আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের পরাজয় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতি পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে শত্রু ও মিত্র উভয় পক্ষকেই অস্থির করে তুলেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্বাচনী ফলাফল ইরান, ইসরায়েল এবং ইউক্রেনের মতো দেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। মার্কিন কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের চেয়েও ট্রাম্পের পরবর্তী কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে বেশি আলোচনা চলছে।
নির্বাচনে এই বিপর্যয়ের পেছনে ইরানের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্বের ভূমিকা রয়েছে বলে ট্রাম্প ও তার দলের পক্ষ থেকেও স্বীকার করা হয়েছে। ভোটারদের যুদ্ধবিরোধী মনোভাব এবং এর ফলে সৃষ্ট মূল্যবৃদ্ধি রিপাবলিকানদের এই পরাজয়ে প্রভাব রেখেছে। তেহরান এই ফলাফলকে মার্কিন জনগণের যুদ্ধবিরোধী রায় হিসেবে স্বাগত জানিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তারা কাতারভিত্তিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখছে এবং নতুন চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ভেতরে রাজনৈতিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়া ট্রাম্পের সামনে এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে। তিনি চাইলে সম্মানজনক কোনো চুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে পারেন অথবা নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে সামরিক শক্তি আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন। ইরানি কর্মকর্তারা মার্কিন নীতির পরিবর্তনের ওপর নির্ভর না করে কূটনীতির পাশাপাশি সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতিও নিয়ে রাখছেন। হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য কৌশলগত বিষয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
তবে ট্রাম্পের প্রশাসন কূটনীতির পাশাপাশি সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিও বজায় রেখেছে, যা এই অঞ্চলের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ভেতরে ধাক্কা খাওয়া একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অনেক সময় নিজের অবস্থান শক্ত করতে যুদ্ধক্ষেত্রকে বেছে নিতে পারেন। অন্যদিকে, তেহরান এই পরিস্থিতিকে তাদের অনুকূলে ব্যবহার করে বড় কোনো ছাড় আদায়ের সুযোগ খুঁজছে। সামগ্রিকভাবে মার্কিন এই নির্বাচনী ফলাফল বিশ্বরাজনীতিতে নতুন কোনো বড় মোড় নেবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
ইরান, ইসরায়েল ও ইউক্রেইনের ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কী প্রভাব পড়তে পারে
ইরান, ইসরায়েল ও ইউক্রেইনের ক্ষেত্রে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কী প্রভাব পড়তে পারে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের পরাজয় আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের পররাষ্ট্রনীতি পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে শত্রু ও মিত্র উভয় পক্ষকেই অস্থির করে তুলেছে। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই নির্বাচনী ফলাফল ইরান, ইসরায়েল এবং ইউক্রেনের মতো দেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। মার্কিন কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তনের চেয়েও ট্রাম্পের পরবর্তী কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে বেশি আলোচনা চলছে।নির্বাচনে এই বিপর্যয়ের পেছনে ইরানের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্বের ভূমিকা রয়েছে বলে ট্রাম্প ও তার দলের পক্ষ থেকেও স্বীকার করা হয়েছে। ভোটারদের যুদ্ধবিরোধী মনোভাব
এবং এর ফলে সৃষ্ট মূল্যবৃদ্ধি রিপাবলিকানদের এই পরাজয়ে প্রভাব রেখেছে। তেহরান এই ফলাফলকে মার্কিন জনগণের যুদ্ধবিরোধী রায় হিসেবে স্বাগত জানিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তারা কাতারভিত্তিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখছে এবং নতুন চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ভেতরে রাজনৈতিকভাবে কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়া ট্রাম্পের সামনে এখন দুটি পথ খোলা রয়েছে। তিনি চাইলে সম্মানজনক কোনো চুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে পারেন অথবা নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে সামরিক শক্তি আরও বাড়িয়ে দিতে পারেন। ইরানি কর্মকর্তারা মার্কিন নীতির পরিবর্তনের ওপর নির্ভর না করে কূটনীতির পাশাপাশি সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতিও
নিয়ে রাখছেন। হরমুজ প্রণালি ও অন্যান্য কৌশলগত বিষয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।তবে ট্রাম্পের প্রশাসন কূটনীতির পাশাপাশি সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিও বজায় রেখেছে, যা এই অঞ্চলের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের ভেতরে ধাক্কা খাওয়া একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট অনেক সময় নিজের অবস্থান শক্ত করতে যুদ্ধক্ষেত্রকে বেছে নিতে পারেন। অন্যদিকে, তেহরান এই পরিস্থিতিকে তাদের অনুকূলে ব্যবহার করে বড় কোনো ছাড় আদায়ের সুযোগ খুঁজছে। সামগ্রিকভাবে মার্কিন এই নির্বাচনী ফলাফল বিশ্বরাজনীতিতে নতুন কোনো বড় মোড় নেবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
সুফী মাজহারুল ইসলাম মাসুম
[email protected] | ০১৭১১৬৬০৫৫৭
রওশন টাওয়ার, (লিফট-৮) ১৫২/২/এ২ গ্রীণ রোড ,
পান্থপথ সিগন্যাল, ঢাকা-১২০৫ ।
মোবাইলঃ ০১৭১৭৪৩৬১৩৯
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত