মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
Journalists
শিরোনাম
মতামত ইয়াহিয়ার ট্যাংকের সামনে মাথা নত করেনি আওয়ামী লীগ

ইয়াহিয়ার ট্যাংকের সামনে মাথা নত করেনি আওয়ামী লীগ

আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। পাকিস্তানি সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে, বাঙালির অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়ে, গণমানুষের শক্তিকে সংগঠিত করেই দলটি ইতিহাসের পথে এগিয়েছে। ইয়াহিয়া খানের ট্যাংক, বন্দুক ও দমন-পীড়ন বাঙালির মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে থামাতে পারেনি তেমনি কোনো প্রশাসনিক বাধা বা রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতাও আওয়ামী লীগের পথচলা রুদ্ধ করতে পারবে না।

৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে নানা বাধা, নিষেধাজ্ঞা ও ভীতি সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু ইতিহাস বলে, আওয়ামী লীগ কখনও প্রতিকূলতার কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। কারাগার, নির্যাতন, নিষেধাজ্ঞা কিংবা দমননীতি প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই দলটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে।

২০২৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হলে সরকার নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান ও সমাবেশ ঠেকাতে দেশের ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

ইতিহাসের দল আওয়ামী লীগ, প্রতিবন্ধকতার দেয়াল ভেঙেই এগিয়েছে বারবার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ইতিহাসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। সেই ঐতিহ্যের ধারক কর্মী-সমর্থকদের কাছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু একটি সাংগঠনিক অনুষ্ঠান নয় এটি সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও জনগণের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার দিন।

যারা মনে করে বাধা সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগের কণ্ঠরোধ করা যাবে, তাদের জন্য ইতিহাসই সবচেয়ে বড় জবাব।

বাধা যতই আসুক, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন হবে জনগণের শক্তিতে।

কারণ, এই দলের শক্তি কোনো প্রশাসনিক অনুমতিতে নয় এর শক্তির উৎস দেশের মানুষ। তাই বলা যায় ইয়াহিয়ার ট্যাংকের সামনে যে দল মাথা নত করেনি, ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতেও তাকে থামানো যাবে না।

খুঁজুন