গণতন্ত্র, জনসংখ্যাধিক্য ইত্যাদি কারণে ৫৬ ভাগ বাংলাভাষীদের ভাষা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা দাবি করেছে।

 তথ্যসূত্র : ভাষা আন্দোলন ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ।


আরও খবর

একজন শুভ্রদেব ও একুশে পদক প্রাপ্তি

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভাষার মাসের প্রথম দিনে নওগাঁয় বর্ণমালা মিছিল

বৃহস্পতিবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শুল্ক কমে, দাম কমে না, লাভ ব্যবসায়ীদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

এক সপ্তাহ আগে চার ধরনের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমানো হলেও তার প্রভাব নেই বাজারে। আর সহসা প্রভাব পড়বে বলেও মনে হয় না। রোজার মাসকে সামনে রেখে শুল্ক কমানো হয়েছে।

অবশ্য আগামী সপ্তাহে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। আর বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেছেন ১ মার্চ থেকে ওই চারটি পণ্য কম দামে বিক্রি না করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আমদানিকারকেরা বলছেন, ডলার সংকট এবং এলসি খোলা থেকে আমাদানি পর্যন্ত সময় বিবেচনায় নিতে হবে। তারা যা আগেই আমদানি করেছেন তার শুল্ক তো দিয়ে দিয়েছেন। ওই চার ধরনের পণ্য আমদানিতে ১৫ দিন থেকে দেড় মাস সময় লাগে। সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আর খেজুর আমদানিকারকেরা অভিযোগ করেছেন শুল্কায়নের সময় দাম বাড়িয়ে দেখানোয় বাস্তবে খেজুরের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।
আমদানিকারকেরা এই শুল্ক কমানোর সুবিধা সর্বোচ্চ ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পাবেন। চাল আমদানিতে ১৫ মে পর্যন্ত সুবিধা দেয়া হলেও চলতি অর্থ বছওে চাল আমদানি হচ্ছে না।

শুল্ক কমায় দাম কত কমার কথা :


৮ ফেব্রুয়ারি চার ধরনের পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমানোর প্রজ্ঞাপণ জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। পণ্যগুলো হলো : চাল, ভোজ্য তেল, চিনি ও খেজুর।

সিদ্ধ ও আতপ চালের আমদানি শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসাথে সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক বা রেগুলেটরি ডিউটি ২৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ সুবিধা চাল আমদানিকারকেরা পাবেন আগামী ১৫ মে পর্যন্ত। দেশে পরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন ও ব্যবসা পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর বা মূসক বা ভ্যাট পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়েছে। এ সুবিধা তারা পাবেন আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। বিদেশ থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং পাম তেল আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। আমদানিকারকেরা এ সুবিধা পাবেন ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

খেজুরের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। আগে আমদানি শুল্ক ছিলো ২৫ শতাংশ। আমদানিকারকেরা এ সুবিধা পাবেন আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত।

পরিশোধিত ও অপরিশোধিত উভয় ধরনের চিনির আমদানি আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে প্রতি টনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে এক হাজার টাকা করা হয়েছে। আগে যা ছিল দেড় হাজার টাকা। আর পরিশোধিত চিনি আমদানিতে টনপ্রতি আমদানি শুল্ক কমিয়ে করা হয়েছে দুই হাজার টাকা, আগে যা ছিল তিন হাজার টাকা। এ শুল্ক ছাড় পাওয়া যাবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।

শুল্ক কমানোর এক সপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার বাজারে দেখা গেছে ওই চার ধরনের ভোগ্য পণ্যের দাম এক পয়সাও কমেনি।
প্রতি কেজি সাধারণ মানের খেজুর ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। এক মাস ধরে এ দরেই এসব খেজুর বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গত বছরের চেয়ে অবশ্য কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি।

আগের মতোই প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০ থেকে ১৭৩ এবং খোলা তেল ১৫৮ থেকে ৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর পাম তেলের লিটার ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা । এক মাসের বেশি সময় ধরে এ দরেই বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল।
দুই মাস ধরে খোলা চিনির কেজি ১৪০ থেকে ১৪৫ এবং প্যাকেটজাত চিনি ১৪৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এখনও সেই দরে কিনতে হচ্ছে চিনি।

বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৭৫, মাঝারি চাল ৫৫ থেকে ৬৫ ও মোটা চালের কেজি ৫০ থেকে ৫৪ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুল্ক কমানোর পর চালের দাম কমেনি। তবে চলতি অর্থবছরে কোনো ধরনের চাল আমদানি হয়নি। গত বছর ১৭ থেকে ১৮ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে চার লাখ ২১ হাজার টন।


কলাবাগানের মুদি দোকানদার আব্দুর রহিম জানান, 'আমদানি শুল্ক কমানোর পর ওইসব পণ্যের দাম এখনো কমেনি। আমরা আগের দামেই বিক্রি করছি। কমবে কিনা জানি না। তবে চালের দাম অভিযানের ফলে কয়েকদিন আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। আর চিনি, সয়াবিন ও পাম তেল এবং খেজুরের দাম গত ১৫ দিন থেকে এক মাস আমরা একই দামে বিক্রি করছি। চিনির দাম কিছুটা কমেছে তবে তা এখন নয়, আগেই কমেছে।

তার কথা, 'কবে কমবে আমরা জানি না। পাইকারি যাদের কাছ থেকে আনি তারা কমালে আমরাও কমাবো। তার আগে তো পারব না।

আমদানিকারকেরা যা বলছেন :


বাংলাদেশের ভোজ্য তেল এবং চিনি আমদানির যে পাঁচটি বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আছে তার মধ্যে মেঘনা গ্রুপ একটি। ওই গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার মজিবুর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশে চিনি আসে প্রধানত ব্রাজিল থেকে। আর সয়াবিন ও পাম তেল আনা হয় ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে। ব্রাজিল থেকে চিনি আনতে সব মিলিয়ে কমপক্ষে এক মাস লাগে। আর ভোজ্য তেল আনতে ১৫ দিন থেকে এক মাস লাগে। ফলে আমরা নতুন আমদানি করলে শুল্ক কমানোর সুবিধা পাবো। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি আগেই আমদানি করা তেল ও চিনির দাম কমাতে। কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা তেলের দাম কিছুটা কমাবো। চার-পাঁচ টাকা ডিসকাউন্ট দেব লিটারে।

তার কথা, 'অনেকেই রোজার মাসের চাহিদা হিসাব করে তেল-চিনি নিয়ে এসেছেন। হয়তো ওই মাসের জন্য নতুন অল্প কিছু আমদানি হবে। পাইপলাইনে যা আছে তা শুল্ক সুবিধা পাবে। যার এলসি আগেই খোলা হয়েছে, পাইন লাইনে আছে সেগুলো নির্ধারিত সময়ের আগে খালাস হলে শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে।
তার বিবেচনায় সরকার যে নির্ধারিত সময়ের জন্য শুল্ক সুবিধা দিয়েছে তাতে অল্প অল্প পরিমাণ তেল চিনি এই সুবিধায় আনা যাবে।

তবে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, 'তাতে খুচরা দামের ওপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। কারণ ডলারের দাম বেশি হওয়ায় তা সমন্বয় করতে গিয়ে দাম তেমন কমানো যাবে না।

এদিকে ফ্রুটস ইমপোর্টারর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, 'আমদানি শুল্ক কমানো হলেও খেজুরের দাম কমবে না। কারণ শুল্কায়নের সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা খেজুরের দাম অনেক বেশি ধরে তার ওপর ডিউটি নির্ধারণ করছে। এটা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমদানি শুল্ক কমাতে তারা কমিয়েছেন। কিন্তু দাম বেশি দেখিয়ে দুইগুণ-তিনগুণ শুল্ক নিচ্ছেন।

তিনি দাবি করেন, 'আমরা ইরাক থেকে সাধারণ মানের খেজুর কার্টনে করে আমদানি করেছি ৯০০-১০০০ ডলারে। এখন শুল্কায়নের সময় দাম ধরা হচ্ছে দুই হাজার ৫০০ ডলার। আর বস্তায় ভরে প্রতি টন আনি ৫০০-৬০০ ডলারে, কিন্তু শুল্কায়নের সময় দাম ধরা হয় এক হাজার ডলার। তাহলে একদিকে শুল্ক কমানোর কথা বলছে অন্যদিকে দুই-তিনগুণ শুল্ক বেশি আদায় করছে।' তার কথা, এই পরিস্থিতিতে নতুন করে কেউ খেজুর আমদানি করবে না।

অজুহাত থাকবেই :


কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের(ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন বলেন, 'শুল্ক কমানোর ঘোষণা আরেকটু আগে দিলে ভালো হতো। তবে এখনো এর সুবিধা ভোক্তাদের পাওয়া উচিত। আসলে ব্যবসায়ীরা এই সুযোগে কম শুল্কে পণ্য আমদানি করে পরে বেশি দামে বিক্রি করবে। এটা তাদের একটা পলিসি। এজন্যই তারা নানা অজুহাত দেখাচ্ছে। এরইমধ্যে বাজারে ওই চারটি পণ্যের দাম কিছুটা হলেও কমা উচিত ছিল। কিন্তু একটুও কমেনি।

তার কথা, 'এর আগে আমরা দেখেছি আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্যের দাম বাড়লে তারা আগে আমদানি করা পণ্যের দামও সঙ্গে সঙ্গে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু শুল্ক কমালে তারা আমদানির সময় ও ডলারের অজুহাত দেয়।

তিনি জানান, 'বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী ও ভোক্তা অধিদপ্তরের ডিজি বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে আমিও ছিলাম। ব্যবসায়ীরা সেখানে দাম কমানোর কোনো প্রতিশ্রতি দেয়নি। উল্টো তাদের কেউ কেউ বলেছেন. চার পণ্যে শুল্ক কমানোর কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

সামনের সপ্তাহে চিনি ও তেলের দাম কমবে :


ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, 'আমদানি শুল্ক কমানোর পর বাজারে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে একটু সময় লাগবে। আরো আগে শুল্ক কমালে আরো আগে প্রভাব পড়ত। আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যারিফ নির্ধারণ করে দেব। কাগজপত্র দেখে এটা করব। তাতে ভোজ্য তেল ও চিনির দাম কমবে। তবে চিনির দাম সামান্য কমবে। কারণ চিনির আমদানি শুল্ক সবচেয়ে কম কমানো হয়েছে।

আর বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, 'আমরা সামনের সপ্তাহের মধ্যে দাম ফিক্সড করে দেয়ার চেষ্টা করছি। ১ মার্চ থেকে এই চারটি পণ্য কম দামে বিক্রি করতে হবে। আমরা এরমধ্যে আমদানিকারকদের আগে আনা পণ্য ক্লিয়ার করতে বলেছি। এক তারিখ থেকে আমরা আমদানিকারকদের গুদামে ইন্টরভেন করব।

তিনি বলেন, 'আসলে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। তারা ইচ্ছা করে সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এবার যাতে সেটা করতে না পারে সেজন্য আমরা নানা ব্যবস্থার কথা ভাবছি।

আর খেজুর আমদানিকারকদের অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'সব মানের খেজুর একইসঙ্গে আমদানি করে একই দাম ধরা হত। তারপর ইচ্ছে মতো বাজারে দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করা হতো। এই কারণে এনবিআর একটি অ্যাসেসমেন্ট দাম নির্ধারণ করে দেয়। তারপরও তাদের অভিযোগ আমরা দেখব।

'আমরা আজকে(বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামে আমদানিকারকদের মূল হাব খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এরপর ঢাকায় মৌলভীবাজারের ব্যবসায়িদের সঙ্গে বৈঠক করব,' জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।

মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশে পবিত্র রোজার মাস শুরু হবে।


সূত্র : ডয়চে ভেলে

 


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




নওগাঁর এক কেন্দ্রের ৫৯ পরীক্ষার্থীই ভুয়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

নওগাঁর সাপাহার উপজেলার একটি কেন্দ্রে থেকে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৯ জন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

আটক পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র জমা নিয়ে ভুয়া পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেয়ার অভিযোগ এনে বহিষ্কার করা হয়।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সড়ে ১১টার দিকে সাপাহার উপজেলা সদরের সরফতুল্লাহ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৫৯ জন ভুয়া পরীক্ষার্থীকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ হোসেন। ওই কেন্দ্রে ১০টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৭৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার্থী ছিল।

জানতে চাইলে ইউএনও মাসুদ হোসেন বলেন, আজ সকাল ১০টা থেকে দাখিল পরীক্ষার আরবি প্রথম পত্রের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা শুরুর দিকে কিছু গোপন সূত্রে আমাদের কাছে খবর আসে সরফতুল্লাহ ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে ভুয়া পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।

খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও কেন্দ্র সচিবকে সাথে নিয়ে ওই কেন্দ্রে গিয়ে যাচাই-বাছাই করে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ৫৯ জন ভুয়া পরীক্ষার্থী পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, ওই কেন্দ্রের সব পরীক্ষার্থীর প্রত্যেকের প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ছবিসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই শেষে প্রকৃত ভুয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানা যাবে।

ইউএনও বলেন, এই অনিয়মের সাথে কেন্দ্র সচিব, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যার পর ফাঁস নিলেন মা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ |

Image

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে  কেয়াইন ইউনিয়নের উত্তর ইসলামপুর গ্রামে ঋণের চাপে দুই শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে, মায়ের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে

মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রবিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দুই শিশুসহ মায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে আশা ব্যুরো বাংলাদেশসহ ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনের কাছ থেকে ঋণ নেন সায়মা বেগম সেই ঋণ পরিশোধের চাপ সামাল দিতে না পেরে প্রথমে দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে, পরে নিজের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা পুলিশের স্বজনরা জানান, রবিবার সকালেও ঋণ দেয়া প্রতিষ্ঠান থেকে সায়মার খোঁজে আসেন কয়েকজন নিহত দুই শিশুর নাম ছাইমুনা তাওহীদ সায়মা বেগমের স্বামী অনেক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকেন

গৃহবধূ সালমা বেগমের স্বজন রোজিনা আক্তার জানান, সালমা বেগম বিভিন্ন এনজিও থেকে সুদে টাকা নিয়ে ঋণগ্রস্ত ছিল। ওই ঋণের কিস্তির টাকা নিতে রোববার সকাল ৯ টার দিকে এনজিও'র দুইজন লোক বাড়িতে এসেছিল। তারা ঘরের দরজা বন্ধ দেখে চলে যায়। তারা চলে যাওয়ার পর রোজিনা জানালা দিয়ে দেখেন, সালমা বেগমের মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আছে আর দুই সন্তান খাটের ওপর পড়ে আছে। 

সিরাজদিখান থানার ওসি মুজাহিদুল ইসলাম জানান, প্রায় ৭ বছর আগে সালমা বেগমের স্বামী ওলি মিয়া ৮ লাখ টাকা ঋণ করে সৌদি আরব যায়। সেই ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ সইতে না পেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে

পুলিশ আরো জানায়, ময়না তদন্তের পর বলা যাবে মৃত্যুর আসল কারণ


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তুমব্রু সীমান্তে গোলাগুলি চলছে, বাংলাদেশে নিহত ২

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

মিয়ানমার থেকে উড়ে আসা একটি মর্টারশেল বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জলপাইতলী গ্রামের ব্যবসায়ী বাদশা মিয়ার বাড়ির রান্না ঘরের ছাদে পড়ে।

এতে নিহত হয়েছেন বাদশা মিয়ার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৫২) এবং এক রোহিঙ্গা শ্রমিক। এছাড়া এক শিশুও আহত হয়েছে মিয়ানমার আসা মর্টারশেলে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ৩টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের জলপাইতলী গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। সীমান্তের পরিস্থিতি বর্তমানে থমথমে অবস্থান বিরাজ করছে। এলাকাবাসী আতঙ্কজনক অবস্থায় রয়েছে।

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) দখলে থাকা সর্বশেষ তিনটি ক্যাম্পের মধ্যে তুমব্রু রাইট ক্যাম্প ইতোমধ্যেই দখলে নিয়েছে আরাকান আর্মি। এই ক্যাম্প থেকে সর্বমোট ৭১ জন বিজেপি সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাকিদের অনেকেই পালিয়ে বিভিন্ন জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে এবং মাঝেমধ্যেই এক-দুজন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। অন্যরা নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্তের বিভিন্ন সূত্রে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দখলে যাওয়া ক্যাম্পটি পুনরুদ্ধারে মিয়ানমার থেকে হেলিকপ্টার এসে গোলাবর্ষণ করছে ওই ক্যাম্পে থাকা আরাকান আর্মির অবস্থানের ওপর।

এছাড়াও তুমব্রু লেফট ক্যাম্প হতে ২৪ জন এ পর্যন্ত পালিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করা বিজিপির মোট সদস্য সংখ্যা ৯৫। ওই ক্যাম্পের আরো শতাধিক সদস্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী ব্রিজের ওপারে মিয়ানমার সীমান্তের অভ্যন্তরে অবস্থান করছে। পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটলে তারা যেকোনো সময় বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

এছাড়াও বিজেপির ডেকুবুনিয়া ক্যাম্পটি মূলত একটি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার পর্যায়ের সামরিক অবস্থান। এর অবস্থান বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত থেকে দুই কিলোমিটার ভেতরে।

কিন্তু সীমান্ত পথে ব্যাটেলিয়ান হেডকোয়ার্টারে কোনো প্রকার লজিস্টিক সাপোর্ট পাঠানোর মতো অবস্থা মিয়ানমার সরকারের নেই। সেখানে সড়কপথে যোগাযোগের সকল রাস্তা আরাকান আর্মি বন্ধ করে দিয়েছে। এ অবস্থায় ডেকোবুনিয়া ক্যাম্পটি আরাকান আর্মির প্রবল আক্রমণের মুখে কতক্ষণ টিকতে পারে সেটি দেখার বিষয়।

এদিকে বাংলাদেশ সীমান্তের ২৪-২৬ পিলারের ওপাশে আতঙ্কিত শতাধিক বার্মিজ চাকমা সদস্য জড়ো হয়েছে। তারা যেকোনো সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ইতোমধ্যেই ওই এলাকায় পাহারা জোরদার করেছে। অনুপ্রবেশের সময় রোহিঙ্গা পরিবার আটক

বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলির পর এবার কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী এবং টেকনাফে হোয়াইক্যং উলুবনিয়া সীমান্তে ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়েছে। সোমবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় উলুবনিয়া সীমান্ত থেকে এক রোহিঙ্গা পরিবারকে আটক করেছে বিজিবি। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য মতে, স্থলপথে গোলাগুলির সাথে হেলিকপ্টার থেকেও ছোঁড়া হচ্ছে গুলি। ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের দখল করে নেয়া অঞ্চল উদ্ধার করতে হামলা চালাচ্ছে সরকারি বাহিনী। সীমান্তজুড়ে তীব্র গোলাগুলিতে আতঙ্কে ঘর-বাড়ি ছেড়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে বেলা ১১টার দিকে মিয়ানমার থেকে উলুবনিয়া সীমান্ত পার হয়ে একটি রোহিঙ্গা পরিবার বাংলাদেশে ঢুকে পড়লে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে। স্বামী-স্ত্রী ছাড়াও তাদের সাথে তিন শিশু রয়েছে।

হোয়াইক্যং উলুবনিয়া এলাকার জালাল আহমেদ বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিয়ানমারের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলি এবং বোমার শব্দ শুনতে পাই। ভয়ে সীমান্ত থেকে লোকজন সরে যাচ্ছে। অনেকে ঘর থেকে বের হচ্ছে না।

ঘুমধুম এলাকার আশরাফুল ইসলাম বলেন, গতকাল ব্যাপক গোলাগুলিতে তিনটি গ্রামের লোকজন এলাকাছাড়া হয়েছে। সকাল থেকে আবারো গোলাগুলি চলছে।


আরও খবর

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ সাত

বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |

Image

বুলবুল আহমেদ সোহেল :

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সিগারেট খাওয়ার প্রতিবাদ করায় সালমান নামে এক কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় এ হত্যাকান্ডটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। 

নিহত সালমান (১৭) খুলনা জেলার শাহারাবাদ থানার জিনারতলা গ্রামের ভ্যান চালক মোফাজ্জল মিয়া ও খুকু বেগমের ছেলে। তারা স্বপরিবারে ফতুল্লার কুতুবপুর চিতাশাল কুসুমবাগ এলাকার ২নং গলির শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

নিহতের মা খুকু বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় ক্যানেলপাড় এলাকায় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে সালমান দাড়িয়ে ছিলো। তখন জাহিদ নামে এক ছেলে সিগারেট ধরায়। সালমান তাকে দূরে গিয়ে সিগারেট খেতে বললে দলবল নিয়ে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে সালমানকে এলোপাথারি মারধর করে জাহিদ। সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহত অবস্থায় বাসায় ফিরলেও  শুক্রবার ভোর রাত ৪টায় তার অবস্থা খারাপ হওয়ায় দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পথে সালমান মারা যায়। এর পর স্থানীয় ইউপি মেম্বার জামান জানান,এ বিষয় নিয়ে থানা পুলিশ করলে লাশটা পুলিশ নিয়ে যাবে এবং ময়না তদন্তের জন্য কাটা ছেড়া করবে। তিন স্থানীয় ভাবে মিমাংসার কথা জানান। এক প্রকার মামলা না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এসব কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘটনাটি ধামাচাপা ছিল। পর খবর পেয়ে গলায় দানের আগে মুহর্তে লাশ নিয়ে যায় ময়নাতদন্তের জন্য।

এবিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য জামান বলেন, এক ছেলে ফোন করে জানিয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে ক্যানেলপাড় সাদ্দাম মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে পোলাপান ঝগড়া করেছে। এতে মারধরে একজন মারাগেছে। এরপর বিষয়টি নিয়ে নিহত ছেলের বাবার সাথে ফোনে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তখন নিহতের বাবাকে বলেছি আপনে ইচ্ছে করলে স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করতে পারেন আমি সহযোগীতা করবো। আর যদি তা না চান তাহলে মামলা করতে পারেন। 

এ ব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি নূরে আজম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর

বাউল ছালমা হলেন বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ "জয়িতা"

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পাংশায় মাদক সহ ৯ মামলার আসামী গ্রেফতার

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪