মর্শে আওয়ামীলীগ'কে ঘীরে নতুন গেম বাস্তবায়ন হচ্ছে। বিএনপি সরকার পরিকল্পিতভাবে আওয়ামীলীগ দমন ও নির্যাতনের জন্য ২৩ তারিখের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রোগ্রামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে এখন যে নাটক হচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ ডিজিএফআই এবং সরকার ও দলের ভেতরে থাকা সংস্কার পন্থীদের নাটক।
খেয়াল করে দেখেন,শেখ হাসিনা কি ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যাপারে আনুষ্ঠিক কিংবা নিজের মুখে মৌখিক কোন কর্মসূচী ঘোষণা করেছে?? করে নাই
তাহলে আপনি লাফাচ্ছেন কোন স্বার্থে?
আসল ঘটনা কি জানেন কিছু???
আপনারা জানেন জননেত্রী শেখ হাসিনা শীঘ্রই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করতে পারলেই তো খেলা ঘুরে যাবে। তাই, আওয়ামীলীগ যেন সুসংগঠিত হতে না পারে এজন্য ২৩ জুন'কে ঢাল বানানো হচ্ছে। মূলত,জামাতকে ভয় দেখানোর জন্যই বিএনপি সরকার ও সেনা গোয়েন্দাদের এই চালাকি দৃশ্যমান।।
কেউ বিএনপি সরকারের এই ফাঁদে পা দেবেন না। সবাই মনে রাখবেন যেদিন আওয়ামী লীগ অফিসিয়াল ভাবে প্রোগ্রামের ডাক দেবে সেদিন মিছিলে যাওয়াটা আপনার দায়িত্ব।
হাওয়াই চপ্পল মার্কা হাওয়াই মিছিলে যোগ দিয়ে মিথ্যা মামলা খাওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। তার উপর ভাইলীগ ব্যবসা তো আছেই। "নেতা আমি করাইছি এই মিছিল" বলা ক্রেডিট ব্যাবসায়ী, ধান্দাবাজ বান্ডিল'খোর ঐ গ্রুপটাও আছে। এগুলো তৃণমূল আওয়ামীলীগকে বিভক্ত ও বিপদে ফেলানোর জন্য একটি রাজনৈতিক প্রেস্ক্রিপশন।
সুতরাং, যেদিন দলের প্যাড এ দিনলেখ করে অথবা শেখ হাসিনা নিজে ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচির ডাক দিবে, সেদিন বুঝে নিবেন ঐটা নেত্রী নির্দেশনা।
এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে এখন যে নাটক হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ ডিজিএফআই এবং সরকার ও দলের ভেতরে থাকা সংস্কার পন্থীদের নাটক। এই নাটকে পা দেবেন না।
আওয়ামীলীগ'কে ঘীরে নতুন গেম
আওয়ামীলীগ'কে ঘীরে নতুন গেম
মর্শে আওয়ামীলীগ'কে ঘীরে নতুন গেম বাস্তবায়ন হচ্ছে। বিএনপি সরকার পরিকল্পিতভাবে আওয়ামীলীগ দমন ও নির্যাতনের জন্য ২৩ তারিখের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রোগ্রামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে এখন যে নাটক হচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ ডিজিএফআই এবং সরকার ও দলের ভেতরে থাকা সংস্কার পন্থীদের নাটক। খেয়াল করে দেখেন,শেখ হাসিনা কি ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যাপারে আনুষ্ঠিক কিংবা নিজের মুখে মৌখিক কোন কর্মসূচী ঘোষণা করেছে?? করে নাই তাহলে আপনি লাফাচ্ছেন কোন স্বার্থে? আসল ঘটনা কি জানেন কিছু??? আপনারা জানেন জননেত্রী শেখ হাসিনা শীঘ্রই দেশে ফেরার
সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে আওয়ামী লীগকে বিভক্ত করতে পারলেই তো খেলা ঘুরে যাবে। তাই, আওয়ামীলীগ যেন সুসংগঠিত হতে না পারে এজন্য ২৩ জুন'কে ঢাল বানানো হচ্ছে। মূলত,জামাতকে ভয় দেখানোর জন্যই বিএনপি সরকার ও সেনা গোয়েন্দাদের এই চালাকি দৃশ্যমান।। কেউ বিএনপি সরকারের এই ফাঁদে পা দেবেন না। সবাই মনে রাখবেন যেদিন আওয়ামী লীগ অফিসিয়াল ভাবে প্রোগ্রামের ডাক দেবে সেদিন মিছিলে যাওয়াটা আপনার দায়িত্ব। হাওয়াই চপ্পল মার্কা হাওয়াই মিছিলে যোগ দিয়ে মিথ্যা মামলা খাওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। তার উপর
ভাইলীগ ব্যবসা তো আছেই। "নেতা আমি করাইছি এই মিছিল" বলা ক্রেডিট ব্যাবসায়ী, ধান্দাবাজ বান্ডিল'খোর ঐ গ্রুপটাও আছে। এগুলো তৃণমূল আওয়ামীলীগকে বিভক্ত ও বিপদে ফেলানোর জন্য একটি রাজনৈতিক প্রেস্ক্রিপশন। সুতরাং, যেদিন দলের প্যাড এ দিনলেখ করে অথবা শেখ হাসিনা নিজে ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচির ডাক দিবে, সেদিন বুঝে নিবেন ঐটা নেত্রী নির্দেশনা। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নিয়ে এখন যে নাটক হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ ডিজিএফআই এবং সরকার ও দলের ভেতরে থাকা সংস্কার পন্থীদের নাটক। এই নাটকে পা দেবেন না।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
১৫২/২, এ-২ গ্রীন রোড, রওশন টাওয়ার (লিফটের-৮),
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ । মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত